banglanewspaper

দেবীদ্বার(কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ দেবীদ্বারে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক মাদ্রাসা ছাত্রী পড়তে গিয়ে শিক্ষক চাচাতো ভাই কর্তৃক বিয়ের প্রলোভনে একাধীক বার ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। ওই ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সুবিল ইউনিয়নের সুবিল গ্রামের ফকির বাড়িতে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে লিটন নামের ওই ধর্ষকে আটক করেছে। 

ধর্ষিতার পিতা কর্তৃক দায়ের করা মামলার সূত্রে জানা যায়, ধর্ষক লিটন ও ধর্ষিতা মাদরাসা ছাত্রী সম্পর্কে আপন চাচাতো ভাই-বোন। এ সম্পর্কের কারণে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা চরবাকর গ্রাম থেকে সুবিল গ্রামে লিটনের বাড়িতে থেকে পড়াশুনার জন্য ওই ছাত্রীকে পাঠিয়েছিলেন। 

লিটন পড়ানোর ছলে ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ফুসলিয়ে বিভিন্ন সময়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এতে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি লিটনের পরিবারের মধ্যে জানাজানি হলে লিটনের পরিবার ওই ছাত্রীকে কৃমিনাশক ঔষধ সেবনের কথা বলে গর্ভপাতের ঔষধ সেবন করিয়ে গর্ভপাত ঘটায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে রোববার রাতে দেবীদ্বার থানায় মো.লিটন মিয়া(২৬)কে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। 

পরে দেবীদ্বার থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষক লিটন মিয়াকে গ্রেফতার করে এবং সোমবার দুপুরে তাকে কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। অভিযুক্ত ধর্ষক লিটন মিয়া সুবিল গ্রামের ফকির বাড়ির আবদুল মান্নান মিয়ার ছেলে।

এ ব্যাপারে দেবীদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহিরুল আনোয়ার জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে লিটনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়েরের প্রেক্ষিতে পুলিশ লিটন মিয়াকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

ট্যাগ: bdnewshour24 ধর্ষণ