banglanewspaper

ভারতের টিকা উৎপাদন ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী আগামী ৬ মাসের মধ্যে সব টিকা পাওয়া যাবে। এর বাইরে প্রয়োজন হলে সরকার আরও টিকা কিনবে।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটুর লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

তিনি বলেন, ‘দেশের ৬৪ জেলা ও ৪৮৩ উপজেলার ইপিআই স্টোরে করোনা ভাইরাসের টিকা সংরক্ষণ করা হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেশের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ বা ৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষ ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা পাবে। বিতরণ কার্যক্রমের প্রথম পর্যায়ে দেশের ১ কোটি ৫০ লাখ মানুষ দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ২ ডোজ টিকা পাবে।’

এ বিষয়ে শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘সরকার শুরু থেকেই উদ্যোগ নিয়েছিল। ইতোমধ্যে সরকার ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার যৌথ উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ টিকার কোটি বা ততোধিক ডোজ কেনার ব্যবস্থা সম্পন্ন করেছে।’

ক্রয়কৃত এসব টিকা জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহেই দেশে পৌঁছুবে বলেও জানান সরকারপ্রধান। 

তিনি বলেন, ‘চুক্তি অনুযায়ী কোটি বা ততোধিক ডোজ টিকা মোট ৬ ধাপে সরাসরি বাংলাদেশের ৬ জেলায় নির্ধারিত ইপিআই কোল্ডস্টোরসমূহে পৌঁছানোর দায়িত্ব পালন করবে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিডেট।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত সরকারের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ২০ লাখ ডোজ টিকা ও ক্রয়কৃত ৫০ লাখ ডোজ টিকা সংরক্ষণ ও বিতরণের প্রস্তুতি চলছে। চুক্তিমাফিক আগামী ৬ মাসের মধ্যে সব টিকা পাওয়া যাবে। প্রয়োজন হলে আরও টিকা কিনবে সরকার।’

এদিকে আজ বিকেলে সাড়ে ৩টায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে এক ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে করোনার ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। 

ট্যাগ: bdnewshour24