banglanewspaper

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কথা ভাবছে না সরকার। তবে এই পরিস্থিতিতে বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে সরকার গুরুত্বারোপ করছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে শিশুদের সঙ্গে তাদের অভিভাবকদেরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হয়ে। সেক্ষেত্রে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। যদিও শিশুদের কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম, তবে তারা নিরব বাহক হতে পারে।’

গতকাল মঙ্গলবার রাতে শিক্ষামন্ত্রীর হেয়ার রোডের সরকারি বাসভবনে জাতিসংঘ প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। বুধবার (১৮ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ডা. দীপু মনি বলেন, ‘সমস্ত প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও করোনার কারণে এবছরের এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। সামনে যারা এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা দিবে, তাদের প্রাতিষ্ঠানিক ক্লাস না হওয়ায় সিলেবাস সমাপ্ত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এছাড়া কারগরি শিক্ষার ক্ষেত্রেও ব্যবহারিক ক্লাসসমূহ অনলাইনে নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে মানসম্মত শিক্ষা অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় কিছু শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া অনেক শিক্ষার্থী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেকে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম বৃদ্ধি পেতে পারে। শুধু তাই নয়, শিশুরা সাইকলজিক্যাল সমস্যায় ভুগছে।’

জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো'র নেতৃত্বে ইউনিসেফ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ টোমো হোযুমি বক্তব্য দেন। সভায় মিয়া সেপ্পো করোনাকালীন সময়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম ও অনলাইন ক্লাস চালু করায় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

মতবিনিময় সভায় কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) এ কে এম আফতাব হোসেন প্রামাণিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ: bdnewshour24