banglanewspaper

করোনা ভাইরানের উৎপত্তিস্থল চীনে এবার নরোভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিচুয়ান প্রদেশে অর্ধশতাধিক শিশু রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিচুয়ানের জিগং শহরের একটি কিন্ডারগার্টেনে প্রথম রোগটি দেখা দেয়। সেখানকার শিক্ষার্থীরা বমি করতে থাকে। 

ভাইরাসটি করোনার মতোই মারাত্মক ছোঁয়াচে বা সংক্রামক। অধিকাংশ সময় বাচ্চারা একে আক্রান্ত হয়। তাতে বমি এবং ডায়রিয়া দেখা দেয়।
অন্য বয়সের মানুষেরাও আক্রান্ত হতে পারে বলে চীনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে সতর্ক করা হয়েছে।
করোনার মতোই নরোভাইরাসেরও কোনা ভ্যাকসিন নেই। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি চীনা প্রশাসন প্রথম টেট্রাভ্যালেন্ট ভ্যাকেসিনের ট্রায়াল শুরু করে। এই ভ্যাকসিন ৮০-৯০ শতাংশ কার্যকর বলে দাবি করেছে শিংহুয়া সংবাদ সংস্থা, তবে এখনো বাজারে আসেনি। 

চীনের এক স্বাস্থ্য কর্মকতার বরাত দিয়ে টাইমস বলছে, ‘মহামারী সংক্রান্ত পরীক্ষা এবং নিউক্লিক এসিড টেস্টে শিশুদের বমির কারণ হিসেবে নরোভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। সব শিশুর অবস্থা স্থিতিশীল। হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

গত মাসেও এই ভাইরাস চীনের বিভিন্ন স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে হানা দেয়। বিশ্বব্যাপী ভাইরাসটি এখন পর্যন্ত ৬৮৫ মিলিয়ন মানুষকে আক্রান্ত করেছে।

উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। এর মধ্যে গত ৫ নভেম্বর মৃত্যুর সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়িয়েছে। একদিনে সর্বোচ্চ ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর আসে ৩০ জুন।

ট্যাগ: bdnewshour24