banglanewspaper

আগামী ১৭ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে হলে উঠার আগে আবাসিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের টিকার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে কারও যদি স্বাস্থ্যগত কারণে টিকা না নেয়ার মতো অবস্থা থাকে, তাহলে তাদের ক্ষেত্রে ছাড় দেয়া হবে। 

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। 

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার আগে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের করোনার টিকাদান নিশ্চিত করা হবে। টিকা প্রদানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি-ক্লাস শুরু করা হবে। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে বিশ্বের অনেক দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। আমাদেরও গত ১৭ মাচ থেকে সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও দেশের সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় খলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী ২৪ মে থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি-ক্লাস কার্যক্রম শুরু করা হবে। এর আগে ১৭ মে থেকে সব আবাসিক হল খলে দেয়া হবে।

গত বছরের ১৭ মার্চ করোনার প্রাদুর্ভাব রুখতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কয়েক ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর পর সর্বশেষ ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। 

করোনার প্রাদুর্ভাব কমে আসায় চলতি বছরের শুরু থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়ার দাবি আসতে থাকে। এ নিয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে।

ট্যাগ: bdnewshour24