banglanewspaper

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল মাজেদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। জল্লাদ শাহজাহানের নেতৃত্বে মো. আবুল, তরিকুল ও সোহেলসহ ১০ জন জল্লাদের একটি দল তৈরি করেছে ঢাকা জেল কর্তৃপক্ষ। শেষ সাক্ষাতের জন্য কারাগারে পরিবারের সদস্যদের ডেকেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এ খবর নিশ্চিত করেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) জেলার মাহবুবুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মাগরিবের নামাজের পর মাজেদের পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে কারাগারে দেখা করতে এসেছেন। এখনো তারা ভিতরে অবস্থান করছেন। তবে কতজন ভেতরে অবস্থান করছেন এমন তথ্য দেননি এই জেলার।

এর আগে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল মাজেদ প্রাণভিক্ষা চেয়ে যে আবেদন করেছিলেন, তবে তা খারিজ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তার ফাঁসি কার্যকরে এখন আর কোনো আইনি বাধা নেই।

এর আগে বুধবার (৮ এপ্রিল) কারাবন্দী আব্দুল মাজেদ প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন বলে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) জেলার মাহবুবুল ইসলাম জানান।

বুধবার বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল চৌধুরীর আদালতে আব্দুল মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা চেয়ে আবেদন করেছিলেন। শুনানি শেষে আদালত মাজেদের মৃত্যুদণ্ড পরোয়ানা জারি করেন।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম বলেন, মৃত্যুর পরোয়ানা পত্রটি কারাগারে এসে পৌঁছায় বিকেলে। তখনই সেটা মাজেদকে পড়ে শোনানো হয়। মাজেদ তখন রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে আমাদের মাধ্যমেই প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন।

জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল চৌধুরী ছুটিতে থাকায় বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার মৃত্যু পরোয়ানা শুনানির জন্য হাইকোর্ট তার ৮ এপ্রিলের ছুটি বাতিল করেন।

প্রথমে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আব্দুল মাজেদকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়। আবেদনটি মঞ্জুর হওয়ায় তাকে আদালতে হাজির করার জন্য প্রডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন করা হয়। প্রডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন মঞ্জুর হলে আব্দুল মাজেদকে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়।

ট্যাগ: bdnewshour24