banglanewspaper

সানজিদা ইয়াসমিন সাধনা নামে অফিসের এক নারী অফিস সহকর্মীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় জামালপুরের ওএসডি হওয়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের বেতন অর্ধেক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৪ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এফ এম হায়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এ সংক্রান্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিভাগী তদন্তে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ এর বিধি ৪(৩)(ক) অনুযাযী আহমেদ কবীরকে তিন বছরের জন্য নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমন করা হলো।

ফলে আগামী তিন বছর ওই কর্মকর্তা অর্ধেক বেতন পাবেন। আর সরকারি চাকরি জীবনের অবশিষ্ট সময়ে কখনও পদোন্নতি পাবেন না।

উপসচিব হিসেবে বর্তমানে পঞ্চম গ্রেডে বেতন পান একজন কর্মকর্তা। শাস্তি হওয়ায় আহমেদ কবীরের বেতন ধরা হবে ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলের ষষ্ঠ গ্রেডের সর্বনিম্ন ধাপে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, মূল বেতন প্রায় ৭০ হাজার টাকা থেকে কমে কবীর পাবেন ৩৫ হাজার টাকা। তবে অন্যান্য ভাতা ও সুবিধা বহাল থাকবে।

২০১৯ সালের ১৫ আগস্ট বিকেলে ‘খন্দকার সোহেল আহমেদ’ নামের একটি আইডি থেকে জামালপুরের ডিসি আহমেদ কবীরের সঙ্গে সাধনা নামে ওই নারীর আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস হলে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় ওই বছরের ২৬ আগস্ট ডিসি আহমেদ কবীরকে ওএসডি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ওই সময় লোকমুখে গুঞ্জন ওঠে, অফিসের ওই সুন্দরী নারী সহকর্মী সানজিদাকে সঙ্গ দেয়ার শর্তেই নিয়োগ দিয়েছিলেন আহমেদ কবীর। বিবাহিত হলেও স্বামীর সঙ্গে থাকতেন না ওই নারী। এই সুযোগ নিয়ে ওই নারীর সঙ্গে গোপন সম্পর্ক গড়ে তোলেন আহমেদ কবীর। ভিডিও ভাইরালের পর সব ঘটনা অস্বীকার করে এগুলোকে ‘বানোয়াট ও সাজানো নাটক’ বলে দাবি করেন তিনি। 

তখন ডিসির সঙ্গে সানজিদা ইয়াসমিন সাধনার বিয়েরও গুঞ্জন ওঠে। তবে সাধনাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত কিংবা প্রস্তাব দেয়া নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যেসব সংবাদ প্রকাশিত হয় সেগুলোকে ‘ভুয়া ও ভিত্তিহীন’ বলে ওইসময় দাবি করেছিল সাধনার পরিবার।

ট্যাগ: bdnewshour24