banglanewspaper

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস থেকে ৯৯ হাজার ৪১ জন সুস্থ হয়েছে বাড়ি ফিরেছেন। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে ১ হাজার ৬০৩ জনসহ মৃত্যু হয়েছে ১৪ হাজার ৭৪৮ জনের। এর মধ্যে চীনে মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ২৭০। চীনের বাইরে মারা গেছে ১১ হাজার ৪৭৮ জন। 

 

এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ হাজার ৮০২ জনসহ মোট আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ জন। এর মধ্যে চীনে আক্রান্তের সংখ্যা ৮১ হাজার ৯৩ জন। এছাড়া চীনের বাইরে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৬০ হাজার ৪৩৩ জন। 

 

বিশ্বজুড়ে বর্তমানে ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৩৮ জন আক্রান্ত রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২ লাখ ১৭ হাজার ১৭৮ জনের অবস্থা সাধারণ এবং ১০ হাজার ৫৬০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

 

এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান ড. টেড্রস আধানম গেব্রেইয়সুস অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, সরকারগুলো এই বৈশ্বিক মহামারি ঠেকাতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তিনি সরকারগুলোকে নিজ নিজ দেশের করোনাভাইরাস পরীক্ষার ব্যবস্থা আরও বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন। 

 

এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় এখন লকডাউন যথেষ্ট নয়। 

 

করোনা ভাইরাস পৃথিবীজুড়ে অদ্ভুত এক আঁধারের ছায়া নিয়ে এসেছে। চারিদিক নিরব, নিস্তব্ধ। কেউ কারও সাথে মিশছে না বা চাইছে না। যেন সবাই সবাইকে এড়িয়ে যেতে পারলেই বাঁচে। ‘বিশ্ব গ্রাম’ ধারণায় মানুষ অনেক বছর ধরেই একাকি জীবনের অভ্যস্ত হয়ে উঠছিল। কিন্তু এতটা একাকি হয়তো তারা কখনোই হয়নি। যে চাইলেও তারা একে অন্যের সাথে দেখা করতে পারবে না। সবাই যেন এক যুদ্ধ কেন্দ্রীক জরুরি অবস্থায় রয়েছে।

 

এক করোনা ভাইরাস পুরো বিশ্বকেই যেন স্তব্ধ করে দিয়েছে। অধিকাংশ দেশেই রাস্তা-ঘাট, অফিস-আদালত, শপিংমল-মার্কেট, রেস্তোরাঁ-বার ফাঁকা। যেন সব ভূতুড়ে নগরী, যুদ্ধকালীন জরুরি অবস্থা চলছে। সবার মধ্যে ভয়, আতঙ্ক আর আশঙ্কা।

 

উহান, চীনের শিল্পোন্নত এই শহর থেকেই প্রথম করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ভাইরাসটি প্রায় নিয়ন্ত্রণে চলে আসলেও চীনের বাইরে ব্যাপক হারে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা।

ট্যাগ: bdnewshour24