banglanewspaper

মেট্রোরেলের ট্রেন জাপানের কোবে বন্দর থেকে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের উদ্দেষে ছেড়ে এসেছে। এপ্রিলের শেষের দিকে এটি ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন সিদ্দিক বলেন,‘ট্রেনটি জাপানের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬ টায় বন্দর ছেড়ে এসেছে।’

জানা গেছে, ট্রেনটি ২০ ফেব্রুয়ারি কোবে বন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার এবং ২৩ এপ্রিল মংলা বন্দর হয়ে রাজধানীর দিয়াবাড়ির একটি ডিপোতে পৌঁছনোর কথা ছিল।

এমএএন সিদ্দিক আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় ২০ ফেব্রুয়ারি সেটি পাঠানো যায়নি বলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন ।

তিনি বলেন, ‘আমরা এখনও আশা করছি ট্রেনটি ২৩ এপ্রিলের মধ্যে ঢাকায় পৌঁছে যাবে। তবে এটাও নির্ভর করবে আবহাওয়ার ওপর।’

রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম মেট্রোরেল ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট লাইন-৬।

২০১৭ সালের আগস্টে মেট্রোরেলের জন্য ২৪ সেট ট্রেন তৈরির জন্য ডিএমটিসিএল একটি চুক্তি সই করে কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে। গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পাঁচ সেট ট্রেন তৈরি করা হয়েছে। মেট্রোরেলের দ্বিতীয় ট্রেনটি আগামী ১৬ জুন এবং তৃতীয় ট্রেনটি ১৩ আগস্ট ডিপোতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

ট্যাগ: bdnewshour24

জাতীয়
করোনা বাড়লে আবারও বন্ধ হয়ে যাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী

banglanewspaper

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লে আবারও সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাস কিন্তু এখনো শেষ হয়ে যায়নি। আমরা টিকা দেওয়া শুরু করেছি। এখন শিক্ষার্থীদেরও দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে করোনার নতুন আরেকটা ঢেউ আসছে। কাজেই যদি করোনা বিস্তার লাভ করে, তা হলে যে কোনো সময় আবার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে।’

বুধবার (১ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল এবং জয়িতা টাওয়ার নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে এ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে ‘বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল’ এবং ধানমণ্ডিতে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য নির্মিত হচ্ছে ‘জয়িতা টাওয়ার’।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আমি আরেকটা কথা বলবো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন করোনার জন্য বন্ধ ছিল। এখন সব স্কুল-কলেজগুলো খুলে গেছে। সবাইকে এখন পড়াশোনা করতে হবে। যার যার স্কুলে ফিরে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতের পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আজকের ছেলে-মেয়েদের নিজেদেরকে প্রস্তুত করতে হবে। রাস্তায় নেমে গাড়ি ভাঙা ছাত্রদের কাজ নয়, এটা কেউ করবেন না। দয়া করে যার যার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যান, লেখাপড়া করেন। যারা দোষী অবশ্যই তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ব্যাপারে অনেক সতর্ক। সঙ্গে সঙ্গেই অপরাধীদের খুঁজে বের করা হয়েছে। তাছাড়া সবকিছুর ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। যে কোনো সময় যে কোনো অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে তাদের ধরে ফেলা খুব একটা কঠিন কাজ নয়। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করেই সেটা করা হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে কেউ গাড়ি ভাংচুর এবং আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটালে, তাদের খুঁজে বের করা হবে, শাস্তি দেওয়া হবে। যে গাড়িতে আগুন দেওয়া হচ্ছে, সে গাড়িতে যদি কেউ মারা যায়? এ কথাও মাথায় রাখতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি বলবো কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। গাড়ি চালকদেরকেও আমি বলবো তাদেরকেও সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালাতে হবে।’

ট্যাগ:

জাতীয়
সীমান্ত হত্যা দুঃখজনক, এটা বন্ধ হতে হবে: দোরাইস্বামী

banglanewspaper

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশিদের মৃত্যুর ঘটনাকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। তিনি বলেছেন, সীমান্তে ভারতের দিকেই এটা হয়ে থাকে। এটা অবশ্যই বন্ধ হতে হবে।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ-ভারতের ৫০ বছরের অংশীদারত্ব: আগামী ৫০ বছরের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক ওই সেমিনার সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এবং রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম ফর ডেভেলপিং কান্ট্রিজের (রিস) যৌথভাবে আয়োজন করে।

মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) হিসেবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর এই নয় মাসে সীমান্তে বিএসএফ-এর হাতে মোট ১১ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ১০ জনকে। একজনকে নির্যাতনে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া গেল নভেম্বর মাসেই বিএসএফের গুলিতে চারজন বাংলাদেশি নিহত হন। ২ নভেম্বর সিলেট সীমান্তে দুজন এবং ১১ নভেম্বর লালমনিরহাট সীমান্তে দুজন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হন। নিহতরা সবাই নিরস্ত্র ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রগুলো গণমাধ্যমকে জানিয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গুরু আনতে গিয়ে গুলিতে প্রাণ হারান।

দোরাইস্বামীর দাবি, বাংলাদেশিরা আক্রমণ করার ফলে বিএসএফ গুলি চালায়। তিনি বলেন, অপরাধীরা সীমান্ত বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালায়।

সীমান্ত এলাকায় বর্ডার হাট, অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়ালে সীমান্তের সমস্যা কমানো যেতে পারে বলে মনে করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। এসময় সীমান্তে মানবপাচার হয় উল্লেখ করে এটি যৌথভাবে রোধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বক্তব্যে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর আরও সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের প্রধান সমস্যা হলো লজিস্টিক। বাণিজ্যের বেশিরভাগই হয়ে থাকে বেনাপোল ও পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে। তবে শুধু সড়ক পথেই নয়, নদী এবং রেলপথেও বাণিজ্য বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

সেমিনারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার ড. বীনা সিক্রি, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান, ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য প্রমুখ বক্তব্য দেন।

ট্যাগ:

জাতীয়
দেশে একবছরে ৭২৯ জনের এইডস শনাক্ত, ১৮৮ জনই রোহিঙ্গা

banglanewspaper

গত এক বছরে বাংলাদেশে আরও ৭২৯ জনের দেহে এইচআইভি ভাইরাস (এইডস) শনাক্ত হয়েছে। যাদের মধ্যে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থী আছেন ১৮৮ জন। তাদের নিয়ে দেশে এইচআইভি আক্রান্ত সম্ভাব্য রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার।

বুধবার রাজধানীর মহাখালীস্থ বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস্ অ্যান্ড সার্জনসে (বিসিপিএস) এইডস দিবসের আলোচনায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আলোচনা সভায় জানানো হয় গত এক বছরে ২০৫ জন এইডস আক্রান্ত ব্যক্তি মারা গেছেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ও টিবি-লেপ্রোসী ও এইডস/এসটিডি প্রোগ্রামের লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. খুরশীদ আলম।

প্রবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশে প্রথম এইচআইভি শনাক্ত হয় ১৯৮৯ সালে। বাংলাদেশে সাধারণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের হার ০.০১ শতাংশের নিচে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই সংক্রমণ কিছুটা বেশি।

প্রবন্ধে আরও বলা হয়, দেশে সম্ভাব্য এইচআইভি আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার জন। তবে ১৯৮৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মোট এইচআইভি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৭৬১ জন এবং মোট মারা গেছেন ১ হাজার ৫৮৮ জন। দেশে গত ১ বছরে মোট এইচআইভি টেস্ট হয়েছে ৬ লাখ ২৮ হাজার ৩১২ জনের। এছাড়া ব্লাড স্ক্রিনিং করা হয়েছে আরও ৬ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৭ জনের।

এতে বলা হয়, গত এক বছরে নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সাধারণ জনগোষ্ঠী ১৮৬ জন (২৬%), রোহিঙ্গা। ১৮৮ জন (২৬%), বিদেশফেরত প্রবাসী ও তাদের পরিবারের সদস্য ১৪৪ জন (২০%), ইনজেকশনের মাধ্যমে শিরায় মাদক গ্রহণকারী ৬১ জন (৮%), নারী যৌনকর্মী ১৭ জন (২%), সমকামী ৬৭ জন (৯%), পুরুষ যৌনকর্মী ৫৩ জন (৭%) ও ট্রান্সজেন্ডার ১৩ জন (২%)।

ডা. খুরশীদ আলম জানান, গত ১ বছরে আক্রান্ত ৭২৯ জনের মধ্যে চিকিৎসা সেবার (এন্টি রেট্রোভাইরাল থেরাপি) আওতায় এসেছেন ৬৪২ জন। এইচআইভি টেস্টিং এবং চিকিৎসা (অ্যান্টি রেট্রোভাইরাল ড্রাগ) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দিচ্ছে সরকার। দেশব্যাপী ১১টি সরকারি হাসপাতাল থেকে এইডস আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা (এআরভি) পাচ্ছেন।

এছাড়া দেশব্যাপী ২৮টি সরকারি হাসপাতালের এইচআইভি টেস্টিং সেন্টার থেকে বিনামূল্যে এইচআইভি টেস্ট করা হচ্ছে। এসব এইচআইভি টেস্টিং সেন্টারে যেকোনো ব্যক্তি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এইচআইভি টেস্ট করতে পারেন।

ডা. খুরশীদ আরও বলেন, দেশে সম্ভাব্য এইচআইভি আক্রান্ত ১৪ হাজার ব্যক্তির মধ্যে ৬৩ শতাংশ তাদের এইচআইভি স্ট্যাটাস জানেন। যারা তাদের এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জানেন তাদের মধ্যে ৭৭ শতাংশ চিকিৎসাসেবার (এআরটি) আওতায় আছেন। যারা চিকিৎসা (অ্যান্টি রেট্রোভাইরাল থেরাপি) নিচ্ছেন তাদের ৯৩ শতাংশের ভাইরাল লোড নিয়ন্ত্রণে আছে।

গত এক বছরে যেসব গর্ভবতী মা এআরটি নিচ্ছেন তাদের মধ্যে ইতিমধ্যে ৫৩ জন শিশু জন্ম দিয়েছেন বলে জানান এই কর্মকর্তা। তিনি জানান, এই ৫৩ জনের মধ্যে ৪৩ জন শিশু এইচআইভি নেগেটিভ। বাকি শিশুদের পরীক্ষা এখনো শেষ হয়নি।

এইচআইভি পজিটিভ গর্ভবতী মা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এআরটি গ্রহণ শুরু করলে তিনি এইচআইভি নেগেটিভ শিশুর জন্ম দিতে পারেন বলে জানান ডা. খুরশিদ।

টিবি-লেপ্রোসী ও এইডস/এসটিডি প্রোগ্রামের লাইন ডিরেক্টর আরও জানান, দেশে ইউনিসেফের সহায়তায় মায়ের থেকে শিশুর এইচআইভি সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যক্রম ১৩টি সরকারি হাসপাতালে চালু আছে। পিএমটিসিটি কার্যক্রমের আওতায় গত ১ বছরে এইচআইভি টেস্ট হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ২১৯ জনের। ১ বছরে ২১ জন গর্ভবতী নারী এইচআইভি পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। পুরাতন ও নতুন মিলিয়ে ১ বছরে ৭২ জন পিএমটিসিটি সেবা নিচ্ছেন। এআরটি নিচ্ছেন ৭২ জন গর্ভবতী নারী।

পুলিশ ও কারাগারে অচিরেই এইচআইভি টেস্টিং কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানানো হয় অনুষ্ঠানে। ভবিষ্যতে এইচআইভি টেস্টিং কার্যক্রম সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সকল সদর হাসপাতালে সম্প্রসারণ করা হবে। একইসঙ্গে বিদেশফেরত প্রবাসীদের এইচআইভি টেস্টিংয়ের আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক, মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব আলী নূর, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ বারদান জুং ব্রানা, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ:

জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

banglanewspaper

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারের চাহিদা ও যোগ্যতা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

তিনি বলেছেন, একজন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেও পাঠ্যক্রম নির্ধারণ ও পাঠদানের ক্ষেত্রে বিশ্বমানের কথা বিবেচনায় রাখতে হবে।

বুধবার দুপুরে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠান’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বঙ্গভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

এসময় শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা বাড়াতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে ‘রূপকল্প-২০৪১’ অভিযাত্রাকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজন যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সক্ষম দক্ষ ও মেধাবী জনশক্তি তৈরি করা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য আশা প্রকাশ করেন যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ যাত্রাপথে নেতৃত্বের ভূমিকায় থাকবে।

বিশ্বব্যাপী তথ্য প্রযুক্তির প্রসারের সফলতার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে তথ্য প্রযুক্তিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিশ্বব্যাপী সফলতার সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারে, সেভাবে তাদেরকে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, ‘কালের পরিক্রমায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে এর অবকাঠামো ও শিক্ষা কার্যক্রমের পরিধি। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে প্রতিযোগিতারও আন্তর্জাতিকীকরণ হয়েছে।’

চতুর্থ শিল্প বিপ্লব এগিয়ে চলছে। কয়েক বছর পরই পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের ঢেউ বইতে শুরু করবে। তাই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে, রাষ্ট্রপতি অনুধাবন করেন।

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পথিকৃতের ভূমিকা পালন করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের জন্য মাতা-পিতা, অভিভাবক, দেশ ও জনগণের যথেষ্ট বিনিয়োগ আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদেরকে পবিবার, দেশ ও জনগণের আশা-আকাঙ্খা পূরণে সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে বর্তমান শতাব্দীতে উন্নয়নশীল বিশ্বে উচ্চশিক্ষার গতি-প্রকৃতি, বিশ্বায়ন ও তথ্য-প্রযুক্তির প্রসারে সৃষ্ট ডিজিটাল বিভক্তি, উন্নত ও উন্নয়নশীল বিশ্বের ব্যবধান মোকাবেলা এবং পুঁজি ও শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞান নির্ভর-অর্থনীতিতে উত্তরনে এ গুলোকে শিক্ষার প্রধান বিবেচ্য ভাবার ও তাগিদ জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এই পরিস্থিতিতে বিশ্বজ্ঞানের সঙ্গে ব্যক্তিক ও সামষ্টিক চেতনার সমন্বয় ঘটানোই বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

হামিদ উল্লেখ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাঙালি জাতির শিক্ষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য, গবেষণা-উদ্ভাবন, মুক্তবুদ্ধির চর্চা, প্রগতিশীল ভাবনা, জাতি-গঠন ও দেশাত্মবোধের চেতনার এক তেজোদীপ্ত আলোকবর্তিকা; বাঙালির আশা-আকাঙ্খার এক অনন্য বাতিঘর।

রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, ১৯১৭ সালে গঠিত ‘কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কমিশন’ এর সুপারিশের ভিত্তিতে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯২০’ আইনের ভিত্তিতেই ১৯২১ সালের ১ জুলাই আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের। সে দিন ১২টি বিভাগ ও ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক পথচলা শুরু হয়েছিল, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ৮৪টি বিভাগ ও অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩৮ হাজার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ১৯৫২’র ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চার সূতিকাগার উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অসাম্প্রদায়িক ও অনন্য বৈশিষ্ট্যের গৌরবময় বিদ্যাপীঠ। সূচনা লগ্ন থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে মুক্তবুদ্ধির চর্চা শুরু হয়।

তিনি বলেন, ‘মাত্র দুইজন নারী শিক্ষার্থী নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ছাত্রীর সংখ্যা ৪০ শতাংশের বেশি। এটা দেশের নারীর ক্ষমতায়নের একটি বিশাল সাফল্য।’

একুশে ফেব্রুয়ারীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেন, বিশ্বের সকল জাতিসত্তার ভাষা-সংস্কৃতি সংরক্ষণে একুশে ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিকভাবে মাতৃভাষা দিবস হিসেবে উদযাপিত হচ্ছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধান শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের প্রভূত কল্যাণ সাধিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হওয়া নিঃসন্দেহে একটি খুশির খবর।

রাষ্ট্রপতি ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের কাতারে শামিল হওয়ার লক্ষ্যে এখন থেকেই সর্বাত্মকভাবে কাজ শুরু করার আদেশ দেন।

বক্তব্যের শুরুতে তিনি বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহিদদের, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক-সমর্থক, বিদেশি বন্ধু, যুদ্ধাহত ও শহিদ পরিবারের সদস্যসহ সর্বস্তরের জনগণকে, যাদের অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই দেশ ও স্বাধীন জাতিসত্তা।

রাষ্ট্রপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারী যাঁরা মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহিদ হয়েছেন তাঁদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি, শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী শহীদুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদ ও বক্তব্য রাখেন।

ট্যাগ:

জাতীয়
নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ১১ দফা

banglanewspaper

নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ১১ দফা দাবি দিয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা প্রতিদিন রাজধানীর রামপুরা সড়কের দুপাশে দাঁড়িয়ে প্রতিদিন এক ঘণ্টা মানববন্ধন করবেন।

বৃহস্পতিবার শুরু হতে যাওয়া উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে সড়ক অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি আপাতত প্রত্যাহার করে নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। দুপুর ২টার দিকে অবরোধ তুলে নেওয়ার ঘোষণার সময় নতুন এ কর্মসূচি দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ১১ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত রামপুরায় সড়কের দুপাশে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করবে বলে জানিয়েছেন।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, বুধবার বেলা ১১টায় শিক্ষার্থীরা সংঘবদ্ধ হয়ে রামপুরা ব্রিজের ওপর অবস্থান নেন। ঢাকা আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা ইমপেরিয়াল কলেজ, একরামুন্নেছা স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভে যোগ দেন।

এসময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন গণপরিবহণ থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে বাসগুলোকে ওই স্থানেই আটকে দেন। এতে সড়কের দুপাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রামপুরায় শিক্ষার্থী মাঈনুদ্দিন নিহতের বিচারসহ ১১ দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

দুপুর ১২টায় শিক্ষার্থীরা ১১ দফা দাবি, প্রস্তাবনা ও সড়ক নীতিমালা উত্থাপন করেন। খিলগাঁও মডেল কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী সায়মা ও ঢাকা ইমপেরিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী নাদিমুর রহমান জুয়েল এসব দাবি উত্থাপন করেন।

শিক্ষার্থীদের ১১ দফা দাবিগুলো হচ্ছে:

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নাঈম হাসান ও মাইনুদ্দিনের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। গুলিস্তান ও রামপুরায় পথচারী পারাপারের জন্য ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করতে হবে।

সারা দেশের গণপরিবহণে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া নিশ্চিত করতে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। এ জন্য দিন-রাত বা ছুটির দিনসহ কোনো শর্ত জুড়ে দেওয়া যাবে না। বর্ধিত বাসভাড়া প্রত্যাহার করতে হবে। সব রুটে বিআরটিসির বাস বাড়াতে হবে।

সব ধরনের পরিবহণে নারীদের অবাধ যাত্রা নিশ্চিত করতে হবে। তাদের সঙ্গে সৌজন্য ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

লাইসেন্সবিহীন চালককে নিয়োগদানকারী প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। গাড়ির নিবন্ধন, ফিটনেস কার্যক্রম ও লাইসেন্স দানে বিআরটিএর দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

সব সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। ট্রাফিক পুলিশের ঘুষ দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে।

সব রুটে প্রতিযোগিতা বন্ধে এক গ্রুপ বা কোম্পানির মাধ্যমে সব বাস চালানোর ব্যবস্থা করতে হবে। বাস অনুযায়ী মালিকদের মধ্যে লাভের টাকা বণ্টনের নিয়ম করতে হবে।

শ্রমিকের নিয়োগপত্রে পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে। বাসচালক ও হেলপারদের চুক্তির পরিবর্তে সব গণপরিবহণ টিকিট পদ্ধতিতে চালানোর ব্যবস্থা করতে হবে। শ্রমিকদের জন্য বিশ্রামাগার ও টয়লেটের ব্যবস্থা করতে হবে।

গাড়ি ও চালকের কর্মঘণ্টা একনাগাড়ে ছয় ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না। বাসে দুজন চালক ও দুজন সহকারী থাকতে হবে। পর্যাপ্ত বাস টার্মিনাল তৈরি করতে হবে। শ্রমিকদের জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

যাত্রী ও পরিবহণ শ্রমিকদের মতামত নিয়ে সড়ক পরিবহণ আইন সংস্কার করতে হবে এবং এর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। ট্রাক ও ময়লার গাড়ি চলাচলের জন্য রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নির্ধারণ করতে হবে।

মাদক প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নিয়মিত ডোপ টেস্ট ও কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রসঙ্গত, সোমবার দিবাগত রাতে রামপুরা বাজার ও টিভি সেন্টারের মাঝামাঝি সোনালী ব্যাংকের সামনে ডিআইটি রোডে অনাবিল পরিবহণের একটি বাসের চাপায় স্থানীয় একরামুন্নেছা স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া মাঈনুদ্দিন (১৭) নিহত হয়। এ ঘটনার পর ১২টি বাসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন বিক্ষুব্ধরা। গণপিটুনিতে বাসচালক জ্ঞান হারান। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চালকের সহকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ট্যাগ: