banglanewspaper

চট্টগ্রাম বন্দরের তিন নম্বর শেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলমকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে এই কমিটি তদন্ত কাজ শুরু করবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৪ টা ১৫ মিনিটে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাত আটটার সময়ও বন্দরের শেডের আগুন পুরোপুরি নির্বাপণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

বিষয়টি জানান চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম।

তিনি জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে পুরোপুরি নেভানোর কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। আমরা এখনো সবাই ঘটনাস্থলে আছি। এ ঘটনায় কর্তৃপক্ষ পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্তের পর জানা যাবে আগুনের কারণ। এছাড়া ৩ নম্বর শেডে অনেকদিন ধরে কিছু কেমিক্যাল রাখা হয়েছিলো। যেগুলোর খালাস না হওয়ায় শেডে পড়ে ছিল।

বন্দর ফায়ার সার্ভিসের তথ্য মতে জানা যায়, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আগ্রাবাদ, বন্দর ও সিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের ৯ টি গাড়ি, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তিনটি ফায়ার সার্ভিসের গাড়িসহ চারটি কমন ভিহিক্যাল আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। এছাড়া  একটি অ্যাম্বুলেন্সও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। আগুনের সময় শেডের কাছে থাকা দুইটি জাহাজের কোন ক্ষতি হয়নি।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, ৩ নম্বর শেডে কেমিক্যাল, কাপড়ের রোলসহ বিভিন্ন ধরনের দাহ্য পণ্য ছিল। যার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে সময় লাগে। এসময় প্রাথমিকভাবে দুইজন আঘাত প্রাপ্ত হয়। ৩ নম্বর শেডে থাকা কেমিক্যাল গুলোর কোন মালিকানা না থাকায় পড়েছিল। এক্ষেত্রে কেমিক্যালগুলো নিলামের মাধ্যমে খালাস প্রক্রিয়া করার কথা।

ট্যাগ: bdnewshour24