banglanewspaper

সাভার প্রতিনিধিঃ সারা দেশে আওয়ামী যুবলীগের কতিপয় নেতার কর্মকান্ডে ক্ষমতাসীন দলটি যখন বিব্রত ঠিক তখনই রাজধানী ঢাকার নিকটবর্তী আশুলিয়া থানা যুবলীগের রাজনীতিতে পরিচ্ছন্ন ইমেজ নিয়ে দলের সিনিয়র নেতা থেকে শুরু করে জনসাধারনের মনে ঠায় করে নিয়েছেন মোঃ ইলিয়াস হোসেন ভূইয়া।

সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির নেতাগন গত দুই বছর পূর্বে তাকে আশুলিয়া থানা   যুবলীগের সিনিয়র সদস্য  হিসাবে দায়িত্ব প্রদান করেন। স্থানীয়ভাবে তিনি দলের নতোকর্মীদের নিয়ে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ড দূর্নীতিমুক্ত রাখতে নিজ উদ্যোগেই এলাকাবাসীকে নিয়ে সংস্কার করতে থাকেন বিভিন্ন রাস্তা-ঘাট। মাদক নির্মূলেও তরুনদের সঙ্গে নিয়ে পাড়া-মহল্লায় উঠতি বয়সের যুবকদের মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন করেন।  

তার রাজনৈতিক কর্মকান্ড পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিগত জামায়াত-বিএনপি’র সরকারের বিভিন্ন গনবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের নেতাদের সাথে একসাথে কাজ করেছেন। আওয়ামীলীগের প্রতিনিটি কর্মসূচীতেই যুবলীগের পতাকা হাতে নিয়ে রাজপথসহ বিচরণ করেছেন আশুলিয়ার  সর্বত্র।

উদীয়মান এই নেতা বলেন, আমি ২০০৬ সালে তৎকালীন আশুলিয়া  থানা দিন ধামসোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের  সদস্য হয়ে রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন  ২০১১ সালে  আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের  যুগ্ন-আহ্বায়ক পদে নির্বাচিত হন  তারপর থেকেই,  জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আর্দশের একজন সৈনিক হয়ে বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী ও জনোনেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে অতীতে যেমন ছিলাম ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবো।

ইলিয়াস হোসেন ভূঁইয়ার রাজনীতির কর্মকান্ড দক্ষতা একটিভিটিস দেখে তৃণমূল সিনিয়র নেতৃবৃন্দ তাকে পুনরায় আশুলিয়া থানা যুবলীগের সিনিয়র সদস্য পদ দেন, 
সংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে ইলিয়াস হোসেন ভূঁইয়া বলেন আমাকে যদি আগামী দিনে আশুলিয়া থানা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি পদ দেয় তাহলে আমি আমার রক্তের বিনিময়ে হলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  একজন  সৈনিক হিসেবে সর্বোচ্চ সততার সহিত দায়িত্ব পালন করব। 

১/১১ এর পর ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে অত্র আশুলিয়া থানা   যুবলীগের ও ছাত্রলীগের বিক্ষিপ্ত নেতাকর্মীদের একত্রে নিয়ে আসার পেছনে তার অবদান ছিলো অনেক বেশি। আওয়ামীলীগের তৎকালীন নেতাদের ডাকে রাজপথে যেমন ছিলাম এখনো তেমনই আছি। ২০১৩ সালের শেষ দিকে বিএনপি-জামায়াতের লাগাতার ইস্যুবিহীন, জনগনের সর্মথনহীন আন্দোলনের প্রতিবাদে দিনের পর দিন ছাত্রলীগ  কর্মীদের নিয়ে আশুলিয়ার রাজপথ দখলে রেখেছি। বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলন শেখ হাসিনার উন্নয়ন বিরোধী আন্দোলন একথা আশুলিয়া থানা শ্রমিক থেকে শুরু করে সাধারন মানুষকে বুঝিয়েছি।

ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতির ছোট ভাই দেওয়ান মইন উদ্দিন বিপ্লব অত্র এলাকার প্রভাবশালী নেতা হওয়ার পরও বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনে আশুলিয়া থানা জনগন সাড়া দেয়নি।ইলিয়াস সম্পর্কে জানতে চাইলে আশুলিয়া থানা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ মইনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন ২০০৬ সালে ধামসোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন ২০১১ সালে আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক ছিলেন বর্তমান আশুলিয়া থানা যুবলীগের  সিনিয়র  সদস্য ,আমরা তার  কাজের গতি  বুঝে  তার জন্য  আশুলিয়া থানার  সিনিয়র সহ-সভাপতি পদ  বরাদ্দ করে রেখেছি সে একজন কর্মীবান্ধব নেতা  দলের জন্য  অনেক কিছুই  ত্যাগ করতে পারে। আরো আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কবির হোসেন সরকার বলেন  যুবলীগের ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন এই নেতার সম্পর্কে বলেন, আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ সব সময় পরীক্ষিত নেতাদেরই মূল্যায়ন করে থাকে। জননেত্রী শেখ হাসিনাও যুবলীগকে কলঙ্কমুক্ত করতে এ ধরনের পরিচ্ছন্ন ইমেজের তরুন নেতৃত্বকেই প্রাধান্য দিবেন।

ট্যাগ: bdnewshour24 আশুলিয়া যুবলীগ নেতা