banglanewspaper

এম.পলাশ শরীফ: বাবাগো ভাতের অভাব বড়ই কষ্ট দেখেছিলাম ছোট বেলায় হিড়িকের পরে কোন কোন দিন ঝুটেছে এক বেলা  ভাত ও ভাতের মার্ক। সংসারে কঠিন অভাব বাবা মা একমুঠো খাবারের জন্য কতইনা কষ্ট করেছে। এখন সে কষ্ট নেই। শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আছে বিধায় মোদেরমত গরিবের ভাগ্যে মিলছে মাসে ৩০ কেজি চাল।

এ কথাগুলো বললেন, হতদরিদ্র সুবিধাভোগী ভিজিডিপ্রাপ্ত তেলিগাতি ইউনিয়নের জোবেদা বেগম, হেলেনা বিবি, হরগতি গ্রামের রিনা বেগম ও মিস্ত্রী ডাঙ্গা গ্রামের নিয়তি মন্ডল এ রকম একাধিক সুবিধাভোগীরা সংবাদ কর্মীদের পেয়ে তাদের সংসারের অভাব অনটন লাগবের কথা তুলে ধরেন। হতদরিদ্র এ সব পরিবারের স্বামীর দৈনিক উর্পাযনের আয় থেকে সংসার চালাতে খুবই কষ্ট হয় তাদের। অনেকে অসুস্থ্য গৃহকর্তা বিছানাই পড়ে আছে। স্ত্রী মানুষের বাড়িতে কাজ করে ছেলে মেয়ে পরিবারের দু’মুঠো খাবার জোগাতে হিমসিম  খেতে হতো প্রতিনিয়ত।

ঠিক সেই মুর্হুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পে প্রতিটি ইউনিয়নে প্রায় ২ বছর ধরে দেওয়া হচ্ছে ভিজিডি চাল। এ সব সুবিধা পেয়ে হতদরিদ্র পরিবারগুলো তাদের সংসার চালাতে আর হিমসিম খেতে হচ্ছে না। তারা দু’ হাত তুলে শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করেন তিনি যেনো আরো দীর্ঘদিন বেঁচে থেকে গরিবের সেবা করে যেতে পারেন।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় তেলিগাতি ইউনিয়ন পরিষদে ১৩৮ সুবিধাভোগী পরিবারের মধ্যে ভিজিডি চাল বিতরণ করেন ইউপি চেয়ারম্যান মোর্শেদা আক্তার। এ সময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন ট্যাগ অফিসার পল্লী সঞ্চয় ব্যাক ম্যানেজার প্রভাষ চন্দ্র মন্ডল, সচিব ফারুক হোসেন প্রমুখ। একইদিনে চেয়ারম্যান করোনা ভাইরাসে নিজ গৃহে অবস্থানকারি ৩৫ পরিবারের মাঝে বাড়িতে গিয়ে সরকারের দেওয়া খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন। 

ট্যাগ: bdnewshour24