banglanewspaper

দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘এয়ার ট্রান্সপোর্ট এগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষর হচ্ছে আজ। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচলের বিষয়ে একটি স্থায়ী দলিল তৈরি হবে। এ চুক্তির পরও কত দিনের মধ্যে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ফ্লাইট চালু হবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। এ তথ্য জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনেন্দ্র নাথ সরকার।

তিনি জানান, ১৯৯৪ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি উড়োজাহাজ যেত। সে ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অস্থায়ী অনুমতিপত্রের ভিত্তিতে এই উড়োজাহাজ চলত। ২০০৬ সালে সরাসরি উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে পরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘এয়ার ট্রান্সপোর্ট এগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০১৩ সালে। ২০১৫ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরে মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেয়। এরপর আরও ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার পর আজ এটি স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করতে আসবেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার।

অতিরিক্ত সচিব জনেন্দ্র নাথ সরকার জানান, এই চুক্তির অর্থ এই নয় যে চুক্তির পরদিন থেকেই বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি উড়োজাহাজ চলাচল শুরু হবে। এর জন্য সময় লাগবে। বিশেষ করে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক এভিয়েশন অ্যাসোসিয়েশনের শর্ত অনুযায়ী ক্যাটাগরি-১ উন্নীত হওয়ার বিষয়টি এখানে আছে। তবে এই চুক্তি ক্যাটাগরি-১-এ উন্নীত হওয়ার ক্ষেত্রেও একটি অগ্রগতি বলা যেতে পারে। কারণ, এই প্রথম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উড়োজাহাজ চলাচলে স্থায়ী দলিল তৈরি হচ্ছে এই চুক্তির মাধ্যমে।

ট্যাগ: bdnewshour24