banglanewspaper

তিনি বহিরাগত। স্টার কিড না হয়েও বলিউডে পা রাখতে, কোনও অসুবিধে হয়নি তার। তবে বলি বাজারে নেপোটিজম রয়েছে, সে কথা অস্বীকার করেন না। তিনি সাহসী, তিনি লাস্যময়ী। ঊর্বশী রাওতেলার লাস্যই, হয়তো কোথাও তার বাধার কারণ। সম্প্রতি ওয়েবে মক্তি পেয়েছে তার ছবি ‘ভার্জিন ভাণুপ্রিয়া’।

ছবিতে চরিত্র গ্ল্যামারাস না হলেও, বাস্তব জীবনে তিনি একজন সেক্স আইকন। এই প্রসঙ্গে ঊর্বশী বলেন, একজন শিল্পীর এমনটাই হওয়া উচিত, তাই না? ব্যক্তি আমি বা সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম-এ আমার ভাবমূর্তি এক রকম হতে পারে। কিন্তু তার সঙ্গে আমি পর্দায় কেমন চরিত্র করব, তার কোনও যোগ নেই। বরং নিজের থেকে ভিন্ন কিছু করতে পারলে বেশি ভাল লাগে। 

‘ভার্জিন ভাণুপ্রিয়া’ নামটা শুনলেই বোঝা যায়, ছবির বিষয় অত্যন্ত সাহসী। সেই প্রসঙ্গ টেনে ভারজিনিটি নিয়ে সাহসী ঊর্বশী বলেন, এই ছবিতে আমরা বলতে চেয়েছি যে, পরিস্থিতির সঙ্গেও ‘ভার্জিনিটি’-র একটা যোগ রয়েছে। সমাজ বা কারও চাপে পড়ে কোনও ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। এই বার্তাই দেওয়া হয়েছে ছবিতে। তবে আমাদের দেশে এই নিয়ে অনেক দ্বিচারিতা আছে।

ঊর্বশী আরও বলেন, ভারতবর্ষে অনেক বিভেদ রয়েছে। কামসূত্রর সূচনা আমাদের দেশেই হয়েছিল। এখানকার পুরনো মন্দিরের মূর্তিগুলোতেও সেই ছাপ রয়েছে। মহাভারতেও বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করার নিদর্শন রয়েছে। মহাভারতের আদি পর্ব অনুযায়ী, যদি একজন নারী বিয়ের আগে শারীরিক সুখ পেতে চান, তাতে কোনও দোষ নেই। কিন্তু আমরা এসব জেনেও অস্বীকার করি।

এমন সাহসী চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে অকপট ঊর্বশী বলেন, এই ছবি নারীর শারীরিক চাহিদার কথা বলে। নারীকে সমাজ দেবীর আসনে তুলে দেয়। শুধু পুরুষের চাহিদাই থাকতে পারে। নারীর থাকলে দোষ? আমি এমনটা মনে করি না। তাই এই চরিত্র করব, কি করব না, তা নিয়ে কোনও দ্বিধা ছিল না। অভিনেতা হিসেবে সাহসী হওয়া প্রয়োজন। না হলে সমাজের একরোখামি গুলো পাল্টাবে কী করে? 

ট্যাগ: bdnewshour24