banglanewspaper

ভারতের কোচ রবি শাস্ত্রী একটা পথ খোলা রেখেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্য। বলেছিলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল নির্বাচিত হবে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করে।

কিন্তু, সেই আশায় গুড়েবালি ধোনির। করোনা ভাইরাসের প্রকোপে প্রাথমিকভাবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল আইপিএল। এরপর সম্প্রতি ভারতকে সরকারিভাবে ২১ দিনের লকডাউন করার পর আর নতুন করে কিছু জানায়নি ভারতীয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)। তবে, বাতাসে গুঞ্জন ১৩তম আইপিএলের আসর এই বছর আর অনুষ্ঠিত হবে না।

ফলে ধোনিও নিজের শেষ দেখে ফেলেছেন। এর মধ্যেই এক ‘বোমা’ ফাঁটালো ভারতীয় গণমাধ্যম স্পোর্টসকিডা। ধোনির ঘনিষ্ট এক সূত্রের বরাত দিয়ে তারা জানিয়েছে যে, পরিবার ও বান্ধবদের ধোনি আর জাতীয় দলে না খেলার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তবে, আইপিএলে আরো কয়েকটা মৌসুম খেলতে চান।

যদিও, বিসিসিআইকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানাননি ধোনি। সূত্রটির দাবি, আইপিএলে নিজের ফর্ম দেখেই এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা এই অধিনায়ক।

এদিকে আইপিএলে নিজেকে আবার প্রমাণ করতে চাইলেও করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে তার সম্ভাবনাও খুব কম। ফলে তাকিয়ে থাকতে হবে বোর্ডের দিকে। ধোনির শৈশবের কোচ কেশব রঞ্জন অবশ্য বিশ্বাস করেন, ধোনি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাবেন।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আইপিএল অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে। আর তাই বিসিসিআইয়ের দিকেই মাহিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। তবে আমার মন বলছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুযোগ পাবে ও, যা কি-না হবে তার শেষ ম্যাচ।’

আর আইপিএল আদৌ মাঠে না গড়ালে সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির কপাল পুড়বে। এমন অভিমত দিলেন ক্রিকেট বিশ্লেষক ও ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলে। তার মতে, আইপিএল না হলে জাতীয় দলের দরজা বন্ধ হয়ে যাবে ধোনির জন্য।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে ভারতীয় দলে ধোনির ফেরার আশা আর নেই বললেই চলে। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ধোনির কথা আর ভাবা নাও হতে পারে। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে সেরাটা তুলে ধরার জন্য মরিয়াই ছিল ধোনি। কারণটা খুবই সহজ। গত বছরও নিজেকে উজাড় করে দিয়েছিল ধোনি, সুযোগ হলে এবারও দিতো।’

ট্যাগ: bdnewshour24