banglanewspaper

ডা.মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ: ব্রেষ্ট ক্যান্সার বর্তমানে  একটি আতঙ্কের নাম,ক্যান্সার একটি কালান্তর ব্যাধি।ক্যান্সার নামটা ভয়ংকর সৃষ্টিকারী।ভয়াবহতা সম্বন্ধে আমার কিছু না বললেও চলে,বর্তমান সমাজে,বন্ধু বান্ধব আত্নীয় স্বজনের মধ্যে এই ভয়ংকর রোগে জীবন দান করেনি এমন লোক পাওয়া যাবে না। যুদ্ধ,প্লাবন ও দুর্ভিক্ষ,সমাজ জীবনে সাময়িকভাবে আসে আবার চলে যায়, বহু জীবন ধ্বংস করে, কিন্তু এই  বিধ্বংসী রোগ ক্যান্সার ক্রমাগত মানব সমাজকে ধ্বংসের দিগে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমার চেয়ে ও আর ও বড় বড় মনীষী এর ধ্বংসলীলার বিবরণ দিয়েছেন।

গত দুই যুগ ধরে এ রোগে যত রোগী মৃতুবরন করেছেন,কোন যুদ্বেও এত লোক জীবনাহুতি দেয়নি, এই রোগে মানুষের দুঃখ কষ্ট ও জীবননাশের কোন হিসাব নেই।রাখা সম্ভবও নয়।অসহায় মানুষ অনবরত আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করে, এই রোগের হাত থেকে মুক্তি পেতে।স্বামী-হারা , স্ত্রী, স্ত্রীহারা-স্বামী, পিতৃ মাতৃহারা শিশু, জীবনের অর্জিত সম্পদ ভেসে যাওয়া ক্যান্সার এই সব দুঃখ কষ্টের কারণ।এর একমাএ কারণ -রোগ ও এই রোগের উৎপত্তি কারণ সস্বন্ধে অজ্ঞতা এবং চিকিৎসা পদ্ধতি সম্বন্ধে ও অজ্ঞতা।ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার বা মানুষকে রক্ষা করার একমাএ পথ হল রোগের কারণগুলি বিশ্লেষণ করা,আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রভূত উন্নতি সাধন করলে ও এই রোগটি নিয়ে মনে হচ্ছে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা খুবই হিমশিম খাচ্ছে, আজ পর্যন্ত ও এর কোন সঠিক কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।

যেকোনো রোগের ক্ষেত্রে রোগের কারণ খুঁজে পেলে তার সঠিক সমাধান বেরিয়ে আসে।কারণ খুঁজতে গিয়ে তথাকথিত আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা সদৃশ বিধান মতে রোগের কারণ বিবেচনা না করে শুধু প্রচলিত ধারার গবেষণা করে যাচ্ছে,সাধারণত দেহ কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। টিউমার সাধারণত দুই প্রকার ১. ম্যালিগনেন্ট বা ক্যান্সারাস  ২. বিনাইন বা সাধারণ/ যা ক্যান্সার (পিন্ড) বলা হয়। আমাদের দেহের কোষ বিভাজনের সময় কোন পর্যায়ে যদি তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় তখনই তৈরি হয়। শরীরের বিভিন্ন স্থানে শক্ত বা নরম আকারে তা ফুলে উঠে। টিপলে অনেক সময় ব্যথা ও জালা করতেও পারে। আবার অনেক সময় ব্যথা ও জালা থাকে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে বর্তমানে জর্দা-গুল ও তামাককে টিউমার বা ক্যন্সারের জন্য বেশি দায়ী করা হয়ে থাকে।

এছাড়া - সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, কাজ না করে বসে থাকা, অস্বাভাবিক মোটা হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত মাদক সেবন, ধূমপান ইত্যাদির কারণেও টিউমার বা ক্যান্সার হতে পারে ।আজ বেস্ট ক্যান্সার নিয়ে কলাম লিখেছেন,বাংলাদেশের বিশিষ্ট হোমিও গবেষক ডা.এম এ মাজেদ তিনি তার কলামে লিখেন....সাম্প্রতিকালে সারা পৃথিবীর ন্যায় বাংলাদেশেও স্তন ক্যান্সারের রোগীর সংখ্যা ক্রমাবর্ধমান লক্ষনীয়। ভারত উপমহাদেশে প্রতি বছর আশি থেকে এক লাক মহিলা স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়।সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় করতে পারলে আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে স্তন ক্যান্সারকে অনেক ক্ষেত্রেই সম্পূর্ণ আয়ত্তের মধ্যে আনা যায়।

সাধারণত এ রোগ চল্লিশোর্ধে মহিলাদের বেশি দেখা যায়। নিঃসন্তান মহিলা বা যে মহিলারা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ান না বা খাওয়াতে অক্ষম তাঁদের এই রোগে আক্রান্ত হওযার সম্ভাবনা সাধারণের তুলনায় অনেক বেশি। এই কোথা  এখন সর্বজন স্বীকৃত যে, ব্রেষ্ট ক্যান্সারের একটা জেনেটিক লক্ষন । পরিবারের কোনও মহিলা স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে তাদের মা, বোন অথবা মেয়ের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ২২%-৩৩% বেড়ে যায়।          

 ★বেস্ট ক্যান্সার লক্ষণঃ * কমবেশি সব মহিলাদের স্তনেই লাম্প থাকে। এর মধ্যে কয়েকটি ক্যানসারাস ও কয়েকটি নন-ক্যানসারাস। এই ব্রেস্ট লাম্পগুলি অনেক সময় আন্ডারআর্ম বা কলার বোনের তলাতেও দেখা যায়। এছাড়া স্তনবৃন্তের আশপাশেও এই ধরনের লাম্প থাকে যেগুলি টিপলে শক্ত লাগে এবং অবস্থান পরিবর্তন করে না। এমন কিছু দেখলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। 

*কোনও রকম রস কশ নেই স্তনে, তবু ইচিং বা চুলকানির মতো অনুভূতি হচ্ছে, এমন কিছু কিন্তু ক্যানসারের লক্ষণ। অনেক সময় এর সঙ্গে নিপ্‌ল থেকে হালকা হালকা রস‌ নিঃসৃত হয়, স্তনের ত্বকেও কিছুটা পরিবর্তন আসে। তাই চুলকানির মতো কিছু হলে নিজে থেকে কোনও ক্রিম বা লোশন লাগাবেন না। আগে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলবেন। 

*স্তনে টিউমার থাকলে তা আশপাশের ব্রেস্ট টিস্যুগুলির উপর চাপ সৃষ্টি করে এবং তার ফলে স্তনে একটা ফোলা ফোলা ভাব দেখা যায়। এরই সঙ্গে স্তনে লাল ভাবও থাকে। স্তনে হাত দিলে বা চাপ দিলে ব্যথাও লাগে।

* কাঁধ এবং ঘাড়ের ব্যথাও ব্রেস্ট ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে কারণ এই ক্যানসার স্তন থেকে খুব সহজেই ছড়িয়ে পড়ে শরীরের এই অংশগুলিতে। এই সমস্ত জায়গায় ব্যথা হলে সাধারণের পক্ষে জানা সম্ভব নয় তা মাস্‌ল পেইন নাকি ক্যানসারের কারণে ঘটছে। তাই পরীক্ষা করে নেওয়াই ভাল। 

* স্তনের আকার এবং সাইজ পরিবর্তনও এই ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে। সচরাচর এই বিষয়টি পার্টনারের চোখেই বেশি পড়ে। তেমন কিছু শুনলে বিষয়টি উড়িয়ে দেবেন না। নিজেই আয়নার সামনে স্তনটি পরীক্ষা করুন এবং ক্যানসারের পরীক্ষা করিয়ে নিন।

*স্তনে লাম্প সব সময় বড় আকারের হয় না। ছোট ছোট ফুসকুড়ির মতো লাম্পও দেখা যায় স্তনবৃন্তের আশপাশে। অন্তর্বাস পরে থাকার সময় যদি ঘর্ষণ অনুভব করেন, বিছানায় শোওয়ার সময় যদি ব্যথা লাগে তবে চিকিৎসকের কাছে যেতে দেরি করবেন না। 

*ব্রেস্টফিডিং করছেন না অথচ স্তনবৃন্ত থেকে অল্প অল্প দুধের মতো জলীয় পদার্থ নিঃসরণ হচ্ছে এমনটা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের কাছে যাবেন। এটি ব্রেস্ট ক্যানসারের অন্যতম বড় লক্ষণ। অনেক সময় স্তনবৃন্ত থেকে রক্ত পড়তেও দেখা যায়।

*স্তনবৃন্ত হল স্তনের অসম্ভব সংবেদনশীল অংশ। যদি দেখেন যে স্তনবৃন্ত স্পর্শ করলেও তেমন একটা অনুভূতি হচ্ছে না বা একেবারেই অনুভূতিহীন হয়ে গিয়েছে তবে তা ব্রেস্ট ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। স্তনবৃন্তের ত্বকের তলায় ছোট ছোট টিউমার তৈরি হলেই এমনটা হয়। 

* স্তনবৃন্ত চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়া, বেঁকে যাওয়া বা স্তনবৃন্তের শেপ অসমান হয়ে যাওয়া ক্যানসারের লক্ষণ,বিশেষ করে যদি ব্রেস্টফিডিং না চলাকালীন অবস্থাতেও এই বিষয়গুলি চোখে পড়ে। সঙ্গীকে বলুন ভাল করে পর্যবেক্ষণ করতে। সামান্য সন্দেহ হলেই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

* স্তনের উপরের ত্বক খসখসে হয়ে যাওয়া, অনেকটা কমলালেবুর খোসার মতো, ক্যানসারের প্রাথমিক স্টেজের লক্ষণ। দিনের মধ্যে একটা সময় তাই ভালভাবে স্তনটি পর্যবেক্ষণ করা উচিত। যে কোনও লক্ষণ চোখে পড়লেই দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং পরীক্ষা করান।

★বেস্ট টিউমার পরিক্ষা করার প্রাথমিক নিয়মঃ  ১। আয়নার সামনে দুপাশে হাত রেখে দাঁড়ান। দু দিকের স্তনের মধ্যে কোনও অসামঞ্জস্য আছে কিনা লক্ষ্য করুন। এবার দু’হাত ওপরে তুলুন-মাথার পাশে রাখুন। দেখুন দু’দিকে কোন অসামঞ্জস্য আছে কিনা ?

২। হাতের চেটো দিয়ে প্রথমে এক দিকের স্তন ও পরে অন্য দিকের স্তন পরীক্ষা করুন। কোন প্রকার চাকা বা ফোলা আছে কিনা লক্ষ্য করুন।

৩। এবার দেখুন নিপল এর কোন পরিবর্তন হয়েছে কিনা। যদি দেখা যায় একটি নিপল্ ভেতরে দিকে ঢুকে যাচ্ছে অথবা যদি নিপল্ এর পাশে কোন ঘা লক্ষ্য করা যাচ্ছে তাহলে সত্বর চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

নিপল্ থেকে কোন প্রকার “ডিসচার্জ” লক্ষ্য করলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যেহেুতু সহজেই স্তনে চাকা অনুভব করা যায়, তাই শরীরের অন্যান্য অংশের ক্যান্সারের তুলনসায় ব্রেষ্ট ক্যান্সারের চিকিৎসার হোমিওতে ভালো রেজাল্ট আশা করা যায়। 

হোমিওসমাধানঃ রোগ নয় রোগীকে চিকিৎসা করা হয় এই জন্য একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক কে ডা.হানেমানের নির্দেশিত হোমিওপ্যাথিক নিয়মনীতি অনুসারে ব্রেস্ট ক্যান্সার সহ যে কোন  জটিল কঠিন রোগের চিকিৎসা ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য ভিওিক লক্ষণ সমষ্টি নির্ভর ও ধাতুগত ভাবে চিকিৎসা দিলে   আল্লাহর রহমতে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব।  চিকিৎসা বিজ্ঞানে চিরন্তন সত্য বলে কিছুই নেই । কেননা একসময় আমরা শুনতাম যক্ষা হলে রক্ষা নেই , বর্তমানে শুনতে পাই যক্ষা ভাল হয়। এ সবকিছু বিজ্ঞানের অগ্রগতি ও উন্নয়নের ফসল ।

ব্রেস্ট ক্যান্সার চিকিৎসা হোমিওপ্যাথিতে সবচেয়ে জনপ্রিয় চিকিৎসা পদ্ধতি। সামগ্রিক উপসর্গের ভিত্তিতে ওষুধ নির্বাচনের মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা করা হয়। এটিই একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি যার মাধ্যমে রোগীর কষ্টের সমস্ত চিহ্ন এবং উপসর্গগুলি দূর করে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যের অবস্থা পুনরুদ্ধার করা যায়। বিবিসি নিউজের ২০১৬ তথ্য মতে, দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ রোগী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণ করে আরোগ্য লাভ করে, আবার ইদানিং অনেক নামদারি হোমিও চিকিৎসক বের হইছে,তাঁরা ব্রেস্ট ক্যান্সার রোগীকে অপচিকিৎসা 
দিয়ে চিকিৎসা দিয়ে থাকে তাদের কে ডা.হানেমান শংকর জাতের হোমিওপ্যাথ বলে থাকেন,রোগীদের কে মনে রাখতে হবে, ব্রেস্ট ক্যান্সার কোন
সাধারণ রোগ না, তাই সঠিক চিকিৎসা পাইতে হলে অভিজ্ঞ চিকিৎকের পরামর্শ নিন।   

ট্যাগ: bdnewshour24 ব্রেস্ট ক্যান্সার

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
আজও ২৭ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

banglanewspaper

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ২৭ জনের দেহ ডেঙ্গু ধরা পড়েছে। এ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১১৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন।

এর আগে মঙ্গলবারও (২১ জুন) দেশে ২৭ জনের দেহ ডেঙ্গু ধরা পড়ে।

বুধবার (২২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ২৭ জনসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১১৩ জন। তাদের মধ্যে রাজধানীর ৪৭টি হাসপাতালে ১০৮ জন ও পাঁচজন ঢাকার বাইরের হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। নতুন রোগীদের মধ্যে ২৬ জন ঢাকায় এবং একজন ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৮৩৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৭২১ জন। তবে এখন পর্যন্ত কারও মৃত্যু হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০২১ এ সারাদেশে ২৮ হাজার ৪২৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। মৃত্যু হয় ১০৫ জনের।

ট্যাগ:

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
২৬ জুন যে ৫ এলাকায় দেওয়া হবে কলেরা টিকা

banglanewspaper

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন আগামী ২৬ জুন থেকে কলেরার মুখে খাওয়ার টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম ধাপে রাজধানীর ৫টি এলাকায় এই টিকা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সেগুলো হলো যাত্রাবাড়ী, দক্ষিণখান, মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও সবুজবাগ।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) রাজধানীর মহাখালীর আইসিডিডিআরবি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অন্তঃসত্ত্বা ব্যতীত ১ বছরের বেশি সব বয়সের মানুষকে এই টিকা দেওয়া হবে। ডায়রিয়ার প্রকোপ মোকাবিলায় রাজধানীর ঝুঁকিপূর্ণ ৫ এলাকার ২৩ লাখ মানুষকে মুখে খাওয়ার কলেরা টিকা দেবে সরকার। দুই ডোজের এই টিকা কর্মসূচির প্রথম ডোজ দেওয়া হবে। পরবর্তীতে দেওয়া হবে দ্বিতীয় ডোজ।

ট্যাগ:

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
করোনায় মৃত্যু নেই, শনাক্ত কমেছে

banglanewspaper

করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় কারও মৃত্যু না হলেও ২৪ জনের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে গতকাল (বুধবার) ৩৪ জনের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়।

বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ২৩১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৫ হাজার ২২৫টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৪২ শতাংশ। মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮২ শতাংশ।

দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ১৩১ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৯ লাখ ৩ হাজার ৩৮৫ জন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

ট্যাগ:

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
যেভাবে ছড়ায় মাঙ্কিপক্স

banglanewspaper

করোনার মধ্যেই চোখ রাঙাচ্ছে নতুন সংক্রামক ‘মাঙ্কিপক্স’। যার এখনও কোনো সঠিক চিকিৎসা নেই। মাঙ্কিপক্স একটি জুনোটিক ভাইরাস। যা প্রাণী থেকে মানুষের ছড়ায়। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রেইনফরেস্টের কাছাকাছি এলাকায় এর সংক্রমণ বেশি।

নাম ‘মাঙ্কিপক্স’ হলেও একাধিক বন্য প্রাণীর মাধ্যমে ছড়াতে পারে এ ভাইরাস। এ ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ছড়ায় ইঁদুরের মাধ্যমে। মাঙ্কিপক্স ভাইরাস অর্থোপক্স ভাইরাস পরিবারের সদস্য। এর দুটি স্বতন্ত্র জেনেটিক স্ট্রেন আছে। যা মধ্য আফ্রিকান (কঙ্গো বেসিন) ক্লেড ও পশ্চিম আফ্রিকান ক্লেড।

কঙ্গো বেসিন ক্লেড আরও সহজে ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি এর লক্ষণও বেশি গুরুতর। যুক্তরাজ্য ও কানাডায় মাঙ্কিপক্সের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর বেশির ভাগই যৌন সম্পর্কযুক্ত বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি ইংল্যান্ডের এক বাসিন্দা আক্রান্ত হয়েছেন মাঙ্কিপক্সে। জানা যায়, তিনি নাইজেরিয়া গিয়েই এ ভাইরাসে আক্রান্ত হন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, ইতোমধ্যে ১২ দেশের মোট ৮০ জনের মধ্যে মাঙ্কিপক্স শনাক্ত হয়েছে। ভাইরাসটি খুবই সংক্রামক বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। নাক, মুখ ও চোখের পাশাপাশি আক্রান্তের পোশাক থেকেও সংক্রমিত হতে পারে এ ভাইরাস।

মাঙ্কিপক্সের লক্ষণ

কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, মাথা যন্ত্রণা, পেশিতে ব্যথা, শরীর বা হাত-পায়ে ব্যথা ইত্যাদি মাঙ্কিপক্সের প্রাথমিক কিছু উপসর্গ। এ ছাড়া মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হলে শরীরের বিভিন্ন লসিকা গ্রন্থি ফুলে যায়। শরীরে ছোট ছোট অসংখ্য ক্ষতচিহ্নের দেখা মেলে।

ধীরে ধীরে সেই ক্ষত আরও গভীর হয়ে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। গুটি বা জলবসন্তের সঙ্গে মাঙ্কিপক্সের উপসর্গে মিল আছে বলে অনেকেই প্রাথমিক পর্যায়ে এ রোগকে বসন্ত বা চিকেন পক্স বলে ভুল করছেন।

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে-হিন্দুস্তান টাইমস

ট্যাগ:

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
দেশে করোনায় মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্ত ১৯

banglanewspaper

করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় কারও মৃত্যু না হলেও ১৯ জনের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৬২২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৪ হাজার ৬২২টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৪১ শতাংশ। মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৬৩ জন।

দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৬৪৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ১২৭ জনের। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৯৪ হাজার ৮২০ জন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

ট্যাগ: