banglanewspaper

প্রতিরক্ষা সহযোগিতার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং মালদ্বীপের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। চীন-ভারতের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই কৌশলগত এ চুক্তি হলো। ভারত মহাসাগরে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে একমত হয়েছে দেশ দু’টি। 

ওই অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি বাড়ছে। এর মধ্যেই মালদ্বীপের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা অবকাঠামো চুক্তি স্বাক্ষর করল যুক্তরাষ্ট্র। এতে চীনের জন্য নতুন মাথা ব্যথার সৃষ্টি হলো। কারণ, চীন দীর্ঘদিন ধরেই মালদ্বীপকে করায়ত্ত করার চেষ্টা করে আসছে। এ চুক্তির ফলে তার আকাঙ্ক্ষা অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়বে বলেই মনে হচ্ছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এক ঘোষণায় জানিয়েছে, কৌশলগত ভারত মহাসাগরে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহযোগিতার বিষয়ে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি মোকাবিলায় ওই অঞ্চলে শক্তিশালী জোট গঠন করতে চাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন।

প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা সম্পর্কের অবকাঠামো চুক্তিটি গত ১০ সেপ্টেম্বর ফিলাডেলফিয়ায় স্বাক্ষর হয়েছে। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা বিষয়ক দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি রেড ওয়ার্নার এবং মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মারিয়া দিদি।

পেন্টাগন বিবৃতিতে আরও জানিয়েছে, ভারত মহাসাগরে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহযোগিতা ও কঠোর অঙ্গীকার থেকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্যই দু’দেশের মধ্যে ওই অবকাঠামো চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

মালদ্বীপের সংবাদমাধ্যম সান অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই চুক্তি স্বাক্ষরের পর এ বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মারিয়া দিদি বলেছেন, দু’দেশের মধ্যে এই অবকাঠামো চুক্তি প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

তিনি বলেন, এই অবকাঠামো চুক্তিকে মালদ্বীপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছে মালদ্বীপ।

দ্বিপক্ষীয় সংলাপ ও অঙ্গীকারের প্রতি জোর দিয়ে মারিয়া দিদি বলেন, দস্যুতা, সহিংসতা, সহিংস উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ, অবৈধ বাণিজ্যসহ ক্রমাগত আন্তঃদেশীয় হুমকির প্রেক্ষাপটে এই চুক্তি করা হয়েছে। তিনি বলছেন, এই চুক্তি প্রাসঙ্গিক, এমনকি করোনা মহামারি পরিস্থিতিতেও।

ট্যাগ: bdnewshour24