banglanewspaper

করোনা সামলাতে এমনিতেই হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত। তার মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ের হুঙ্কার। পূর্বাভাস মিলে গেলে এপ্রিলের শেষ বা মে মাসের একেবারে শুরুতেই বঙ্গোপসাগরে জন্ম নেবে ঘূর্ণিঝড়। তার প্রভাবে ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। 

ঘূর্ণিঝড় কতটা শক্তিশালী হবে, শেষমেশ কোথায় আছড়ে পড়বে, তা বলার সময় এখনও আসেনি।

বঙ্গোপসাগর বা আরব সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা আছে কি না, দু’সপ্তাহ আগেই তার ইঙ্গিত আগাম জানায় ভারতের আবহাওয়া ভবন। 

বৃহস্পতিবারের এক বুলেটিনে আন্তর্জাতিক আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, মে-র প্রথমেই আন্দামান সাগর লাগোয়া দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে পারে। এই সময় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সহায়ক পরিবেশ থাকে। আস্তে আস্তে অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তারই হাত ধরে দিন সাতেক পর দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হবে। 

সেই বুলিটিনে জানা যায়, ‘২৭ এপ্রিলের পর আন্দামান সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত উদয় হবে। সেটি শক্তি বাড়াতে পারে। মায়ানমারের আবহাওয়া দপ্তরও এপ্রিলের শেষে নিম্নচাপ সৃষ্টির আভাস দিয়ে রেখেছে।

সবটাই সম্ভাবনার পর্যায়ে থাকলেও একটি বিষয় ইতিমধ্যেই নির্ধারিত। তা হল ঘূর্ণিঝড়ের নাম। নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নিলেই নাম দেওয়া হবে ‘উম্পুন’। নামকরণের নেপথ্যে থাইল্যান্ড। ঘূর্ণিঝড়ের বর্তমান তালিকার এটিই শেষ নাম। 

ট্যাগ: bdnewshour24