banglanewspaper

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডবে ৫ জেলায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ভোলায় রামদাসপুর চ্যানেল একটি ট্রলার ডুবে একজন ও চরফ্যাশনের শশীভূষণ এলাকায় গাছচাপা পড়ে ছিদ্দিক ফকির নামের এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। পটুয়াখালীতে শিশুসহ দুজন, সাতক্ষীরা ও পিরোজপুরেও নারীসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া যশোরে গাছ চাপা পড়ে মা ও মেয়ের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

ভোলায় রাজাপুর সুলতানীঘাটের কাছে এলে ট্রলারটি ডুবে যায়। ওই সময় স্রোতের টানে ভেসে যান রফিকুল ইসলাম। পরে তার লাশ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।

এদিকে চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চর কচ্ছুপিয়া এলাকার রেণ্ডিগাছ ভেঙে মাথায় পড়ে ৭০ বছরের বৃদ্ধ সিদ্দিক ফকির মারাত্মক জখম হন। বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে শিশুসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন- কলাপাড়া উপজেলার লোন্দা এলাকার সিপিপির দলনেতা শাহ আলম মীর (৫০) ও গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি এলাকার ৫ বছরের শিশু রাশেদ।

মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নির্মাণাধীন একটি ভবনের ওয়াল ভেঙে শাহজাহান মোল্লা (৬০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে তিনি ওই ওয়ালের পাশে আশ্রয় নিয়েছিলেন।

সাতক্ষীরা শহরের কামাননগর এলাকায় ঝড়ের মধ্যে আম কুড়াতে গিয়ে গাছের ডাল ভেঙে করিমন বিবি (৪০) নামের এক নারী মারা গেছেন।

এছাড়া যশোরের চৌগাছা উপজেলার চানপুর গ্রামে বুধবার রাতে ঝড়ের তাণ্ডবে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও মেয়ের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে তাদের মৃত্যুর খবর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো নিশ্চিত করেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙে পড়া গাছের নিচে চাপা পড়ে মা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- ওই গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর স্ত্রী খ্যান্ত বেগম(৪৫) ও তার মেয়ে রাবেয়া (১৩)।

ট্যাগ: bdnewshour24