banglanewspaper

সরকার ঘোষিত লকডাউন শেষে চালু হচ্ছে (বাস, নৌযান ও ট্রেন) গণপরিবহন। তবে কয়েক শর্তে খুলে দেওয়া হচ্ছে গণপরিবহন। শর্তগুলো মেনে পরিবহন মালিকরা গণপরিবহন চালাতে রাজি হয়েছেন। তারাও দিয়েছেন পাল্টা প্রস্তাব। প্রস্তাবনার মধ্যে রয়েছে ভাড়া বাড়ানোর দাবি। 

এ দিকে ঘোষণা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে রবিবার থেকে লঞ্চ চলাচল শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লঞ্চ মালিকরা। তবে লঞ্চ ভাড়া এখনই বাড়ছে না। ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য একটি টেকনিক্যাল কমিটি করা হবে। কমিটি পর্যালোচনা করে ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। দশদিন পর আবার এ বিষয়ে বৈঠক হবে বলে জানা গেছে।

বিআইডব্লিউটিএর হেড অফিসে বৃহস্পতিবার বিকালে লঞ্চমালিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক।

বৈঠকে নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমডোর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম বলেন, লঞ্চের সার্ভে সনদ অনুযায়ী যাত্রী বহন করতে হবে। তখন লঞ্চ মালিকরা বলেন, সার্ভে সনদে যাত্রীর সংখ্যা ঠিক নেই। তার উত্তরেনৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, একজন যাত্রী কতটুকু জায়গা পাবেন সেটা আইনে বলা আছে। সার্ভে সনদে যে যাত্রীর সংখ্যা বলা আছে তা ঠিক আছে।

এদিকে স্বাস্থ্যবিধি পালন এবং ভাড়া বৃদ্ধি করা নিয়ে বিআইডব্লিউটিএর সঙ্গে অনুষ্ঠিত লঞ্চ মালিকদের এ বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে এক লঞ্চমালিক অভিযোগ করেন, বন্দরের কিছু কর্মকর্তা নেয়, সেটা এখন আরও বেড়েছে। এ সময় কিছু লঞ্চমালিক এ বক্তব্যের সমর্থন করেন, আবার কিছু লঞ্চমালিক এর বিরোধিতাও করেন।

ট্যাগ: bdnewshour24