banglanewspaper

ভারতের তামিলনাড়ুর গ্লোবাল হিউম্যান পিস ইউনিভার্সিটি থেকে বাংলাদেশের ফোক সম্রাজ্ঞী ও সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়া নিয়ে কথা উঠেছে। ডিগ্রি দেওয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বৈধতা’ নেই বলেও তথ্য উঠে এসেছে গণমাধ্যমের কাছে।
 
মমতাজ যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জনের কথা বলছেন, ভারতের বৈধ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় সেই নামে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে পাওয়া যায়নি। ৯৭৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় নেই গ্লোবাল হিউম্যান পিস ইউনিভার্সিটির নাম! বিশ্ববিদ্যালয়টির বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মমতাজ বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়টির আয়োজন দেখে আমার ভুয়া বলে মনে হয়নি। তাদের সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়ার সুযোগ আমার হয়েছিল। আমি যাচাই-বাছাই করে দেখেছি। সেখানে অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তামিলনাড়ুর সাবেক স্পেশাল কমিশনার ও মুখ্য সচিব কে সামপাত কুমার, সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার কে রামাচন্দ্রনসহ অনেক সম্মানিত ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।  

তিনি আরও জানান, নাম নিয়ে একটা ঝামেলা রয়েছে। টাকা নিয়ে যারা ডিগ্রি দেয়, সেটার নাম গ্লোবাল পিস ইউনিভার্সিটি; আর মমতাজ যেখান থেকে ডিগ্রি পেয়েছেন সেটা গ্লোবাল হিউম্যান পিস ইউনিভার্সিটি।

এদিকে সোমবার (১২ এপ্রিল) মমতাজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পাওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।  

কয়েকটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়, একমাত্র সংগীতশিল্পী হিসেবে প্রকাশিত আট শতাধিক অ্যালবামের বিশ্ব রেকর্ড রয়েছে মমতাজের। এছাড়া ত্রিশ বছর ধরে বাংলা গানকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা, লোকজ সংগীতকে আধুনিকায়ন করে সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য করা, চলচ্চিত্র সংগীতে একাধিকবার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্তি রয়েছে তার। এছাড়া দেশি-বিদেশি অসংখ্য সম্মাননা অর্জন, সমাজ সচেতনতামূলক নানামুখী গানের মাধ্যমে বিশেষ ভূমিকাসহ সার্বিক মূল্যায়নে মমতাজ বেগমকে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. পি ম্যানুয়েল সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব মিউজিক’ পদকে ভূষিত করেন।

উল্লেখ্য, ‘যৌবন আমার লাল টমেটো’ , ‘টিপ্পা দে’ ও ‘গরম মসল্লা’ শিরেনামের অশ্লীলতার বিতর্কে বিতর্কিত গানটিও মমতাজ বেগমের গাওয়া।

ট্যাগ: bdnewsour24