banglanewspaper

কারখানা খোলার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি জানিয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সংগঠনের সদস্যদের পরামর্শ দিয়ে বলেছে, কেউ শ্রমিকদের জোর করে গ্রাম থেকে ঢাকায় আনবেন না।

শুক্রবার দিবাগত রাতে সংগঠনটির ওয়েবসাইটে দেয়া মালিকদের উদ্দেশে এক বার্তায় এমন পরামর্শ দেয়া হয়।

গণপরিবহন বন্ধ থাকার পরও বিভিন্ন জেলা থেকে পোশাক শ্রমিকরা ঢাকায় আসছেন- এ বিষয়ে বিজিএমইএ  তার অবস্থান পরিষ্কার করে ওই বার্তায়।

কারখানা খোলা বা বন্ধ বিষয়ে ওই নির্দেশনায় সংগঠনটি বলেছে, অর্থনীতি সচল রাখতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পোশাক কারখানা খোলা রাখার নির্দেশনা বিজিএমইএ দেবে। তবে সেই নির্দেশনা পাওয়ার আগ পর্যন্ত যেসব শ্রমিক গ্রামে আছে, তাদের ঢাকায় না আসতে বলার অনুরোধ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এলাকাভিত্তিক পোশাক কারখানা খোলার নির্দেশনা দেয়া হবে। সেক্ষেত্রে শুরুতে কারখানা সীমিত আকারে খোলা রাখা যাবে। ফলে প্রথম ধাপে কারখানার আশপাশে যেসব শ্রমিক থাকে, তাদেরই কাজে যোগদান করতে বলা যাবে।

মানবিক বিবেচনা করে কোনো শ্রমিক ছাঁটাই না করার অনুরোধ জানিয়ে বিজিএমইএ বলেছে, ‘যে কোনো পরিস্থিতিতে কোনো শ্রমিককে অসমর্থিত ও অনুপযুক্ত উপায়ে ঢাকা নিয়ে আসা হলে বিজিএমইএ কোনো সহায়তা করবে না।

করোনাভাইরাসের ঠেকাতে সাধারণ ছুটি কয়েক দফা বাড়ানোর পর তা আবার ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ফলে গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। তবে এরই মধ্যে আবারও খবর এসেছে চাকরি বাঁচাতে শ্রমিকরা ঢাকায় আসছেন। অনেক কারখানা থেকে ফোন করে শ্রমিকদের কাজে যোগ দিতে বলা হচ্ছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমন খবরের পরিপ্রেক্ষিতে বিজিএমইএ এমন নির্দেশনা দিলো।

ট্যাগ: bdnewshour24