banglanewspaper

ইবি প্রতিনিধি: মারামারিতে যেতে না চাওয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রলীগ কর্মী কর্তৃক প্রথমে ফোনে হুমকি ও পরে রুম ভাংচুর ও রুম লুটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার মধ্যরাতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ন্যাশনাল ব্লকের ১১২ নং রুমে এ ভাংচুর ও লুটের ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মনের নিকট লিখিত একটি অভিযোগপত্র সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে নগদ দুই হাজার টাকা লুটসহ প্রায় ১০-১২ হাজার টাকার জিনিসপত্র ভাংচুর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

অভিযোগপত্র সূত্রে, শনিবার মধ্যরাতে সিনিয়র জুনিয়র ঝামেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় সংঘর্ষে অংশগ্রহণ করে অনুৎসাহ প্রকাশ করায় ডেভলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের হামজা নূর, রেজওয়ানুল সিদ্দিকী কাব্য, উদয় (আইন ২০১৮-১৯), জামিল আহমেদ (লোক প্রশাসন ১৮-১৯), অমিও সাহা (ডেভলপমেন্ট স্টাডিজ ২০১৮-১৯) সহ ২০ জন কর্মী নেশাগ্রস্থ অবস্থায় রতন রায় ও তার বন্ধুদের মারার উদ্দেশ্যে ১১২ নং রুমে প্রবেশ করে। তাদেরকে রুমে না পেয়ে রুমে অবস্থানরত সাব্বির আহমেদকে হুমকি দিয়ে বের করে দেয় এবং রুমে ব্যাপক ভাংচুর ও অর্থ লুট করে। এসময় তারা রুমের কাপড়চোপড় ও বিছানাপত্র বাইরে ফেলে দেয় এবং একটি রাউটার, ৩টি ফ্যান, রুমের লকার, একটি হিটারসহ রুমের অন্যান্য জিনিসপত্র ভাংচুর করে এবং বিছানার নিচে থাকা ২ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। 

ঘটনার কারণ জানতে চাইলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের রতন রায় নামের ওই শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা পলাশ (ইবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি) ভাইয়ের গ্রুপ করতাম। এর আগেও তারা মোট ৪ বার আমাদের রুমে ভাংচুর করেছে। বঙ্গবন্ধু হলে যে মারামারি ঘটনাই ঘটুক তারা এসে আমাদের রুম ভাংচুর করে।’ 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত হামজা নূর বলেন, “আিমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা । আমি এর সাথে কোনোভানে জড়িত না। 

ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রক্টর পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন বলেন, “গত রবিবার বিষয়টি সম্পর্কে আমি মৌখিক অভিযোগ পায় এবং গতকাল লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য ইতোমধ্যে একজন সহকারী প্রক্টরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ: bdnewshour24 ইবি ছাত্রলীগ রুম ভাংচুর অভিযোগ