banglanewspaper

‘তেরা জাদু চল গ্যায়া’ ছবিতে ক্যারিয়ার শুরু করে বাজিমাত করেছিলেন কীর্তি রেড্ডি জাদু। তবে বলিউডে জার্নিটা লম্বা হয়নি নায়িকার। কিছুদিন পরই চলে যান ক্যামেরার আড়ালে। 

১৯৯৬ সালে অভিনয় জীবনে পা রাখেন ভরতনাট্যমে প্রশিক্ষণ নেয়া কীর্তি। তার প্রথম ছবি ছিল তেলেগু ভাষায় ‘গানশট’। এর বছর চারেক পর তামিল ও তেলেগু ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। সুযোগ আসে বলিউডেও।

২০০০ সালে হাঁকডাক দিয়ে মুক্তি পাওয়া ‘তেরা জাদু চল গ্যায়া’ ছবিতে অভিষেক বচ্চনের বিপরীতে অভিনয় করেন কীর্তি। তবে ছবিটি বক্স অফিসে হিট হয়নি। ২০০১ সালে সুনীল শেট্টি, অর্জুন রামপাল ও আফতাব শিবদাসানির সঙ্গে অভিনয় করেন ‘প্যায়ার ইশক অউর মহব্বত’ ছবিতে। তৃতীয় ছবিতে কাজ করেন অনিল কাপুর ও শিল্পা শেট্টিদের সঙ্গে। এরপর আরও বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেন কীর্তি।

২০০৪ সালে কীর্তি বিয়ে করেন তেলেগু অভিনেতা সুমন্তকে। সুমন্তর মা ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেতা ও প্রযোজক আক্কিনেনি নাগেশ্বর রাওয়ের কন্যা। সুমন্তর বাবা সুরেন্দ্র ইয়ারলাগাড্ডাও ছিলেন প্রযোজক। সুমন্তর জন্মের আগে থেকেই তার বাবা-মা আমেরিকায় থাকেন। সুমন্ত ভারতে দাদির কাছে বড় হন। ফলে মা-বাবার আদর-স্নেহ থেকে অনেকটাই বঞ্চিত হন তিনি। 

কীর্তির সঙ্গে সুমন্তের দাম্পত্য জীবন স্থায়ী হয়নি। বিয়ের এক বছর পরই ২০০৬ সালে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়। তবে বিচ্ছেদের পরও দুজন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে। ডিভোর্স নিয়ে কীর্তি নিজেও সবসময় নীরব ছিলেন। 

কীর্তির সঙ্গে ডিভোর্স হওয়ার পর সুমন্ত দ্বিতীয় কাউকে বিয়ে করেননি। আর কীর্তি দ্বিতীয় বিয়ে করলেও তার স্বামী সেভাবে কখনও গণমাধ্যমের শিরোনাম হননি। কীর্তির দ্বিতীয় স্বামী আমেরিকাপ্রবাসী চিকিৎসক বলে জানা যায়। 

কীতির সাবেক স্বামী সুমন্ত জানিয়েছেন, কীর্তি এখন দুই সন্তানের জননী। ব্যাঙ্গালুরুতে সংসার সামলাতে ব্যস্ত। মাঝেমাঝে কথা হয় তার সঙ্গে। 

২০১৯ সালে ডিজাইনার শিল্পা রেড্ডিকে বিয়ে করেন কীর্তির ভাই প্রীতম। শিল্পা আক্কিনেনি পরিবারের ঘনিষ্টজন। সেই সূত্রে তাদের বিয়েতে এসেছিলেন সুমন্তও। সেখানেই সুমন্তর সঙ্গে ক্যামেরাবন্দি হন কীর্তি। 

এরপরই গুঞ্জন উঠে, ঘরে স্বামী রেখেও সাবেক স্বামীকে সময় দিচ্ছেন এই অভিনেত্রী। সুমন্তর সঙ্গে আরও গভীর কোনও সম্পর্কে নায়িকা জড়িত আছেন কিনা- সেটা নিয়েও কানাঘুষা চলছে।

ট্যাগ: bdnewshour24