banglanewspaper

করোনার পর গত শুক্রবার খুলেছে সিনেমা হল। প্রথম সপ্তাহেই মুক্তি পেয়েছে হিরো আলমের ছবি ‘সাহসী হিরো আলম’। ৩৯ হল পেলেও দর্শকশূন্য সিনেমা হল। দর্শকদের মোটেও হলমুখী করতে পারেনি ছবিটি। 

সিনেমাটি নিয়ে হতাশ হল মালিকরা। তারা বলছেন, ছবিটি দেখতে দর্শক আসছেন না হলে। উল্টো হিরো আলম তার প্রথম ছবি নিয়ে বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন। প্রথম ছবিতেই সফল বলে দাবি হিরো আলমের।  তবে কিছু সমালোচনাকারীর প্রতি মেজাজ খারাপ তার। 

হিরো আলম বলেন, ‘কিছু সমালোচনাকারী বলে বেড়াচ্ছেন, আমার ছবি নাকি চলছে না। কিন্তু আমি তো নিজে অনেক হলে গিয়ে দর্শকের উপস্থিতি দেখতে পাচ্ছি। কিছু হলে দর্শকের উপস্থিতি একেবারেই কম দেখেছি। তার মানে এই নয় যে হলে একেবারেই দর্শক নেই। আরে ভাই, একেবারেই যদি দর্শকশূন্য থাকত, তাহলে তো এত দিন চলত না আমার সিনেমা। বিশ্বাস করেন ভাই, এই সমালোচনাকারীদের জন্য মেজাজটা খুব খারাপ।’

আলমের অভিযোগ, শুরু থেকেই তাকে নিয়ে সমালোচনা করে যাচ্ছেন কিছু মানুষ। তিনি বলেন, ‘কেউ কেউ আমার ভালো সহ্য করতে পারে না। আমি সাহস করে সিনেমা বানালাম, আমাকে উৎসাহ না দিয়ে উসকানি দেয়। আমার পেছনে লাগে। কিন্তু আমি পাত্তা দেই  না। কারণ, সাধারণ মানুষ আমাকে ভালোবাসেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, ‘গুটিকয়েক মানুষ আছে, যারা আমার জায়গায় আসতে পারেনি, তারা। আবার কিছু মিডিয়ার লোকজনও আমাকে দেখতে পারে না। সিনেমার কিছু মানুষ উসকানি দিয়ে আমার পেছনে লাগিয়ে দিয়েছে তাদের। এই উসকানিদাতারা কিছু করেও না, কাউকে কিছু করতেও দেবে না।’

আলমের দাবি, কারও কারও মনে হিংসা, হিরো আলমের মতো মানুষ সিনেমা বানিয়ে ফেলল, আবার মুক্তিও দিলো! তিনি বলেন, ‘সিনেমার শুটিংয়ের সময় কেউ কেউ বলেছিলেন, আমার ছবি নাকি মুক্তিই পাবে না। পেলেও দর্শক আসবেন না। আমি তাদের বলছি, আমার ছবি না চললে তো শনিবারই হল থেকে নেমে যেত।’

হিরো আলম মনে করেন, অনেক লড়াই করে আজকের অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি। যত বাধাই আসুক, সিনেমায় জায়গা করে নিতে লড়াই করবেন তিনি। বাধা পেয়ে বসে থাকবেন না।

এদিকে মুক্তির প্রথম দিন থেকেই বিভিন্ন হলে ঘুরছেন হিরো আলম। সিনেমার চেয়ে বাস্তবের হিরো আলমকে নিয়েই মানুষের আগ্রহ বেশি দেখা গেছে হলের আঙিনায়। হিরো আলমকে ঘিরে মানুষের ভিড়ের অনেক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। 

ট্যাগ: bdnewshour24