banglanewspaper

২০১৯-র নভেম্বরে সুশান্ত সিং রাজপুতের দুটি ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙে টাকা তোলা হয়। সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে এই ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙে কেন টাকা তুলে নেন রিয়া? উঠছে প্রশ্ন।

সুশান্ত সিং রাজপুতের বাবা কৃষ্ণকুমার সিংয়ের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে ইডি দপ্তরে ইতিমধ্যেই বার তিনেক হাজিরা দিতে হয়েছে রিয়া চক্রবর্তী, তার ভাই সৌহিক চক্রবর্তী এবং তাদের বাবাকে। জেরার জন্য ডাকা হয়েছিল প্রাক্তন ম্যানেজার শ্রুতি মোদীকেও। রিয়ার উত্তরে সন্তুষ্ট না হওয়ায় মঙ্গলবারই চক্রবর্তী পরিবারের মোবাইল, ল্যাপটপ-সহ যাবতীয় গ্যাজেটস বাজেয়াপ্ত করে নেওয়া হয়। 

এরপর বুধবারই ইডির দপ্তর থেকে প্রকাশ্য আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য! জানানো হয়, গতবছর নভেম্বর মাসেই নাকি রিয়া চক্রবর্তী সুশান্তের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে দু’টি ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙে। যে আর্থিক পরিমাণ নেহাত কম নয়! প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট ছিল সেটি। সূত্রের খবর অন্তত এমনটাই দাবি করছে।
 
নভেম্বরের ২৬ তারিখ কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাংক থেকে যথাক্রমে একবার ২ কোটি টাকা এবং পরের বার আড়াই কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙা হয়। এত পরিমাণ টাকা নিয়ে কেন তোলা হয়েছিল? কোথায় বিনিয়োগ করা হয়েছে? সেই সম্পর্কিত যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর রিয়া দিতে পারেননি ইডিকে। 

এদিকে শ্রুতি মোদিকে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি একেবারে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই সম্পর্কে কোনও তথ্যই তার কাছে ছিল না! মঙ্গলবার ইডির দপ্তরে সুশান্তের দিদি মিতু সিংকেও এই বিষয়ে জেরা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, সুশান্তের বাবা কিন্তু রিয়া এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে আর্থিক জালিয়াতি অভিযোগ তুলে আগেই পাটনার রাজীবন নগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার রেশ ধরেই ইডির তরফে মামলা দায়ের হয় রিয়ার বিরুদ্ধে।

রিয়ার ফোন বাজেয়াপ্ত করার পরই ইডি কর্তারা লক্ষ্য করেন সুশান্তের কোম্পানি Vividrage Rhealityx Pvt. Ltd. in- এর নাম প্রকাশ্যে আসার পরই মুছে ফেলা হয় হোয়্যাটসঅ্যাপ চ্যাটের বেশ কিছু অংশ। ওই সংস্থার আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাক করে দেখা গিয়েছে নভি মুম্বাইয়ে এক বছরের মধ্যে ১৭ বার জায়গা বদল করা হয়েছে। যাবতীয় তথ্যই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

ট্যাগ: bdnewshour24