banglanewspaper

শীতে প্রকৃতির মতো শরীরেও শুষ্কতা, রুক্ষতা দেখা দেয়। বাতাসে বাড়ে ধুলোবাতির পরিমাণ। আর এই শীতের সময়টাতে ত্বক হয়ে উঠে প্রাণহীন, নির্জীব, খসখসে। 

মূলত শীতকালে শুষ্ক বাতাস ত্বকের আর্দ্রতা শুষে নেয়, ফলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। এছাড়াও বয়সের কারণে, পুষ্টির অভাবে বা বংশগত কারণেও ত্বকে শুষ্কতা ও রুক্ষতা দেখা দিতে পারে।

আজকাল বাজারে অনেক ধরনের প্রসাধনী পাওয়া যায়, যেগুলো ত্বকের শুষ্ক ও রুক্ষ ভাব দূরে রাখতে কাজ করে। আছে ময়েশ্চারাইজার ক্রিমও। তবে সবসময় এসব প্রসাধনীর ওপর আস্থা রাখা যায় না। তাতে ত্বকে বড় ধরনের ক্ষতির ঝুঁকি থাকে। 

তাহলে উপায়? উত্তরটা হলো- এমন ময়েশ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার করতে হবে যেগুলোতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই কিংবা সহজলভ্য। এ নিয়েই কিছু টিপস তুলে ধরা হলো এ প্রতিবেদনে:

১. শীতে অলিভ ওয়েল ব্যবহার করুন। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের জন্য ভালো।

২. ত্বকে নিয়মিত এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ ওয়েল লাগান। গোসলের আগে ত্বকে ভালো করে অলিভ ওয়েল লাগিয়ে ঘণ্টাখানেক পর গোসল করে হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। 

৩. ২ টেবিল চামচ অলিভ ওয়েলের সঙ্গে ৪ টেবিল চামচ লাল চিনি এবং ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। পরে হালকা ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন।

৪. দুধের সরে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের শুষ্কতা দূরে রেখে ত্বকের কোমলা ধরে রাখে। কয়েক ফোটা লেবুর রস, ১ চা চামচ দুধের সর মিশয়ে ত্বকে মেখে নিন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। এটা প্রতিদিন করুন। 

৫. মধুকে বলা হয় সবচেয়ে বেশি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার সমৃদ্ধ উপাদান। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল ও হামেক্ট্যান্ট ত্বক নরম ও কোমল রাখে। 

৬. শীতে ত্বকের যত্নে টক দই খুবই উপকারী। এতে থাকা ব্যাকটেরিয়া ত্বক মসৃণ রাখতে কার্যকরী। 

৭. ত্বকের সুরক্ষায় নারকেল তেল অনেক প্রাচীন পদ্ধতি। এতে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের শুষ্কভাব দূরে রেখে ত্বক রাখে কোমল। রাতে ঘুমোনোর আগে কুসুম গরম নারকেল তেল মেখে নিন।

ট্যাগ: bdnewshour24