banglanewspaper

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মূল কাঠামো না ভেঙে কিছু সংযোজনসহ নতুন ভাবে সংস্কার করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। রবিবার (৩১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গণপূর্ত অধিদফতরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। 

তবে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত নয়, চার সপ্তাহ পরে আরেকটি সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে। 

জানা যায়, টিএসসির সামনের ভবনসহ মূল কাঠামোর কোনও পরিবর্তন না করে কেবল সংস্কার করা হবে। আর টিএসসির বর্তমান সুইমিং পুলের জায়গায় ১০ তলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হবে।

এ বিষয়ে প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম সিকদার বলেন, গণপূর্তের সঙ্গে টিএসসি নিয়ে দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। টিএসসি না ভেঙে নকশা উপস্থাপন করেছে তারা। আর কিছুটা সংযোজন আছে। সুইমিং পুলের জায়গায় একটি ভবন নির্মাণ করা হবে। এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। চার সপ্তাহ পর আরেকটি সভা অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম সিকদারসহ স্থাপত্যবিষয়ক কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন। এছাড়া গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রকৌশলীসহ একটি টিম অংশ নেন।

সম্প্রতি টিএসসি চত্বর ভেঙে নতুনরূপে বহুতল ভবন দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা করার ঘোষণা দেয়া হলে শিক্ষকদের কেউ কেউ টিএসসির দৃষ্টিনন্দন ভবনটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৬০ এর দশকে গ্রিক স্থপতি কনস্ট্যান্টিন ডক্সিযাডেস বাংলাদেশের গ্রামীণ বসতির আদলে বর্তমান টিএসসির নকশা করেন। ১৯৬৪ সালে নির্মাণকাজ শেষ হয়। 

ট্যাগ: bdnewshour24