banglanewspaper

গেল মে মাসের মাঝামাঝি করোনা ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স উদঘাটনের কথা জানিয়ে সাড়া ফেলেছিলেন বাংলাদেশি চিকিৎসক বাবা-মেয়ে। যে জিনোম সিকোয়েন্স করোনা ভাইরাসের গতিপ্রকৃতি নির্ণয় করতে পারবে এবং দেশের মানুষের জন্য এই সফল উদঘাটন করোনার প্রতিষেধক তৈরির সম্ভাবনাকে সহায়তা করবে বলে মনে করা হচ্ছিল।    
ডা. সেঁজুতি সাহার নেতৃত্বে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (সিএইচআরএফ) ৮ সদস্যের একটি গবেষক দল জিনোম সিকোয়েন্সের ম্যাপিংয়ের কাজ করে। চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. সমীর কুমার সাহা ও তার মেয়ে ঢাকা শিশু হাসপাতালের চাইল্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশনের গবেষক ডা. সেঁজুতি সাহা যৌথভাবে তাদের এই উদঘাটনের কথা জানিয়েছিলেন গণমাধ্যমকে। 

এবার বাংলাদেশের সেই অণুজীব বিজ্ঞানী ডা. সেঁজুতি সাহা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিওএইচও/হু) পোলিও ট্রানজিশন ইনডিপেনডেন্ট মনিটরিং বোর্ডে (টিআইএমবি) সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের শিশুবিষয়ক বেসরকারি গবেষণা সংস্থা চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনে (সিএইচআরএফ) কর্মরত আছেন।

গেল শুক্রবার চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (সিএইচআরএফ) ওয়েবসাইটে দেয়া এক বিবৃতিতে ডা. সেঁজুতির বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রথমবারের মতো একজন বাংলাদেশি হিসেবে ডা. সেঁজুতি সাহা পোলিও ট্রানজিশন ইনডিপেনডেন্ট মনিটরিং বোর্ডে (টিআইএমবি) সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন। ডা. সেঁজুতি বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে পোলিও সংক্রমণ প্রক্রিয়াটির অগ্রগতির বিষয়ে পরামর্শ দেবেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় নিয়োগের বিষয়ে সেঁজুতি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেছেন- পোলিও ট্রানজিশন ইনডিপেনডেন্ট মনিটরিং বোর্ডে (টিআইএমবি) সদস্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় সম্মানিত বোধ করছি। আমার দেশ এবং আমাদের মতো অন্যান্য নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর সমস্যা তুলে ধরার যথাসাধ্য চেষ্টা করবো।

চলতি বছর টিআইএমবি’তে মোট তিনজনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ডা. সেঁজুতি সাহা ছাড়াও অপর দুজন হলেন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ বিভাগের অধ্যাপক শেইলা লেথারম্যান ও নাইজেরিয়ার চিকিৎসক ডা. লোলা ডেয়ার।

ট্যাগ: bdnewshour24