banglanewspaper

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন কারাবন্দি অবস্থায় লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (ওইসিডি) ১৩টি দেশের কূটনীতিকদের যৌথ বিবৃতি নিয়ে সমালোচনা করেছেন।

তিনি বলেছেন, এ নিয়ে কূটনীতিকদের হৈ চৈ করার কিছু নেই। আর বিদেশি কূটনীতিকরা বাংলাদেশে এসে মাতব্বরি করবেন কেন?

সোমবার (১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমন মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশ একটা তাজ্জবের দেশ। একজন মারা গেলে সে কি কারণে মারা গেছে আমরা জানি না। মারা গেলেই বিদেশিরাও এটা নিয়ে খুব উদ্বেগ প্রকাশ করেন। দেশের লোক করুক, এটা নিয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু বিদেশি লোকগুলো এ নিয়ে খুব উদ্বেগ প্রকাশ করেন, এটা একটা তাজ্জবের জায়গা। বিদেশি কূটনীতিকরা বাংলাদেশে এসে মাতব্বরি করবেন কেন?

গত শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে মুশতাক আহমেদের মৃত্যু নিয়ে অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টভুক্ত (ওইসিডি) ১৩টি দেশের বিদেশি কূটনীতিকরা যৌথ বিবৃতি দেন। এদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে,স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ডের কূটনীতিকরা স্বাক্ষর করেন। সেই বিবৃতিতে কূটনীতিকরা মুশতাকের মৃত্যুতে গভীর উদ্বেগ জানানোর পাশাপাশি তারা মৃত্যুর দ্রুত, স্বচ্ছ, স্বাধীন এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করার আহ্বান জানান।

কূটনীতিকদের সেই বিবৃতি প্রচার করায় গণমাধ্যমের সমালোচনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মোমেন বলেন, আপনারা মিডিয়াও এটাকে কাভারেজ দেন। আমার যদি বিদেশে উদ্বেগ প্রকাশ করি, কোনো বিদেশি মিডিয়া পাবলিসিটি দেবে না। এজন্য কেউ উদ্বেগও প্রকাশ করে না। এই যে সম্প্রতি বিদেশে রাষ্ট্রদূত মারা গেল এগুলো কোনো আমেরিকান মিডিয়া এনটারটেইন করবে না। এগুলো সব বর্জন করা উচিত।

কূটনীতিকদের বিবৃতিতে দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দূতাবাসগুলোতে কোনো বার্তা দেবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সরকারিভাবে কোনো মেসেজ দেব না।

ট্যাগ: bdnewshour24