banglanewspaper

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক কেবল দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার। তিনি বলেন, আমি মনে করি বাইডেন প্রশাসনের অধীনেও বড় কোনও পরিবর্তন ছাড়াই বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্ক দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হবে। আমি এই মুহূর্তে কোনও বড় পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি না।

ইউএনবিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

নতুন প্রশাসনের নীতিগুলো কী তা দেখতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মিলার বলেন, মন্ত্রিপরিষদের পদগুলোতে যারা যাবেন তাদের অনেকেই তার সুপরিচিত। তাদের অনেকেরই ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দিকে প্রকৃত মনোযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো অবশ্যই লাভবান হতে পারে কারণ এখানে অপার সম্ভাবনা রয়েছে এবং বিনিয়োগকারীরা এজন্য বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর দিকে নজর রাখবেন। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে তারা নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বাইডেন প্রশাসনের অধীনেও এটি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, এই বছরটি সবার জন্য অপার সম্ভাবনা এবং সুযোগের কারণ বাংলাদেশ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপন করছে এবং স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন করবে অসাধারণ এই দেশটি।

রাষ্ট্রদূত মিলার জানান, গত পাঁচ দশক ধরে বাংলাদেশের অসাধারণ যাত্রার প্রশংসা করার সর্বোত্তম উপায় নিয়ে ভাবছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আমাদের বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত মিলার তরুণদের সাথে সম্পৃক্ত থাকার উপর জোর দেন। বলেন- বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের মতো এতো কর্মচাঞ্চল্য এবং ভবিষ্যতের জন্য উৎসাহ তিনি কখনও কোনও দেশে দেখেননি। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্পাসের সুপারস্টার বলে আখ্যায়িত করেন মিলার।

জেনেভা ও জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ এবং রোহিঙ্গাদের সমর্থন করার ক্ষেত্রে অন্যান্য দেশগুলোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আরও সোচ্চার দেখতে চায় উল্লেখ করে মিলার বলেন, চাপটা মিয়ানমারের উপর থাকতে হবে। এই বিশাল বোঝা বাংলাদেশ বহন করবে এটি ন্যায়সঙ্গত নয়।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রশংসা করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা বাংলাদেশের আরও শক্তিশালী অংশীদার এবং সমর্থক হিসেবে সহায়তা (রোহিঙ্গা সঙ্কট মোকাবিলায়) অব্যাহত রাখব।

ট্যাগ: bdnewshour24