banglanewspaper

রবিবার সিডনিসহ অস্ট্রেলিয়ার বহু এলাকায় নভেম্বর মাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। শনিবার সিডনির তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করে। নিউ সাউথ ওয়েলস, সাউথ অস্ট্রেলিয়া ও ভিক্টোরিয়ার কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ছিলো ৪৫ ডিগ্রির বেশি। ফলে তীব্র দাবদাহে দাবানলের শঙ্কা থাকায় অনেক স্থানে আগুন জ্বালানো ও ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ।

রবিবারও সিডনির তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো। অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া ব্যুরো তাদের পূর্বাভাসে নিউ সাউথ ওয়েলসের উত্তর ও কুইন্সল্যান্ডের দক্ষিণপূর্বের কিছু অংশে পাঁচ বা ছয়দিনের দাবদাহ দেখা যেতে পারে বলে জানিয়েছে।  

সিডনি থেকে পাওয়া বেশকিছু ছবিতে গরমের দুর্বিষহ অবস্থা থেকে বাঁচতে অসংখ্য মানুষকে সমুদ্র সৈকতে ভিড় করতে দেখা গেছে। তার মধ্যেও করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সামাজিক দূরত্বের নির্দেশনা মেনে চলতে জনসাধারণকে অনুরোধ করেছে নিউ সাউথ ওয়েলসের স্বাস্থ্য বিভাগ।

এই পরিস্থিতিতে দাবানলের জন্য বাড়তি সতর্ক রয়েছে দেশটির প্রশাসন। এ রকম শুষ্ক ও গরম আবহাওয়ায় জঙ্গলের বিস্তীর্ণ এলাকা পুড়ে বিপুল সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বন-জঙ্গলে যাতে কোনও ভাবে আগুন লাগানো না-হয়, তার জন্য মানুষকে আগে থেকেই সতর্ক করে রাখছে প্রশাসন। 

গরমে সুস্থ থাকতে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলতে বলা হচ্ছে। নিজেদের পাশাপাশি গবাদি পশুদেরও আলাদা করে যত্ন নেওয়ার কথা বলছে স্থানীয় প্রশাসন।

আবহাওয়াবিজ্ঞানীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রীষ্মে অস্ট্রেলিয়ার কিছু এলাকায় তাপপ্রবাহ নতুন কিছু নয়। কিন্তু গ্রীষ্মকাল শুরুর সঙ্গে সঙ্গে এই ধরনের সতর্কতা চিন্তা বাড়াচ্ছে পরিবেশবিদদের। 

গত বছরও প্রবল গরমে পুড়ে গিয়েছিল লাখ লাখ একরের বেশি জমি। মৃত্যু হয়েছিল ৩৩ জনের। সেই সঙ্গেই মারা গিয়েছিল প্রায় ১০০ কোটি গবাদি পশু। প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন গত গ্রীষ্মকে তাই ‘ব্ল্যাক সামার’ আখ্যা দিয়েছিলেন। 

ট্যাগ: bdnewshour24