banglanewspaper

সিন্ডিকেটের কারসাজিতে আগুন লেগেছে দেশের ভোগ্যপণ্যের বাজারে। তদারকির অভাবে সিন্ডিকেট সদস্যরা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। আর ভোক্তার পকেট কাটছে দেদারসে। হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কেটি টাকা। সরকারের পক্ষ থেকে এসব চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। যদিও তারা বারবার ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে।

পেঁয়াজে দামে আগুন লাগার পর চক্রটি চাল, আলু ও ভোজ্যতেল নিয়েও কারসাজি শুরু করেছে। হু-হু করে বেড়েছে দাম। তবে এ তিন পণ্যের দাম কমাতে সরকার মূল্য নির্ধারণ করে দিলেও তা বাজারে কার্যকর হয়নি। ব্যবসায়ীরা এখনো বেশি দামেই বিক্রি করছেন পণ্যগুলো। ফলে দামের উত্তাপে নাকাল ভোক্তা।

এর মধ্যেই আলুর বাজার স্থিতিশীল করতে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সরকার। কোনো মজুদদারের কাছে দ্বিগুণ আলু মজুদ থাকলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এজন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হিমাগারে রাখা আলুর মজুদের তথ্য চেয়ে মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছে প্রতিযোগিতা কমিশন। চিঠি পাওয়ার দুইদিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলায় কী পরিমাণ আলু মজুদ আছে, সেই তথ্য দিতে বলা হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে মিল পর্যায়ে চালের দর নির্ধারণ করলেও ১ মাস ধরে বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) ২৫০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে কারসাজি রোধে দু’দফায় আলুর দাম নির্ধারণ করার পরও সংশ্লিষ্টরা কার্যকর করতে পারেননি। খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি আলুর দাম সরকার ৩৫ টাকা নির্ধারণ করলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ টাকা।

সপ্তাহজুড়ে প্রতি কেজি আলু কিনতে ভোক্তাকে ১৫ টাকা বেশি গুনতে হয়েছে। এছাড়া ২২ অক্টোবর বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বৈঠকের পর মিল পর্যায়ে সরকার ভোজ্যতেলের দাম বেঁধে দিলেও তা কার্যকর হয়নি। এতে পাইকারি বাজারে দাম কমার প্রভাব না পড়ায়, খুচরা বাজারে খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার ১০০ টাকায় ঠেকেছে।

দেশে করোনা পরিস্থিতি শুরুর প্রথম থেকেই মিলাররা কারসাজি করে সব ধরনের চালের দাম বাড়াতে থাকে। মাঝে কিছুটা কমলেও ২ মাস আগে আবারও বাড়তে থাকে দাম। তবে মিলারদের কারসাজি রোধে এবং দাম নিয়ন্ত্রণ করতে ২৯ সেপ্টেম্বর চালকল মালিক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের বৈঠক করেন।

সেখানে সবচেয়ে ভালো মানের ৫০ কেজির এক বস্তা মিনিকেট চালের দাম (মিলগেট) ২ হাজার ৫৭৫ টাকা এবং মাঝারি মানের মধ্যে বিআর-২৮ চালের দাম ২ হাজার ২৫০ টাকা নির্ধারণ করেন। কিন্তু মাস খানেক ধরে এ বেঁধে দেয়া দাম মিল পর্যায় থেকে মানা হচ্ছে না।

বুধবার খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিলগেটে প্রতি বস্তা মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৭৫০ টাকা, যা এক মাস আগে বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৫০০ টাকা। সেক্ষেত্রে দেখা যায়, মিলগেটে প্রতি বস্তা মিনিকেট চাল মাসের ব্যবধানে সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আর সরকারের বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ টাকা বেশি দরে। এছাড়া মিল পর্যায়ে প্রতি বস্তা বিআর-২৮ জাতের চাল বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৩৫০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা, যা ১ মাস আগে বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ১৫০ টাকা। মাসের ব্যবধানে মিল পর্যায়ে প্রতি বস্তা চাল ২৫০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর সরকারের বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে ১৫০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও অসাধুদের কারসাজিতে হঠাৎ করেই অস্থির হয় আলুর বাজার। এ সময় খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলু সর্বোচ্চ ৬০ টাকায় বিক্রি হয়। দাম নিয়ন্ত্রণে প্রথম দফায় ৭ সেপ্টেম্বর হিমাগার, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে আলুর দাম বেঁধে দেয় সরকার।

যদিও তা কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। পরে হিমাগার মালিক ও ব্যসায়ীদের চাহিদা অনুযায়ী কেজিতে ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার দাম পুনর্নির্ধারণ করে দেয় কৃষি বিপণন অধিদফতর। সেক্ষেত্রে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি আলু ৩৫ টাকা, কোল্ডস্টোরেজ বা হিমাগার পর্যায়ে প্রতি কেজি আলু ২৭ টাকা এবং পাইকারিতে ৩০ টাকা কেজি বেঁধে দেয়া হয়।

কিন্তু বুধবার খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা। পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ৩৫-৪০ টাকা। আর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হিমাগার পর্যায়ে আলু বিক্রি হয়েছে ৩৩-৩৬ টাকা।

অন্যদিকে সরকার মিল পর্যায়ে খোলা সয়াবিনের দাম ৯০ টাকা ও পাম অয়েলের দাম ৮০ টাকা নির্ধারণ করলেও তা কার্যকর হয়নি। মিল মালিকরা জানান, দাম কমবে লিটারে নাকি কেজিতে, তা নিয়ে একটি দোটানায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ সমস্যা সমাধান হলে বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমতে শুরু করবে।

বুধবার মিলগেটে প্রতি লিটার সয়াবিন ৯২-৯৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর পাম অয়েল বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৮৩ টাকা। এদিন রাজধানীর একাধিক খুচরা বাজারে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা, যা ১ মাস আগেও ছিল ৯০ টাকা। প্রতি লিটার পাম অয়েল বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকা। ১ মাস আগে ছিল ৮০-৮৫ টাকা। ২ মাস আগে এ দু’ধরনের তেলের খুচরা মূল্য আরও ৫-৬ টাকা কম ছিল।

ট্যাগ: bdnewshour24

অর্থ-বাণিজ্য
জুলাইয়ে এলো রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স

banglanewspaper

চলতি অর্থবছরের (২০২২-২৩) প্রথম মাসে অর্থাৎ সদ্য সমাপ্ত জুলাইয়ে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। মাসটিতে দেশে আসা প্রবাসী আয় ২০৯ কোটি ৬৯ লাখ ১০ হাজার (২.০৯ বিলিয়ন) ডলার। বর্তমান বিনিময় মূল্য এক ডলার সমান ৯৪ দশমিক ৭০ টাকা ধরে বাংলাদেশি অর্থে যা দাঁড়ায় ১৯ হাজার ৭৯২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এই অঙ্ক গত ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

সোমবার (১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিট্যান্স সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরের একই মাসের চেয়ে চলতি বছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ১১ শতাংশ। গত অর্থবছরের জুলাইয়ে এসেছিল ১৮৭ কোটি ডলার।

এ ছাড়া গত অর্থবছরের (২০২১-২২) শেষ মাস অর্থাৎ জুনে প্রবাসী আয় এসেছে ১৮৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার। সুতরাং এক মাস ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে যায়। গত বছরে ২ হাজার ১০৩ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। অথচ ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরে প্রবাসী আয় কমে গেছে ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাসেই রেমিট্যান্স প্রবাহ ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিচ্ছে।

জুলাই মাসে রেমিট্যান্স বাড়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়াতে বিভিন্ন প্রক্রিয়া সহজ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। রেমিট্যান্সের প্রণোদনা বাড়াচ্ছে সরকার। দেশে এখন ডলারের রেটও বেশি পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি বলেন, তাছাড়া জুলাইয়ে ঈদুল আজহা উদযাপন করতে পরিবারের জন্য অর্থ পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এতে রেমিট্যান্স বেড়েছে।

রেমিট্যান্স বৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গণমাধ্যমকর্মী প্রবেশে কড়াকড়ি

banglanewspaper

বিভিন্ন অর্থনীতিক কর্মকাণ্ডের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে বেশ আলোচিত কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গণমাধ্যমকর্মী প্রবেশে বিধিনিষেধ চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক। যার কারণে ক্ষুব্ধ অর্থনীতি বিষয়ক সংবাদকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) এমন নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

একই ঘটনা ঘটেছিল ২০১৬ সালে। তখন ফজলে কবির নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর গভর্নর ভবনের তৃতীয় তলায় গণমাধ্যমকর্মী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেন। কিছুদিন পরে সেই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে সাংবাদ সম্মেলন করেন গভর্নর ফজলে কবির।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে দুপুর ২টার আগে গণমাধ্যমকর্মীরা গভর্নর ভবনে প্রবেশ করতে পারবেন না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি স্বীকার করলেও তবে কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তের ক্ষুব্ধ হয়েছে সংবাদকর্মীরা। তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সব ধরনের কর্মসূচি বয়কটের কথা ভাবছেন।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
সংকট মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার বিক্রি

banglanewspaper

দেশে ডলার সংকট কাটাতে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। দিনে দিনে ডলার সংকটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এর দাম। মঙ্গলবার এর রেকর্ড ছুঁয়েছে। খোলাবাজারে ডলার বিক্রি হয়েছে ১১০ থেকে ১১১ টাকা দরে। তবে ব্যাংকগুলোতে এর দাম ৯৪ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ৯৫ টাকার মধ্যে রাখার চেষ্টা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এই যখন অবস্থা ঠিক তখনই ডলার মার্কেট স্বাভাবিক রাখতে এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর কাছে মোট ৫০ দশমিক ৪০ মিলিয়ন অর্থাৎ পাঁচ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) এসব ডলার ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা দরে বিক্রি করা হয়েছে আন্তঃ ব্যাংক চ্যানেলে। এতে কিছুটা কমেছে খোলাবাজারের দাম। বৃহস্পতিবার খোলাবাজারে ১০৮ থেকে ১০৯ টাকায় বিক্রি হয়।

এদিকে, এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ৯৪ টাকায় ডলার সরবরাহ করবে আর আপনি (খোলাবাজার এবং কিছু ব্যাংক) ১০৫-১১০ টাকায় বিক্রি করবেন- এটাতো হতে পারে না। এখানে শৃঙ্খলা আনা দরকার, শৃঙ্খলার জায়গাটা শক্ত নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এর পরপরেই মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলারের কারসাজি ঠেকাতে একাধিক সিদ্ধান্ত নেয় এবং তা কার্যকরে তৎপর হয়। গোয়েন্দা সংস্থা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বয়ে একাধিক টিমে ভাগ হয়ে কাজ শুরু করে।

বিষয়টি স্বীকার করে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাজারে ডলারের দামে অস্থিরতা ঠেকাতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোনো এক্সচেঞ্জ হাউজ কারসাজি করে ডলারের দাম বাড়ালে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। এছাড়া অনেক এক্সচেঞ্জ হাউজ লাইসেন্স ছাড়াই ডলারের ব্যবসা করছে। এসব অবৈধ এক্সেচেঞ্জের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কারসাজি করে ডলারের দাম বাড়িয়ে যেসব এক্সচেঞ্জ হাউজ ও ব্যাংক মুনাফা করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত টিম মাঠে আছে। কোনো ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পেলে লাইসেন্স বাতিলও করা হতে পারে সাফ জানিয়ে দেন।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
স্বর্ণের দাম অনেক বাড়ল

banglanewspaper

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বেড়েছে। এক লাফে প্রায় তিন হাজার টাকা দাম বেড়েছে। তেজাবী স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়। শুধু তাই নয় সব ধরনের স্বর্ণের দামই বেড়েছে। তবে রুপার দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) থেকে এ নতুন মূল্য কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এর আগে ২৭ জুলাই স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল।

এর আগে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি বৈঠক করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এরপর কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

নতুন মূল্য তালিকায় সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে দুই হাজার ৭৪১ টাকা বেড়েছে। এতে ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮১ হাজার ২৯৮ টাকা গিয়ে দাঁড়াবে।

সবচেয়ে নিম্নমানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বেড়েছে এক হাজার ৯২৫ টাকা থেকে দুই হাজার ৭৪১ টাকা পর্যন্ত।

নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৫৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৭ হাজার ৫৬৬ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯২৫ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬৬ হাজার ৪৮৫ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে দুই হাজার ৪৫০ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ১৭১ টাকা করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ জুলাই স্বর্ণের দাম এক হাজার ২৮৪ টাকা থেকে এক হাজার ৩৪১ টাকা বাড়ানো হয়েছে। সে সময় অপরিবর্তিত রাখা হয় সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম।

তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমার কারণে গত ১৭ জুলাই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল। ভালো স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমানো হয়।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
ব্যাংকগুলোকে গাড়ি কিনতে নিষেধাজ্ঞা

banglanewspaper

বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যয় কমাতে ব্যাংকের সব ধরনের যানবাহন কেনায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার (২৭ জুলাই) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানায়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২২ সালের বাকি ছয় মাস এবং ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত ব্যয় স্থগিত বা কমানোর লক্ষ্যে নতুন বা প্রতিস্থাপন হিসেবে সব ধরনের যানবাহন কেনা বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র জরুরি ও অপরিহার্য ক্ষেত্র বিবেচনায় আপ্যায়ন, ভ্রমণ, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি, আসবাবপত্র ও অন্যান্য মনিহারি খাতে বরাদ্দ করা অর্থের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ব্যয় করা যাবে। সাশ্রয় করা অর্থ অন্য কোনো খাতে বরাদ্দ বা ব্যয় করা যাবে না।

এ ছাড়া ব্যয় কমা‌নোর তথ্য ও দলিলাদি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংরক্ষণ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক পরিদর্শনকালে নিরীক্ষার নিমিত্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শকদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সরবরাহ করতে হবে।বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যয় কমাতে ব্যাংকের সব ধরনের যানবাহন কেনায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার (২৭ জুলাই) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানায়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২২ সালের বাকি ছয় মাস এবং ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত ব্যয় স্থগিত বা কমানোর লক্ষ্যে নতুন বা প্রতিস্থাপন হিসেবে সব ধরনের যানবাহন কেনা বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র জরুরি ও অপরিহার্য ক্ষেত্র বিবেচনায় আপ্যায়ন, ভ্রমণ, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি, আসবাবপত্র ও অন্যান্য মনিহারি খাতে বরাদ্দ করা অর্থের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ব্যয় করা যাবে। সাশ্রয় করা অর্থ অন্য কোনো খাতে বরাদ্দ বা ব্যয় করা যাবে না।

এ ছাড়া ব্যয় কমা‌নোর তথ্য ও দলিলাদি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংরক্ষণ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক পরিদর্শনকালে নিরীক্ষার নিমিত্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শকদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সরবরাহ করতে হবে।

ট্যাগ: