banglanewspaper

এম.পলাশ শরীফ,বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটের চিতলমারীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চুরির অপবাদ দিয়ে দুটি বসত বাড়ি ভাংচুর, লুটপাটের বর্ণনা দেওয়া গৃহবধু ইতি বেগম (২০) কে গলা কেটে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা। বুধবার (০১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কুনিয়া গ্রামে স্বামীর ঘরে তার জবাইকরা মরদেহ পাওয়া যায়। ইতি বেগমের ভাসুর আমিনুর ইসলাম মীরের ১৪ বছর বয়সী ছেলে সাগর ইসলামও নিখোজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই পরিবারের লোকেরা। হত্যার খবর শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছেছে।

ইতি বেগম কুনিয়া গ্রামের সদর আলী মীরের ছেলে জাহিদুল মীরের স্ত্রী। মাত্র দুই মাস আগে ইতির বিয়ে হয়েছিল।

এর আগে চুরির অপবাদ দিয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে সদর আলী মীরের দুটি বসত বাড়ি ভাংচুর, লুটপাট ও বাড়িতে থাকা নারীদের মারধর করে প্রতিপক্ষরা। ৯৯৯ নাইনে ফোন করে বিষয়টি জানালেও প্রতিকার পায়নি পরিবারটি। পুলিশ ঘুরে যাওয়ার পরেও ওই পরিবারের গরু, ছাগল, হাস-মুরগি, কবুতরসহ সবকিছু লুটপাট করেছে প্রতিপক্ষরা এমন অভিযোগ করেছে পরিবারের লোকেরা।

বিভিন্ন জায়গায় ধর্ণা দেওয়ার পরে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে চিতলমারী থানায় মামলা দায়ের করেন সদর আলীর পুত্রবধু সানজিদা বেগম।

সোমবার দুপুরে হামলার সময় মারধরের শিকার সদর আলী মীরের আরেক পুত্রবধু সানজিদা বেগম বলেন, ইকবাল, সফিক ও ফেরদৌস আলমের নেতৃত্বে আমাদের বাড়িতে লুটপাট ও ভাংচুর করে। স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকাসহ সিন্দুক,৮টি গরু, ১০ টি ছাগল, শতাধিক কবুতরসহ নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক মালামাল লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। এরপর থেকে হামলাকারীরা হুমকী ধামকী দিয়ে আসছিল। মঙ্গলবার রাতে থানায় মামলা দায়েরের পর আসামীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়। তারা পরিকল্পিতভাবে আমার দেবরের স্ত্রীকে হত্যা করেছে। আমার ভাসুরের ছেলে সাগরকে খুজে পাচ্ছি না। হামলার পর থেকে আমরা কেউ বাড়িতে ছিলাম না। কিন্তু পুলিশ আমাদের বাড়িতে গিয়ে থাকতে বলেছে। পুলিশের উপর ভরসা করেই আমার দেবরের স্ত্রী ও ভাসুরের ছেলে আমাদের বাড়িতে ছিল। দুপুরে ইতির মরদেহ পাওয়া গেলেও সাগরকে খুজে পাচ্ছি না।

নিহত ইতি বেগমের ননদ সৈয়দা সুলতানা বেগম জানান, সোমবার দুপুরে আমাদের বাড়িতে হামলা করে হামলা ও ভাংচুর করে ইকবাল, সফিক ও ফেরদৌস আলমের নেতৃত্বে এলাকার ২৫-৩০ জন যুবক।আমাদের বাড়িতে থাকা ভাইপো ও ভাইয়ের বউয়ের মুখে হামলার ঘটনা শুনে আমরা ৯৯৯কে ফোন দেই। ৯৯৯ স্থানীয় থানা পুলিশের সাথে কানেক্ট করিয়ে দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলেও সন্দেহজনক কারণে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। সোমবার রাতে তারা আবারও তান্ডব চালায়। আমাদের বাড়ি থেকে গরু, ছাগল, হাস-মুরগী, কবুতর ও আলু নিয়ে যায়। সোমবার হামলার পরে এবং মঙ্গলবার রাতে মামলা দায়েরের পরে পুলিশের ভূমিকা স্পষ্ট হলে এই হত্যাকান্ড ঘটনা বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন এই নারী।

চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর শরিফুল হক বলেন, ইতি খানম ও তার ভাসুরের ছেলে সাগর ইসলাম বাড়িতে ছিল। রাতের কোন একসময় ইতিবেগমকে জবাই করে হত্যা করা হয়। দুপুরে আমরা মরদেহ উদ্ধার করেছি।

দুদিন আগে হামলার ঘটনায় পুলিষের অসহযোগিতা ও নিষ্ক্রিয়তার বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। আমি নিজেও দুইবার গেছিলাম। পুলিশ যাবার পরে আর কোন হামলার ঘটনা ঘটেনি। ওই পরিবারের বিরুদ্ধে থানায় বেশকিছু চুরির মামলা রয়েছে। তাই এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওই হামলা করে বলে দাবি করেন তিনি। [ads]

মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিকদের যা বলেছিলেন ইতি বেগম: দুপুরে হঠাৎ করে ইকবাল, সফিক ও ফেরদৌস আলমের নেতৃত্বে এলাকার ২৫-৩০ জন যুবক আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করে। বাড়িতে থাকা সকলকে এলোপাথারি মারপিট শুরু করে। আমার দুই ভাসুর মিজানুর ইসলাম ও আমিনুর ইসলাম প্রাণ ভয়ে পালিয়ে যায়। তারা আমাদের ঘরের মধ্যে থাকা সবকিছু ভাংচুর করে। আমরা চিৎকার শুরু করলে আমার জা সানজিদা বেগমের গলায় ছুরি ধরে তার কোল থেকে ১৮ মাসের বাচ্চা নিয়ে যায়। বাচ্চার গলায়ও ছুঢ়ি ধরে বলে চিৎকার করলে মেরে ফেলব। প্রায় দুই ঘন্টা তান্ডব চালিয়ে তারা লোহার সিন্দুকে রাখা ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকাসহ সব কিছু নিয়ে চলে যায়। এতে আমাদের প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ট্যাগ: bdnewshour24

খুলনা
কুষ্টিয়ায় আরও ১৭ মৃত্যু

banglanewspaper

কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন করোনা পজিটিভ ছিল এবং ৬ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মেজবাউল আলম।

তিনি জানান, বর্তমানে হাসপাতালে ১৭৯ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী এবং ৫৭ জনের উপসর্গসহ মোট ২৩৬ জন ভর্তি রয়েছে।

এদিকে পিসিআর ল্যাব এবং জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৭৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫৭ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩২ দশমিক ২০ শতাংশ।

ট্যাগ:

খুলনা
বিধিনিষেধের মধ্যে ইজিবাইকে পিকআপের ধাক্কায় নিহত ৬

banglanewspaper

সারা দেশে শুরু হওয়া ১৪ দিনের কঠোরতম বিধিনিষেধের মধ্যেই বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় পিকআপভ্যানের ধাক্কায় ইজিবাইকের ৬ যাত্রী নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরও একজন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল সোয়া ৭টার দিকে উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে বৈলতলী প্রাইমারি স্কুল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ফকিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আনাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ওসি জানান, পণ্যবোঝাই একটি পিকআপ মোংলার দিকে যাচ্ছিল। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইককে চাপা দেয় পিকআপটি। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান ইজিবাইকের ৬ যাত্রী। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। 

এ ব্যাপারে বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক গোলাম সরোয়ার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ৬ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগে একজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে এলাকাবাসী।

ট্যাগ:

খুলনা
কুষ্টিয়ায় ১০০টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করলেন হানিফ

banglanewspaper

করোনা মহামারি পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করায় নিজের নির্বাচনী এলাকায় ১০০টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করে দিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ।

জানা যায়, গত ৬ ও ৭ মে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় প্রায় এক কোটি টাকা বাজেটে কুষ্টিয়া মহিনি মিল মাঠ ও শেখ রাসেল স্টেডিয়ামে ১১ হাজার অসহায় কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাহবুবউল আলম হানিফ। খাদ্য বিতরণ কর্মসূচিতে এক কোটি টাকার পুরোটা খরচ হয়নি। এখান থেকে উদ্বৃত্ত টাকা দিয়েই মূলত ১০০টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করেন আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।


কুষ্টিয়ায় করোনা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সেখানে অক্সিজেন ছাড়া অন্যান্য চিকিৎসাসামগ্রীর ব্যবস্থা করবেন বলেও আশ্বস্ত করেন মাহবুবউল আলম হানিফ।

এদিকে কুষ্টিয়ায় করোনা পরিস্থিতি খুবই নাজুক। পরিস্থিতি বিবেচনায় কঠোর লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে পু‌রো জেলায়। প্রতিদিন সেখানে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ায় অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। ক্রমবর্ধমান এই করোনা রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহ করতে কুষ্টিয়ার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। এই অবস্থায় সাংসদ মাহবুবউল আলম হানিফের উদ্যোগে সরবরাহকৃত অক্সিজেন সিলিন্ডার অনেক উপকারে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগ:

খুলনা
লকডাউনের চতুর্থ দিনে খুলনায় ৬০ মামলা

banglanewspaper

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে দেশে সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ নিশ্চিতকরণে খুলনা নগরীতেও প্রশাসন রয়েছে কঠোর অবস্থানে। 

সেই ধারাবাহিকতায় শনিবার (১৭ এপ্রিল) লকডাউনের চতুর্থ দিনেও কঠোর অবস্থানে ছিল প্রশাসন। এদিন খুলনা জেলাজুড়ে অভিযান পরিচালনা করে ৬০টি মামলায় ৩৮ হাজার সাতশো টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলের সূত্রে জানা যায়, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের নির্দেশে এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুপ আলীর তত্ত্বাবধানে এদিন সমগ্র খুলনা জেলায় কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক অভিযান পরিচালিত হয়।

খুলনা মহানগরে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে দিনব্যাপী মোট ছয়টি টিম অভিযান পরিচালনা করে ৪৪ মামলায় ২৬ হাজার চারশো টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া বটিয়াঘাটা, দাকোপ, পাইকগাছা ও দিঘলিয়া উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করেন স্ব-স্ব উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনাররা (ভূমি)। এসব অভিযানে উপজেলায় মোট ১৬ মামলায় ১২ হাজার তিনশো টাকা জরিমানা করা হয়। ‘সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮’ এবং ‘দণ্ডবিধি, ১৮৬০’ এর সংশ্লিষ্ট ধারার বিধান মোতাবেক অর্থদণ্ড প্রদান করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহযোগিতা করেন পুলিশ, আনসার, এপিবিএন ও র‍্যাবের সদস্যরা। করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ নিশ্চিতকরণে জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ:

খুলনা
শৈত্যপ্রবাহে চুয়াডাঙ্গায় জনজীবন বিপর্যস্ত

banglanewspaper

চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে টানা শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলায় ভোগান্তিতে পড়েছেন এ অঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষ। চলতি সপ্তাহ ধরে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলছে এ জেলার ওপর দিয়ে। উত্তর থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে।  

বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাসে জনজীবন একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদুল ইসলাম জানান, বুধবার সকাল ৯ টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে শীতে দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষ গরম কাপড়ের অভাবে কষ্টে দিনযাপন করছে। রেল স্টেশনের প্লাটফর্মে শীতের রাত কষ্টে পার করছে দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষগুলো। জেলায় শৈত্যপ্রবাহ আরও বেশ কয়েক দিন থাকতে পারে। ঠান্ডা বাতাসের কারণে মানুষের দুর্ভোগ বেশি।

রোদের প্রখরতা না থাকায় ও বাতাসের গতিবেগ বেশি থাকায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে।

ট্যাগ: