banglanewspaper

দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে অনেক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, কর্মচারিরা দায়িত্ব এড়িয়ে চলছেন কিন্তু ঝুঁকি জেনেও ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সেবা দিয়ে যাচ্ছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে মানুষ যখন গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন তখন অতন্দ্র প্রহরী হয়ে পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা মানুষের সুরক্ষায় নিয়োজিত। 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) গভীর রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে এমনই চিত্র দেখা যায়। ঠাকুরগাঁওয়ের প্রবেশদ্বার ২৯ মাইল চেকপোষ্টে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভিরুল ইসলাম, ওসি তদন্ত গোলাম মর্তূজাসহ সকল পুলিশ সদস্যকে সেবা দিতে দেখা যায়। যে সমস্ত গাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ে ঢুকছে সেগুলোতে নিজেরাই জীবাণুনাশক স্প্রে করে চেক করছেন। 

সম্প্রতি ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, গাজীপুর থেকে পণ্যবাহি ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, মাইক্রোবাস ও মিনি পিকআপ, এম্বুলেন্সে করে যাত্রীরা আসে। যাদের শরীরে পরবর্তীতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া যায়। ফলে পুলিশ সদস্যরা আরও তৎপর হয়। ইতো মধ্যে পীরগঞ্জ থানার এক পুলিশ সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।  এ নিয়ে জেলায় মোট ১৬ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। 

ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পুলিশের দায়িত্ব জনগণকে সেবা দেয়া,  সেই দায়িত্বের জায়গা থেকে পুলিশ সদস্যরা অতন্দ্র প্রহরী হয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। 


উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১১ এপ্রিল) ঠাকুরগাঁওয়ে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় পুরো জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। এরই প্রেক্ষিতে জেলার বিভিন্ন প্রবেশদ্বারে বসানো হয় চেকপোষ্ট। 

ট্যাগ: bdnewshour24

রংপুর
তিস্তার চরে সোনালী ধানের হাতছানি

banglanewspaper

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর ধারে জেগে ওঠা চরের উর্বর পলিমাটিতে বোরো ধান চাষ করছেন তিস্তাপারের কৃষক। এরই মধ্যে ধান গাছ থেকে শীষ বেরুতে শুরু করেছে। সবুজ ধান গাছে ভরে উঠেছে তিস্তার ধার। অল্প পরিশ্রম ও খরচে ধান গাছে সোনালী ধানের হাতছানি দেখে চাষিদের মুখে হাসি ফুটছে।

সরেজমিনে তিস্তার চর বেষ্টিত গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষীটারি,গজঘন্টা, মহিপুর, এসকেএস বাজার, মর্ণেয়াসহ বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

কথা হয় উপজেলার লক্ষীটারী ইউনিয়নের মহিপুর গ্রামের কৃষক ইলিয়াস হোসেন পটু ও দুদু মিয়ার সাথে।

তারা জানান, তিস্তার ধারে জেগে ওঠা চরের উর্বর পলিমাটিতে তিস্তাপারের বেশ কিছু কৃষক বোরো ধানের চাষ করছেন। তারা দুজনে চলতি বছর প্রায় ৪ একর  তিস্তার ধারে জেগে ওঠা চরের উর্বর পলিমাটিতে বোরো ধানের চাষ করছেন।

তারা বলেন, পৌষ মাসের প্রথম দিকে বীজ তলায় চারা গাছ তৈরির পর চারা গাছের বয়স ২৫-৩০ দিন হলেই তা তুলে নিয়ে হাল চাষ ছাড়াই চরের উর্বর পলিমাটির চরে রোপন করা হয়। নদীর পানি নিকটে হওয়ায় হাত সেচ দিয়ে ধান গাছ বড় হতে থাকে। এছাড়া এ আবাদে অধিক কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের প্রয়োজন হয়না। চৈত্র মাসে নদীতে পানি আসার আগেই বোরো ধান কর্তন করা যায় বলে জানান একাধিক কৃষক।

লক্ষীটারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মমিনুর ইসলাম রব্বানী বলেন, চরাঞ্চলে বোরো ধান চাষ করা চাষিদের সরকারি সহায়তা দেয়া হলে তারা উৎসাহিত হয়ে আরও বেশি বোরো ধান চাষ করবেন। তিনি এসব চাষিদের সরকারি সহায়তা দেয়ার দাবি জানান।

গঙ্গাচড়া উপজেলা কৃষি অফিসার শরিফুল আলম বলেন, তিস্তার জেগে ওঠা পলিমাটির চরে চলতি বছর ব্যাপক বোরো ধানের চাষ হয়েছে। এ উপজেলার চরাঞ্চলের চাষীরা অনেক পরিশ্রমী। তারা আমাদের পরামর্শক্রমে চরের পলিমাটিতে বোরো ধান চাষ করে চালের অভাব অনেকাংশে দূর করেন।

ট্যাগ:

রংপুর
শৈতপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরাঞ্চল, জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত

banglanewspaper

শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে রংপুরসহ গোটা উত্তরাঞ্চল। শৈত্যপ্রবাহ আর হিমেল বাতাসের কারণে অনুভুত হচ্ছে তীব্র শীত। এর প্রভাবে আবারও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এই অঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবন-যাত্রা।

রোববার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় উত্তরাঞ্চলের জেলা কুড়িগ্রামের রাজারহাটে সর্বনিম্ন ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, আর সকাল ১০টায় লালমনিরহাটে একই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা সারাদেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রোববার রংপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এ আবহাওয়া ফেব্রুয়ারির ৩ তারিখ পর্যন্ত থাকবে।

এছাড়াও নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৬ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস, ডিমলায় ৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস, রংপুরে ৭ দশমিক ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং দেশের সর্বোত্তরের উপজেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিসের পুর্বাভাসে বলা হয়েছে, সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) দেশের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা আরও হ্রাস পেতে পারে এবং সারাদেশের দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়াও মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।

এদিকে হাড় কাঁপানো কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রংপুর নগরীসহ জেলার আট উপজেলা ও বিভাগের নীলফামারী, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, পঞ্চগড় জেলাসহ উত্তর জনপদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষ করে ছিন্নমুল ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে চরমে। আর তীব্রশীত উপেক্ষা করে জীবিকার তাগিদে কাজের সন্ধানে বের হওয়া নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছে বিপাকে। খরকুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে শীতার্ত মানুষ।

সন্ধ্যার পর জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। শীতে নাকাল হয়ে পড়েছে বিভিন্ন বয়সের মানুষ। শীতবস্ত্রের অভাবে দরিদ্র-ছিন্নমূল মানুষরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। শীতে বোরো বীজতলা, ভুট্টা, আলু, সবজিখেতসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন অনেকে।

তিস্তা নদী বেষ্টিত রংপুরের গঙ্গচড়া, পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলার বিভিন্ন চরের বাসিন্দারা জানান, দুদিন থেকে প্রচুর শীত আর কনকনে ঠান্ডা পড়েছে। কাউনিয়ার চর প্রাণনাথ গ্রামের আতাউর রহমান, চর চতুরা গ্রামের আব্দুল মমিন ও পীরগাছার চর ছাওলার এনায়েত মিয়াসহ বেশ কয়েকজন জানান, এর আগে এরকম শীত দেখা যায়নি। অন্য এলাকার চেয়ে তিস্তার পাড়ে প্রচুর শীত।

অন্যদিকে অব্যাহত তীব্র শীতের কারনে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও দিনাজপুর এম রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভাগের আট জেলা হাসপাতাল এবং ৫৬ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ বেড়েছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। নিউমোনিয়া, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগ নিয়ে ভর্তি হচ্ছে রোগীরা। বিশেষ করে শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা হাসপাতালে ভীড় করছে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে।

রংপুরের সিভিল সার্জন ডা. হিরম্ব কুমার রায় জানান, শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীরা বেশি ভর্তি হচ্ছেন। যথাসাধ্য চেষ্টা করছি রোগীদের সেবা দিতে বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে।

ট্যাগ:

রংপুর
‘কোরআন অবমাননায়’ যুবককে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দিল জনতা

banglanewspaper

লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারী স্থলবন্দর কেন্দ্রীয় মসজিদে কোরআন শরীফ অবমাননার অভিযোগে তুলে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছেন বিক্ষুব্ধ জনতা। পরে ওই লাশ পেট্রোল ও কাঠ দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেছে উপস্থিত লোকজন।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মাগরিবের নামাজের আগে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ঘটে এ ঘটনা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় উত্তেজনা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁকা গুলি করেছে। এদিকে ঘটনার পর যুবকের মোটরসাইকেলও পুড়িয়ে দেয়া হয়। আগুন নেভাতে গেলে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধরা।

স্থানীয়রা জানান, দু’জন ব্যক্তি আসরের নামাজের সময় মসজিদে ঢোকে। নামাজ শেষে তারা ‘মসজিদে অস্ত্র আছে’ বলে দাবি করে। এ সময় তারা কোরআন ফেলে দেয় ও অবমাননা করে। এমন অভিযোগে একজনকে ধরে পিটিয়ে হত্যা করে আগুনে পোড়ানো হয়। অপরজন পালিয়ে যায়।

বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য হাফিজুল ইসলাম বলেন, আসরের নামাজ শেষে বুড়িমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দুই জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি আসেন। মসজিদের খাদেম জুবেদ আলীকে সঙ্গে নিয়ে তাদের একজন মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে কোরআন-হাদিসের বই রাখার তাকে অস্ত্র আছে বলে তল্লাশি শুরু করেন। এক পর্যায়ে মসজিদের সামনে থাকা ৫-৬ জন মুসল্লি মসজিদের প্রবেশ করে ওই ব্যক্তিকে এবং বারান্দায় থাকা অপর ব্যক্তিকে মারধর করেন। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই দুই ব্যক্তিকে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষের ভেতরে ঢুকে তালা লাগিয়ে রক্ষার চেষ্টা করি। তবে মুহূর্তে শত শত লোকজন জড়ো হতে থাকে। আমি ও স্থানীয় রফিকুল ইসলাম প্রধান নামে এক ব্যক্তি পাটগ্রাম থানার ওসি সুমন কুমার মোহন্ত, ইউএনও কামরুন নাহার, উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমীন বাবুল ও বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম নেওয়াজ নিশাতকে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলি। এরই মধ্যে উত্তেজিত জনতা কারও কথা না শুনে পরিষদের দরজা-জানালা ভেঙে এক ব্যক্তিকে বাইরে বের করে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে লাশ নিয়ে লালমনিরহাট-বুড়িমারী জাতীয় মহাসড়কের বুড়িমারী প্রথম বাঁশকল এলাকায় কাঠখড়ি ও পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয়। সেখানে ৫-৬ হাজার উত্তেজিত মানুষ ছিল, কারও কোনও নিয়ন্ত্রণ ছিল না।

তিনি আরও বলেন, আমরা লোক দুই জনের সঙ্গে কথা বলার সময় পাইনি। তাই পরিচয় নেওয়া সম্ভব হয়নি। এমন কি তাদের ধর্ম সম্পর্কেও জানা সম্ভব হয়নি।

বুড়িমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন আফিজ উদ্দিন বলেন, আমি আসরের নামাজ শেষ করে বাইরে বের হয়ে যাওয়ার সময় দেখতে পাই খাদেম জুবেদ আলীকে দুই জন অপরিচিত ব্যক্তি সালাম দিয়ে হ্যান্ডশেক করে কথা বলছিল। এরপর তারা মসজিদের ভেতরে ঢুকে যায়। আমিও চলে যাই। পরে ঘটনার কথা এসে শুনেছি। কিন্তু বিস্তারিত কিছু জানি না।

জানতে চাইলে ওই মসজিদের খাদেম জুবেদ আলী বলেন, আমাকে র‌্যাব ও আর্মির পরিচয় দিয়ে বলা হয় যে, কোরআন শরীফ ও হাদিস রাখার তাকে নাকি অস্ত্র আছে। এ কথা বলে তাদের একজন খোঁজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে সবকিছু তছনছ করেন। এসময় মসজিদের বাইরে অবস্থানরত হোসেন আলী (৩৫) নামে এক মুসল্লিসহ ৫-৬ জন মুসল্লি মসজিদে প্রবেশ করে দুই জনকে আটক করে বাইরে নিয়ে আসেন। মসজিদের বারান্দার সিঁড়িতে প্রথম দফায় তাদের মারধর করা হয়। পরে হাফিজুল ইসলাম মেম্বার এসে তাদেরকে নিয়ে যায়। এরপর কী হয়েছে আমি জানি না।

পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মোহন্ত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ওই যুবকের পরিচয় জানাতে পারেননি তিনি।

লালমনিরহাট পুলিশ সুপার (এসপি) আবিদা সুলতানা বলেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাব পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে না যাওয়ার আগে কোনও মন্তব্য করতে পারছি না। তবে আপনি যা শুনেছেন, আমরাও তা শুনেছি।

জেলা প্রশাসক আবু জাফর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সেখান সার্বিক পরিস্থিতি এখনই বলার মতো নয়। শুনেছি ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন জায়গায় অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। একজনকে মেরে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এসব সার্বিক বিষয়ে সরজমিনে জানার জন্য ও পরিস্থিতি বোঝার জন্য ঘটনাস্থলের পথে রয়েছি।

ট্যাগ:

রংপুর
ঝালকাঠিতে করোনায় আক্রান্ত ১৪৫, মৃত্যু ৬

banglanewspaper

ঝালকাঠিতে নতুন করে আরো ২০ জন নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে রাজাপুর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাহাজাবিন, নলছিটি হাসপাতালের ডা. জাবেদ ইকবাল ও সদর হাসপাতালের ডেন্টাল টেকনিশিয়ান জ্যোতিষ সিকদার রয়েছেন।

জেলা ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন আবুয়াল হাসান জানান, এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১৪৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১১ এপ্রিল ঝালকাঠি জেলা সদর উপজেলায় একই পরিবারের তিনজন করোনা ভাইরাসে প্রথম শনাক্ত হন। এরপর থেকেই জেলা জুড়ে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত সংখ্য বেড়েই চলছে।

চিকিৎসক, শিক্ষক, পুলিশ, রাজনৈতিক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়।

জেলা প্রশাসক স্বাস্থ্যবিধি পালন করে চলাচলে অব্যহতভাবে সচেতনতা ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।

ট্যাগ:

রংপুর
দিনাজপুরের সুন্দরা সীমান্তে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

banglanewspaper

দিনাজপুরের দক্ষিণ কোতোয়ালীর সুন্দরা সীমান্ত এলাকার থেকে আজ সোমবার একব্যক্তি'র মরদেহ উদ্ধার করেছে বিজিবি। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি'র নাম মো.আনোয়ারুল ইসলাম। 

তিনি সদর উপজেলার ৯ নং আস্করপুর ইউপির স্বরস্বস্তিপুর গ্রামের মৃত আতিয়ার রহমানের একমাত্র ছেলে। মৃত আনোয়ারুলের স্ত্রী  ও ৬ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। 

স্থানীয় আস্করপুর ইউপির চেয়ারম্যান মো. জিয়াউর রহমান জিয়া এ প্রতিবেদক শাহ আলম শাহী'কে জানিয়েছেন, সোমবার সকালে এলাকায় লোকজন মাছ ধরতে গিয়ে আনোয়ারুলের মরদেহ সুন্দরা সীমান্তের ৩১৮/৪ এস পিলারের কাছে দেখতে পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ- বিজিবি'কে খবর দেয়। লাশের শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মোজাফফর হোসেন জানান, বিজিবি মরদেহটি সকাল ১০টায় উদ্ধার করে খবর দেয়। মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।  

তিনি আরও জানান, লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। সম্ভবত কেউ তাকে হত্যা করে লাশ সীমান্তে ফেলে রেখেছে। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

ট্যাগ: