banglanewspaper

যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়ায় মুখোমুখি হতে যাচ্ছে মিশর ও তুরস্ক। তুরস্কের সামরিক বাহিনী ইতোমধ্যেই লিবিয়াতে অবস্থান করছে। দেশটির আন্তর্জাতিক সমর্থিত জাতীয় সরকারের পক্ষে লড়াই করছে। ব্রিদোহীদের হাতে থাকা লিবিয়ার সিত্রে শহর এবং যুফরা বিমানঘাঁটি ত্রিপোলি ভিত্তিক সরকারের কাছে হস্তান্তর শর্ত দিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে কোনঠাসা হয়েছে লিবিয়ার বিদ্রোহী নেতা জেনারেল খলিফা হাফতারের অনুগত বাহিনী। ফলে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত সরকার লিবিয়াতে সামরিক হস্তক্ষেপ করার জন্য মিশরকে অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে মিশর দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ করলে  লিবিয়ায় ভয়াবহ সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পূর্বাঞ্চলীয় তবরুক শহরভিত্তিক লিবিয়ার বিদ্রোহীদের সংসদ এক বিবৃতিতে বলেছে, লিবিয়া এবং মিশরের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ করার অধিকার মিশরের সামরিক বাহিনীর রয়েছে। যদি দু'দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয় তাহলে মিশর সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে।

২০১৪ সাল থেকে লিবিয়ার আন্তর্জাতিক সমাজ স্বীকৃত সরকার এবং বিদ্রোহীদের মধ্যে প্রচণ্ড রকমের সংঘর্ষ চলছে। বিদ্রোহীদেরকে সমর্থন দিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও মিশর। অন্যদিকে, ত্রিপোলিভিত্তিক জাতীয় সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে তুরস্ক। তুর্কি সমর্থন নিয়ে লিবিয়ার সামরিক বাহিনী এরইমধ্যে বিদ্রোহীদেরকে বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপকভাবে পিছু হটিয়ে দিয়েছে।

গত মাসে মিশরের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আবদুল ফাত্তাহ আস-সিসি বলেছেন, লিবিয়ার সিত্রে শহর এবং যুফরা বিমানঘাঁটি হচ্ছে মিশরের জন্য রেড লাইন। সিত্রে শহর এবং যুফরা বিমানঘাঁটির পতনের আশঙ্কা দেখা দিলে তা ঠেকানোর জন্য মিশরের সামরিক বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন জেনারেল সিসি। সিসির এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে লিবিয়ার বিদ্রোহীরা।

ট্যাগ: bdnewshour24