banglanewspaper

গত ১৬ জুনের ঘটনা। লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় মূল ভূখণ্ডে চীনের আচমকা আগ্রাসন স্তম্ভিত করছিল ১৩৩ কোটি ভারতবাসীকে। ভারত উত্তরটা দিল ১৫ দিনের মাথায়। অনেকটা সার্জিকাল স্ট্রাইকের ধাঁচেই হল ডিজিটাল স্ট্রাইক। রাতারাতি ৫৯টি বন্ধ চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে দিল ভারত। হাজার হাজার কোটির ব্যবসা একদিনে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কপালে ভাঁজ চীনা প্রশাসনের। যদিও এই কারণের হাজার হাজার কর্মী বেকার হয়েছে ভারতে।

"এ দিনের চীনের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিয়াং অ্যাপ নিষিদ্ধকরণের বিষয়ে মুখ খোলেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, চীন গোটা বিষয়টিতে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, "আমরা সমস্ত চীনা সংস্থাকেই আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন মেনে চলার পরামর্শ দিই। ভারত সরকারের পূর্ণ অধিকার আছে যে কোনও বিদেশি সংস্থাকে আইনবিরুদ্ধ কাজ করতে বাধা দেওয়ার।"

বিপদে পড়েছে টিকটক, ক্যাম স্ক্যানার, শেয়ার-ইটের মতো বহু সংস্থা। সোমবারের ঘোষণার পরেই টিকটক এ দিন সরকারি স্তরে যোগাযোগ করে জানায়,ভারতের আইন মেনেই তারা কাজ করবেন। ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা এবং সার্বভৌমত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সোমবার তাৎপর্যপূর্ণ এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার সময়ে কেন্দ্র স্পষ্ট জানিয়েছে ৬৯ (ক) ধারায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও তথ্যের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, "এই পদক্ষেপ ভারতীয় মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষিত করবে। দেশের সাইবার স্পেসকে সার্বভৌম রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"

ট্যাগ: bdnewshour24