banglanewspaper

করোনার ঝুঁকি মাথায় নিয়েই জয়পুরহাটের কালাইয়ে ব্যাংকের সামনে ভিড় করে টাকা তোলেন বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধি ভাতা ভোগীরা। সোমবার (২৭ এপ্রিল) কালাই অগ্রণী ব্যাংকের সামনে সকাল  থেকে দুপুর পর্যন্ত এ ভির লক্ষ্য করা যায়।

জানা গেছে, উপজেলার আহম্মেদাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বয়স্ক, বিধাব প্রতিবন্ধীরা ভাতার টাকা উঠানোর জন্য সকাল থেকেই কালাই অগ্রণী ব্যাংকেরসামনে উপস্থিত হয়। করোনার ঝুঁকি নিয়েই ভিরের মধ্যে গাদাগাদি করে টাকা উঠানোর তালিকায় আছেন অনেকেই। 

এরা হলেন, বৈরাগীপাড়া গ্রামের মৃত আয়েজম-লের ছেলে মোসলিম মণ্ডল (৭০), হাতিয়র গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা (৭৫), খোসালপুর নওপাড়ার মৃত রবিদাস লক্ষনের স্ত্রী মিনারানী, হারুঞ্জা গ্রামের মৃত আয়েন উদ্দিনের স্ত্রী হালিমা (৬৩), একই গ্রামের মৃত পরসুল্লার ছেলে সৈয়দালী, মৃত রফিকুলের স্ত্রী মাসুদা, মৃত নুরুলের স্ত্রী জাহানারা সহ অনেকেই । 

এলাকার সচেতন মহলের দাবি, ভাতার টাকা উঠানোর ঘটনায় জণসমাগমকে কেন্দ্র করে এলাকায় করোনা ভাইরাস বিস্তার হলে, সে দায় কালাই অগ্রণী ব্যাংক কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে।

কালাই অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক এএইচএম রবিউল আলমের দাবি, তারা কোন ভাবেই ভাতার টাকা বিতরণের কথা প্রচার করেননি। বিভিন্ন ভাতা সুবিধাভোগীরা স্বতঃপ্রণোদিত হয়েই ব্যাংকের সামনে উপস্থিত হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে, সেবার মানসিকতায় এবং গরীব মানুষের আর্থিক কষ্ট ও হয়রানীর কথা বিবেচনায় নিয়ে টাকা বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে ব্যাংকের ভিতরে নয়, বাইরের রাস্তায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এ অর্থ বিতরণ কাজ শুরু করা হয়। কিন্তু বয়স্ক মানুষ সেই নির্দেশনা না মানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি।

কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবারক হোসেন জানান, করোনা ভাইরাস রোধে উপজেলা প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে । করোনার ঝুঁকি নিয়েই ভিরের মধ্যে গাদাগাদি করে টাকা উঠানোর বিষয়টি দুঃখজনক। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগ: bdnewshour24