banglanewspaper

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় গেল ২৯ মার্চ সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা ১৮ দফা জরুরি নির্দেশনার ১৪ নম্বর নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, জরুরি সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ছাড়া সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস প্রতিষ্ঠান শিল্প কারখানাসমূহ ৫০ ভাগ জনবল দ্বারা পরিচালনা করতে হবে। গর্ভবতী/অসুস্থ/বয়স ৫৫ ঊর্ধ্ব কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের বাড়িতে অবস্থান করে কর্মসম্পাদনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

ওই নির্দেশনা জারির একদিন পরই ৩০ মার্চ ৫০ ভাগ নয়, শতভাগ জনবল নিয়েই প্রতিষ্ঠান চালানোর কথা জানায় তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। 

তখন প্রতিষ্ঠান দুটির শীর্ষ নেতারা জানিয়েছিলেন, বিষয়টি নিয়ে তারা সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। সেখান থেকে জানানো হয়েছে, অর্ধেক জনবল দিয়ে কারখানা পরিচালনার নির্দেশনাটি তৈরি পোশাক খাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তবে কারখানাগুলোতে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।

শেষ পর্যন্ত বাস্তবতায়ও তেমনই দেখা যায়। গত ৫ এপ্রিল থেকে সরকার সারা দেশে লকডাউন ঘোষণা করলেও পোশাক কারখানা খোলা রাখার অনুমতি দেয়। অর্থনীতির চাঙ্গা রাখতে সঙ্গে অন্যান্য উৎপাদনমুখী শিল্প কারখানাও চালু রাখা যাবে বলে জানায়। 

৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ৭ দিনের লকডাউনে করোনা পরিস্থিতির বিশেষ উন্নতি না হওয়ায় এবার ১৪ এপ্রিল থেকে সারা দেশে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। যেকোনও সময় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। 

ট্যাগ: bdnewshour24