banglanewspaper

নিজস্ব প্রতিবেদক: বেসরকারি পর্যায়ে দেশসেরা শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি সংসদ আয়োজিত তৃতীয়বারের মতো বৃত্তি পেয়েছে চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জের ১১৭নং কংগাইশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কাজী নাহিন কাশেম। সে ২০১৭ সালে তৃতীয় শ্রেনি থেকে এরপর ২০১৮ সালে চতুর্থ শ্রেনিতে এবং সর্বশেষ ২০১৯ সালে পঞ্চম শ্রেনি থেকে এ মেধাবৃত্তি অর্জন করে।  

দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ভিত্তিক সংস্থা-সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান মেধাবৃত্তির আয়োজন করে শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি সংসদ। স্কুল ও মাদ্রাসা পর্যায়ে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী এ বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে। সাধারণত বিভিন্ন মেধা বৃত্তি পরীক্ষায় মেধাবী হিসেবে স্বীকৃত শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু তাদের চেষ্টা সকল শিক্ষার্থীর সম-অধিকার নিশ্চিত করা, পরীক্ষা ভীতি দূরে করে তাদের সুপ্ত মেধা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিকশিত করা। তাই গ্রাম থেকে শহর সর্বত্র যেকোনো শিক্ষার্থী হালিম-লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা অংশগ্রহণ করতে পারে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা সবার নিকট সমাদৃত হচ্ছে।

মেধা বৃত্তি পরীক্ষার বিষয়ে প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা শিক্ষার্থীদের মাঝে আলো ছরাচ্ছেন তাতে আমি ব্যক্তিগতভাবে শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি সংসদের সকলকে ধন্যবাদ জানাই। আলো যেমন আধাঁর দূর করে, তেমনি সুশিক্ষা সামাজিক কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামী, অপসংস্কৃতির চর্চা ও কুপমন্ডুকতার হাত থেকে সমাজকে মুক্ত করে আলোকিত সমাজ বির্নিমাণে মূখ্য ভূমিকা পালন করে। মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের মেধা-মননের বিকাশ ঘটে। নতুন প্রজন্মকে দক্ষ, সুশিক্ষিত ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে মেধাবৃত্তি পরীক্ষার গুরুত্ব রয়েছে। এই ধরণের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের ঋদ্ধ করে সুখি, সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে নেতৃত্ব দিতে পারবে। জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মেধা বিকাশে শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি সংসদ দেশব্যাপি মেধাবৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করেছে, তা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। 

শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি কেন্দ্রীয় পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আখতার হোসেন চৌধুরী বলেন, অভিন্ন প্রশ্নপত্রে একই সময়ে সারাদেশে পরীক্ষার আয়োজন কঠিন হলেও শিক্ষার্থীদের সতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ অভিভাবকবৃন্দ, শিক্ষকমন্ডলীর সার্বিক সহযোগিতা এবং বিভিন্ন উপজেলায় সমাজসেবক, রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবীসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্টজন বৃত্তি পরীক্ষার উপদেষ্টা রূপে দায়িত্বশীল ভূমিকা তাদের আশান্বিত করছে। 

তিনি আরও বলেন, ২০০২ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে এ বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজনে যারা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছেন এবং ধারাবাহিক সহযোগিতা করছেন প্রত্যেকের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতি রইল আবারো শুভেচ্ছা। আগামীর বাংলাদেশ হোক তোমাদের। 

কংগাইশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী কাজী নাহিন কাশেম বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফারহানা সুলতানা আইরিনের পরামর্শ ও তার দিক নির্দেশনায় আমি তৃতীয়বারের মতো বৃত্তি লাভ করেছি। 
 

ট্যাগ: bdnewshour24 চাঁদপুর