banglanewspaper

এম.পলাশ শরীফ,বাগেরহাট: বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে তালিকাভূক্ত এক রাজাকার আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে থাকার অভিযোগ উঠেছে। তিনি হচ্ছেন নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. সালাম মৃধা। জিউধরা গ্রামের মৃত ভেমর আলী মৃধার ছেলে সালাম মৃধা মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভূক্ত হওয়ার জন্যও আবেদন করেছিলেন। কিন্তু বাদ পড়েছেন। নাম রয়েছে রাজাকার তালিকায়। যার নম্বর ১৭। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা বলছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সে সশস্ত্র রাজাকার ছিল। তার পরিবারের আরো দুজন রাজাকার সদস্য।  এ নিয়ে তৃনমূল কর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ ।

এ সম্পর্কে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. লিয়াকত আলী খান বলেন, সালাম মৃধা নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ১৭ নং তালিকাভূক্ত রাজাকার। সে মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভূক্ত হবার জন্য চেষ্টা করেছিল কিন্তু বাদ পড়েছে। ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. আয়নাল হোসেন খান বলেন, একজন চিহ্নিত সশস্ত্র রাজাকারকে কিভাবে আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হয় তা বোধগম্য নয়। 

 ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক হাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বাচ্চু বলেন, সালাম মৃধা তালিকাভূক্ত রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামি তা আমাদের জানাছিলনা। জানার পরে তাকে বাদ দিয়ে সহ-সভাপতি আব্দুস সত্তার হাওলাদারকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয়েছে।

এ সম্পর্কে আব্দুস সালাম মৃধা বলেন, আমি স্বাধীনের পর থেকে এখনও ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে আছি। ১৯৭১ সালে আমার বড় ভাই জব্বার মৃধা আমাকে রাজাকারে ভর্তি করেছিলেন। আমি রাইফেলও নিয়েছিলাম। পরে রাইফেলসহ মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগ দেই। রাজাকার তালিকায় নাম থাকার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।'

ট্যাগ: bdnewshour24 তালিকাভূক্ত রাজাকার আওয়ামী লীগ