banglanewspaper

বিদেশে অর্থপাচার ও ডিজিটাল জালিয়াতির মাধ্যমে পণ্য খালাসের অভিযোগের মামলায় বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ না করে আবারও জামিন আবেদন করায় পাঁচ আসামিকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আসামিরা হলেন- ফরিদপুরের মোফাজ্জেল হোসেন মোল্লা, মো. রাহাত হোসেন, আলাউদ্দিন মোল্লা ও রমজান আলী এবং পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মো. সুমন। তারা সবাই বর্তমানে চট্টগ্রাম বসবাস করেন।

সোমবার (১৬ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ তাদের পুলিশের হাতে তুলে দিতে আদালতের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

আদালতে আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ফয়সল হাসান আরিফ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর এই পাঁচজনসহ নয়জনকে আসামি করে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন ঢাকার কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের দুই সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা।

রুটি মেকার ও ধূমপান সংক্রান্ত মেশিন আমদানির ঘোষণা দিয়ে এক কোটি ৩২ লাখ সিগারেট আমদানি এবং ডিজিটাল জালিয়াতির মাধ্যমে কর ফাঁকি দিয়ে পণ্য খালাস করার অভিযোগ আনা হয় মামলায়।

মামলায় বলা হয়, এর মাধ্যমে দুই কোটি ৪৭ লাখ ৫১ হাজার ২৪২ টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাচার করা হয়েছে। কাস্টম বিভাগ থেকে ডিজিটাল জালিয়াতির মাধ্যমে রাজস্ব পরিশোধ দেখিয়ে পণ্য খালাস করে নেয়া হয়েছে। মামলায় ৩৭ লাখ ৯৪ হাজার ২৮৩ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হয়েছে।

এ মামলায় ২০১৯ সালে এই পাঁচ আসামি হাইকোর্টে আগাম জামিন আবেদন করেন। ওই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর তাদের চার সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেন দেন। হাইকোর্টের এই আদেশ অনুযায়ী আসামিরা নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ না করে আবার হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন।

এ অবস্থায় হাইকোর্ট জামিন না দিয়ে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দিতে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করতে পুলিশকে নির্দেশ দেন। এরপর শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে তাদের তুলে দেয়া হয়।

ট্যাগ: bdnewshour24