banglanewspaper

সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতা দখলের পর মিয়ানমারে গতকাল রবিবার ছিল জান্তাবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ ও প্রাণহানির দিন। গত ১ ফেব্রুয়ারির সেনা অভ্যুত্থানের পর দেশটি সবচেয়ে রক্তাক্ত দিন দেখেছে। এর পর আজ সোমবার আবারও দেশজুড়ে বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। খবর রয়টার্স, এএফপি।

গতকাল মিয়ানমারের বিভিন্ন শহর-নগরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে গুলি চালিয়েছে পুলিশ। এদিন তাদের সঙ্গে সড়কে নেমেছিলেন সেনাবাহিনীর সদস্যরাও। গতকাল শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অন্তত ১৮ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন অনেকে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষকসহ অনেককে। 

সকাল থেকেই পুলিশ ছিল মারমুখী। মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় শহর ইয়াঙ্গুনে বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রথমে স্টান গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়া হয়। এতেও বিক্ষোভকারীদের দমানো না গেলে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। 

এই শহরে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন শিক্ষকও রয়েছেন। সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের বিক্ষোভে পুলিশ গুলি চালালে তিনি নিহত হন। এ ছাড়া ইয়াঙ্গুনের একটি মেডিকেল স্কুলের সামনের বিক্ষোভেও পুলিশ স্টান গ্রেনেড ছুড়েছে।

হোয়াইটকোট অ্যালায়েন্স অব মেডিকস নামের একটি সংগঠন জানিয়েছে, চিকিৎসক, নার্সসহ কমপক্ষে ৫০ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে গতকাল গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিবিসি জানায়, ইয়াঙ্গুনে গতকাল কমপক্ষে চারজন নিহত হয়েছেন।

ট্যাগ: bdnewshour24