banglanewspaper

ফর্মে থাকা রুবেলের বিধ্বংসী বলে শুরুতেই বিপদে পড়ে তামিমরা। ১৭ রানে হারায় ৪ উইকেট। তখনই অনেকে ম্যাচের অনাকাঙ্খিত ভবিষ্যৎ দেখছিলেন। তবে এমন সংকটে চাপ সহ্য করেও হাল ধরলেন দুই তরুণ ইয়াসির আলী রাব্বি ও মাহিদুল ইসলাম অংকন।

চাপের মুখে খেই না হারিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে উইকেটে পড়ে থাকলে লম্বা ইনিংস খেলা সম্ভব, সেই বোধ ও উপলব্ধি ছিল দুজনেরই। তাই কেউই স্ট্রোক প্লেতে চার-ছক্কার ফুলঝুরি ছোটাতে চাননি, বরং ধৈর্য্য আর মনোসংযোগ দিয়ে লম্বা সময় উইকেটে থাকার চেষ্টা করলেন। সফলও হলেন। আর তাতেই ১১১ রানের বড় জুটি গড়ে উঠলো।

তবে ইমরুল কায়েস ইয়াসির রাব্বির ক্যাচ ফেলে না দিলে হয়তো এই জুটি এত বড় হতো না। শেষ পর্যন্ত ৬২ করা রাব্বি ২৫ রানে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন পেসার ইবাদত হোসেনের বলে। কিন্তু ডিপ মিডউইকেটে খানিক ছুটে আসা ইমরুল সেই ক্যাচ ধরেও ফেলে দেন। জীবন পেয়ে আর ভুল করেননি রাব্বি। রানআউট হওয়ার আগে ৮১ বলে করেন ৬২ রান।

এবারের প্রেসিডেন্টস কাপে আজই প্রথম সুযোগ পেয়েছেন এ তরুণ। আর প্রথম সুযোগেই দলকে ধ্বংসস্তুপের মধ্য থেকে টেনে তোলার কাজটি করে দেখিয়েছেন ইয়াসির রাব্বি। রানআউটে কাটা পরেন তিনি। 

রাব্বির মত না হলেও সঙ্গী অংকনও খেলেছেন ৫২ রানের (১১০ বলে) দায়িত্বপূর্ণ ইনিংস। পঞ্চাশের কম স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করা অংকন অফস্পিনার মেহেদি মিরাজের ওপর চড়াও হয়ে দুটি বিশাল ছক্কাও হাঁকান।

স্লথ গতিতে হলেও রাব্বি আর অংকনের সাজিয়ে দেয়া ইনিংসের ওপর ভর করে তামিম বাহিনীকে এগিয়ে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন আর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। সাইফউদ্দীনের ব্যাট থেকে বেরিয়ে এসেছে ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংস (২৯ বলে)। সৈকতও কম যাননি। ৪৪ বলে ৪০ রানের দারুণ ইনিংস খেলেছেন। সবমিলিয়ে ৫০ ওভার শেষে তামিম একাদশের রান গিয়ে ঠেকেছে ২২১ ‘এ।

তবে সবাইকে ছাপিয়ে প্রথম সেশনের সেরা পারফরমার রুবেল হোসেন। ৬ ওভারের প্রথম স্পেলে তিন উইকেটের পতন ঘটানো এ পেসারের নামের পাশে জমা পড়েছে ৩৪ রানে ৪ উইকেট।

ট্যাগ: bdnewshour24