banglanewspaper

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে চলতি বছরের ১১ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত গোটা বিশ্বে অন্তত ১১ কোটি ৬০ রাখ শিশু জন্ম নেবে বলে এক জরিপে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশুকল্যাণ সংস্থা ইউনিসেফ। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২ কোটি ১০ লাখ শিশুর জন্ম নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারতে। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গেল মার্চ মাসে করোনা ভাইরাসকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করেছিল। আগামী ১০ মে আন্তর্জাতিক মাতৃদিবস। ঠিক তার আগ মুহূর্তে গত বুধবার ইউনিসেফ এমন তথ্য প্রকাশ করলো। 

সংস্থাটির করা জন্মহারে ভারতের পরেই যে দেশটিতে ওই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিশু জন্ম নেবে সে তালিকায় আছে চীনের নাম। চলতি বছরের ১১ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত চীনে ১ কোটি ৩৫ লাশ শিশু জন্মগ্রহণের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে ইউনিসেফ।

জন্মহারে ৬৪ লাখ শিশুর জন্ম নেয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়া। পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়া যথাক্রমে ৫০ লাখ ও ৪০ লাখ শিশুর জন্মগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে আছে চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে। 

উল্লিখিত ৫টি দেশে নবজাতকের মৃত্যুহারও তুলানামূলক বেশি। করোনা মহামারিতে এ বছর তা আরও বাড়তে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউনিসেফ। সংস্থাটির আশঙ্কা, করোনা সংক্রান্ত চলমান বিধিনিষেধের জেরে প্রসূতি ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ বিঘ্ন ঘটতে পারে।

এমনকি জন্মহারে ১১ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৩ লাখ শিশুর জন্ম নেয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউনিসেফ বলছে, অপেক্ষাকৃত ধনী ও উন্নত দেশগুলোতেও প্রসূতি ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবায় বিঘ্নতা দেখা দেয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

উল্লেখ্য, এশিয়া তথা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে শিক্ষার হার কম থাকার কারণে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সঠিক ধারণা না থাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধ করাও সম্ভব হচ্ছে না।

ট্যাগ: bdnewshour24