banglanewspaper

কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতালকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা উপযোগী করে গড়ে তোলার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএস‌সি‌সির) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। 

বৃহস্প‌তিবার (২২ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর হাসপাতালের  প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত এই হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের নির্দেশনা দেন।   

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তাপস বলেন, ঢাকাবাসী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকল্পে ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতালের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম স্বচক্ষে অবলোকনই আজকের এই পরিদর্শন। আমরা চাই ঢাকাবাসী যেন এই সময়ে চিকিৎসাসেবা পেতে পারে। সেজন্য আনুষাঙ্গিক ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম আমরা সমাপ্ত করেছি৷      

কোভিড-১৯ চিকিৎসায় সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অনুষঙ্গগুলো পেতে বিলম্ব হওয়ায় এখনো এই হাসপাতালে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করা যায়নি উল্লেখ করে মেয়র বলেন, করোনার প্রথম ধাক্কায় যে চিকিৎসক দেওয়া হয়, তাদেরকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তাছাড়া ৫টি নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের জন্য শয্যা প্রদান বিলম্ব করা হয়েছিল এবং আনুষাঙ্গিক যে সুযোগ-সুবিধাগুলো প্রয়োজন সেগুলো আমরা সময় মতো পাইনি। করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় আমাদেরকে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে আনুষাঙ্গিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। আমরা আশা করছি যে আর এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এখানে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করা যাবে। 

চিকিৎসক-নার্সসহ কিছু লোকবল পদায়ন করা হয়েছে জানিয়ে মেয়র আরও বলেন, এখন আমাদের কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থাপনা বা প্লান্ট প্রয়োজন হবে। নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ এনেসথেসিস্টও লাগবে। আমরা স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে কথা বলছি। আশা করছি খুব দ্রুতই প্রয়োজনীয় সকল অনুষঙ্গ সরবরাহ করা হবে এবং দ্রুতই আমরা চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম যেতে পারব।   

ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রকাশ রায় বলেন, আমরা ৫৬ জন চিকিৎসক (মেডিকেল অফিসার) চেয়েছি। ইতোমধ্যে ১৮ জনকে পদায়ন করা হয়েছে এবং ১৬ জন চিকিৎসক যোগদান করেছেন। একইসাথে আমরা ৬০ জন নার্স চেয়েছি। ইতোমধ্যে ৩০ জনকে প্রদান করা হয়েছে, যার মধ্যে ২২ জন যোগদান করেছেন। আর আগামী রবিবারের মধ্যে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থাপনা বা প্লান্ট স্থাপন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে আজ জানানো হয়েছে। আশা করছি, আমরা দ্রুতই নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বিশেষজ্ঞ ও মেডিকেল স্পেশালিস্টও পেয়ে যাবো এবং মেয়র মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এখানে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করা যাবে। 

ডা. প্রকাশ আরও বলেন, এই হাসপাতালে ভেন্টিলেটর সমৃদ্ধ ৫টি নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের শয্যা, ৩০টি উচ্চ-অক্সিজেন-প্রবাহ (হাই-ফ্লো অক্সিজেন) সমৃদ্ধ শয্যা এবং ৭৫টি আইসোলেশন শয্যা নিয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে আমাদের প্রস্তুতিমূলক কার্মকাণ্ড চলমান রয়েছে।   

পরিদর্শনকালে মেয়রের সাথে অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. শরীফ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।        

ট্যাগ: bdnewshour24

জাতীয়
‘মূর্তির ৬১ মুক্তির ৭১’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

banglanewspaper

প্রথম বাংলাদেশ ওয়ারকোর্স স্মারক গ্রন্থ ‘মূর্তির ৬১ মুক্তির ৭১’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হয়েছে।

শনিবার (২ জুলাই) আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান হয়।

মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ারকোর্সে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বিভিন্ন সেক্টরে ট্রেনিংপ্রাপ্ত দক্ষ সামরিক অফিসার তৈরির জন্য ভারতে অবস্থানকারী বাঙালি তরুণদের বাছাই করে সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ৬১ জন ক্যাডেট নির্বাচন করা হয়। এই কোর্সটির নাম দেওয়া হয় ‘প্রথম বাংলাদেশ ওয়ারকোর্স’। বঙ্গবন্ধুর পুত্র শেখ কামাল এই ৬১ জনের সঙ্গে সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার শিলিগুড়ি থেকে ৪০ মাইল দূরে মূর্তি নামক ভারতীয় সেনাবাহিনীর ফিল্ড স্টেশনে তাদের ট্রেনিং শুরু হয় এবং ১৯৭১ সালে ৯ অক্টোবর পাসিং আউট প্যারেডের মাধ্যমে তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সামরিক অফিসার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন সেক্টরে যোগদান করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

এ কোর্সের ৬১ জনের মধ্যে ১৭ জন বীরত্বসূচক খেতাব পেয়েছেন। পাসিং আউট প্যারেডে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও সুপ্রিম কমান্ডার সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কর্নেল আতাউল গণি উপস্থিত ছিলেন ।

ট্যাগ:

জাতীয়
রাজধানীতে প্রস্তুত কোরবানির হাট, আসতে শুরু করেছে পশু

banglanewspaper

দরজায় কড়া নাড়ছে কোরবানির ঈদ। পশু আসতে শুরু করেছে রাজধানীর হাটগুলোতে। আর আগামী ৬ জুলাই থেকে শুরু হবে বিক্রি কার্যক্রম। যে কোনো ধরনের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা রোধে হাটে থাকবে সিটি কর্পোরেশনের মনিটরিং সেল।

শনিবার (২ জুলাই) রাজধানীর কয়েকটি পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, কোরবানির ঈদ সামনে রেখে গাবতলী স্থায়ী পশুর হাট, আমুলিয়া, আফতাবনগর, উত্তরা ১৭ নম্বরসহ সবগুলো হাট সাজানো হয়েছে। প্রস্তুত করা হয়েছে পশু রাখার খুঁটি অস্থায়ী শেড। বসানো হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার।

বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ী ও খামারিরা ট্রাকভর্তি পশু আনছেন হাটগুলোতে। বন্যার কারণে আগেভাগেই পশু নিয়ে এসেছেন অনেক ব্যাপারিরা।

রংপুরের গরুর ব্যাপারি জলিল বলেন, ১০টি গরু এনেছি। রাস্তায় গরুগুলো কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আসে। আগে এসেছি ভালো জায়গায় গরু নিয়ে বিক্রির জন্য দাঁড়াবো। এখনই বিক্রি হবে না, কদিন সময় লাগবে হয়ত।

এ বছর রাজধানীতে মোট ১৯টি কোরবানির পশুর হাট বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। হাটগুলোর মধ্যে ২টি স্থায়ী হাট, যেগুলোতে বছরের অন্য সময়ও পশু বিক্রি হয়। এরমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের রয়েছে গাবতলী স্থায়ী হাট এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের রয়েছে সারুলিয়া স্থায়ী পশুর হাট। এই হাট দুটি ছাড়া আরও ১৭টি অস্থায়ী হাট রাজধানীতে বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।

অস্থায়ী হাটগুলোর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় বসবে ১০টি ও উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় বসবে ৭টি হাট। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ডিজিটাল হাট চালু থাকবে।

ট্যাগ:

জাতীয়
এবার অনলাইনে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে, ফাঁকফোকর পেলে ব্যবস্থা : রেলমন্ত্রী

banglanewspaper

ঈদুল ফিতরের সময় অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া গেলেও এবারের ঈদুল আজহায় অনলাইনে নির্বিঘ্নে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, অনলাইন টিকিটে ফাঁকফোকর পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে তথ্য জানাতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন।

শনিবার (২ জুলাই) কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের জন্য উন্নতমানের ট্রলি সরবরাহ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। চীন থেকে আমদানি করা উন্নতমানের ৫০টি ট্রলি হস্তান্তর করে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড।

তিনি বলেন, একসময়ে স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের মালামাল আনা-নেওয়া করতেন কুলিরা। এখন সেটা নেই। স্টেশনে লাগেজ-ব্যাগ আনা-নেওয়ায় অত্যন্ত উন্নতমানের ট্রলি উপহার দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক।

নূরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী রেল মন্ত্রণালয়কে ঢেলে সাজাতে চান। রেল মন্ত্রণালয়ে এবার ১৯ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের মধ্যে কক্সবাজার যাব (রেললাইন সম্পন্ন হবে), ঢাকা থেকে ভাঙ্গা যেতে পারব। কয়েক দিন পর ঈদুল আজহা, যাত্রীদের প্রধান চাহিদা এখন ট্রেন। এবার পোশাক কারখানার শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ট্রেন থাকছে। জয়দেবপুর থেকে ওই ট্রেনের টিকিট নেওয়া যাবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের ডুয়েলগেজ ৬০টি কোচ আসছে। আরও ১০০টি পাইপলাইনে আছে। ডবল লাইন এবং পদ্মা সেতু হয়ে গেলে আমাদের সক্ষমতা আরও বেড়ে যাবে। তখন নিরাপদে সব যাত্রী ট্রেনের মাধ্যমে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মনিরুল মওলাও বক্তব্য রাখেন। এ সময় রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার, ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ম্যানেজার মিজানুর রহমান ভূঁইয়াসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ:

জাতীয়
ইন্টারনেট সার্চে পদ্মা সেতু নিয়ে যত তথ্য

banglanewspaper

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এ বছরের ২৫ জুন দুপুর ১২টায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করা হয়। প্রথমে টোল দিয়ে পদ্মা সেতুতে উঠেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার গাড়িবহর। ওইদিন বেলা সাড়ে ১১টায় সেতুতে ওঠার পর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এই সেতুকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশিদের পাশাপাশি বিশ্বের নানান দেশের মানুষেরই আগ্রহের কোনো কমতি নেই।

এর প্রেক্ষিতে অনলাইনে পদ্মা সেতু নিয়ে কখন, কী খুঁজেছেন মানুষ? কোন দেশ বা বাংলাদেশের কোন জায়গা থেকে সবচেয়ে বেশি তথ্য সন্ধান করেছেন তারা? কত কনটেন্ট তৈরি হয়েছে এই সেতুকে ঘিরে? গুগল ট্রেন্ডস থেকে বের করা এমন কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলে।

পদ্মা সেতু নির্মাণ শুরু হয়েছিল আট বছর আগে। এই সময়ে ইন্টারনেটে মানুষের আগ্রহের চিত্র দেখা যাচ্ছে ‘গুগল ট্রেন্ডসের’ গ্রাফে। সেতুটি নিয়ে মানুষ সবচেয়ে বেশি আগ্রহী হয়ে ওঠেন চলতি বছরের জুনে উদ্বোধনকে ঘিরে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে। সেই সময় সেতুটিতে সর্বশেষ স্প্যান বসে। দিনের হিসাবে ২৫ জুন উদ্বোধনের দিনই এই সেতুকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ ছিল। পরের দিনই তা অর্ধেকে নেমে আসে।

স্বাভাবিকভাবেই পদ্মা সেতু নিয়ে আগ্রহ সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশেই। আট বছরের চিত্রে ইন্টারনেট সার্চে এরপরের অবস্থানে আছে মালদ্বীপ, কাতার, ওমান, বাহরাইন। তবে গত এক মাসে বাংলাদেশের পরে কাতার, পাকিস্তান, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে পদ্মা সেতু নিয়ে সবচেয়ে বেশি ওয়েব সার্চ করা হয়েছে।

গত আট বছরে গুগলে ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি জানতে চেয়েছেন পদ্মা সেতুর স্প্যান নিয়ে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ‘পদ্মা ব্রিজ প্যারাগ্রাফ’, শিক্ষার্থীদের কাছে যা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ‘পদ্মা ব্রিজ পিলার’, ‘টোলের হার’ নিয়েও জানতে চেয়েছেন ব্যবহারকারীরা। অন্যদিকে উদ্বোধন, সরাসরি সম্প্রচারের ভিডিও নিয়ে বেশি তথ্য খুঁজেছেন তারা গত একমাসে। বাংলায় পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য, পিলার, খরচ, স্ট্যাটাস ও উক্তি খুঁজেছেন মানুষ।

দেশ ভিত্তিতে আট বছরে পদ্মা সেতু নিয়ে গুগলে সবচেয়ে বেশি খবর খোঁজ করা হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। এরপর বেশি সন্ধান করা হয়েছে নেপাল থেকে। তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি প্রবাসী কর্মী অবস্থান করা দেশ সৌদি আরব। চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য ও কানাডা। গত একমাসে বাংলাদেশের বাইরে পদ্মা সেতু-সংক্রান্ত সবচেয়ে বেশি খবর খুঁজেছেনে মালয়েশিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও ভারত থেকে।

গত একমাসে ভারতের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিবেশী রাজ্যগুলো থেকে এই সেতু নিয়ে সবচেয়ে বেশি গুগল সার্চ হয়েছে। র্শীষে আছে বাংলাদেশের পূর্বে অবস্থিত ত্রিপুরা। এরপর রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম ও অরুণাচল প্রদেশ। আগ্রহের শীর্ষে ছিল পদ্মা সেতুর টোল হার।

গুগল ট্রেন্ডস অনুযায়ী পদ্মা সেতু নিয়ে গত আট বছরে ইউটিউবে সবচেয়ে বেশি ভিডিও খোঁজা হয়েছে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া থেকে, যে স্থানটি পদ্মা সেতুকে দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর সঙ্গে যুক্ত করেছে। এরপর সবচেয়ে বেশি ভিডিও অনুসন্ধান হয়েছে বরিশালের আটিপাড়া থেকে। তারপরে রয়েছে বাগেরহাট, মাগুরা ও রাজশাহী। গত একমাসের চিত্রে শীর্ষে ছিল ঝালকাঠি।

গুগলের ওয়েব সার্চে বাংলায় ‘পদ্মা সেতু’ লিখে অনুসন্ধান করলে মোট ৯১ লাখ কনটেন্ট পাওয়া যায়। সংবাদ ফলাফল পাওয়া যায় প্রায় ৩০ লাখ৷ এ ছাড়া ইংরেজিতে ‘Padma Bridge’ লিখে ওয়েব সার্চেও প্রায় ৮৬ লাখের ওপরে কনটেন্ট পাওয়া যায়। সংবাদ পাওয়া যায় প্রায় ২ লাখ ৭৭ হাজার।

বিশ্বের দীর্ঘতম সেতু চীনের ডানিয়াং-কুনসান গ্র্যান্ড ব্রিজ। গুগলের ওয়েবে ইংরেজিতে এই সেতুটির নাম দিয়ে সার্চে মোট ২ কোটি কনটেন্ট পাওয়া যায়। তবে এই সেতু নিয়ে সংবাদ কনটেন্ট পাওয়া যায় মাত্র ১২শ’। ভারতের দীর্ঘতম সেতু ঢোলা সাদিয়া সেতু বা ভূপেন হাজারিকা সেতুর ওয়েব সার্চে প্রায় ৯০ হাজার কনটেন্ট পাওয়া যায়, সংবাদ দেখা যায় প্রায় ২ হাজার। সেই হিসাবে পদ্মা সেতু নিয়ে সংবাদ হয়েছে কয়েকগুণ বেশি।

তথ্যমতে, বাংলাদেশের বুকে সবচেয়ে বড় অবকাঠামোর নাম পদ্মা সেতু। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের সেতুটি ঢাকা বিভাগের দুই জেলা মুন্সীগঞ্জ আর শরীয়তপুরকে সংযুক্ত করেছে। সেতুর ডাঙার অংশ যোগ করলে মোট দৈর্ঘ্য ৯ কিলোমিটার। স্টিল আর কংক্রিটের তৈরি দ্বিতল সেতুর ওপরের স্তরে রয়েছে চার লেনের সড়ক আর নিচে একক রেলপথ।

বিশ্বের খরস্রোতা নদীর তালিকায় আমাজনের পরেই পদ্মার অবস্থান। এমন খরস্রোতা নদীর ওপর বিশ্বে সেতু হয়েছে মাত্র একটি। তাই সেতুকে টেকসই করতে নির্মাণের সময় বিশেষ প্রযুক্তির পাশাপাশি উচ্চমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়। পদ্মা সেতুর পিলার সংখ্যা ৪২ আর স্প্যান ৪১টি। খুটির নিচে সর্বোচ্চ ১২২ মিটার গভীরে স্টিলের পাইল বসানো হয়। অর্থাৎ প্রায় ৪০তলা ভবনের উচ্চতার গভীরে পাইল নিয়ে যেতে হয়। বিশ্বে এখন পর্যন্ত কোনো সেতুর জন্য এত গভীর পাইলিং হয়নি।

ট্যাগ:

জাতীয়
শিক্ষক উৎপল হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিতু গ্রেপ্তার

banglanewspaper

সাভারের আশুলিয়ার হাজী ইউনুছ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার হত্যা মামলার প্রধান আসামি আশরাফুল ইসলাম জিতুকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

বুধবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত ২৫ জুন দুপুরে শিক্ষক উৎপল কুমারকে স্টাম্প দিয়ে বেধড়ক মারধর করে জিতু। এরপর ২৭ জুন এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার।

এ ঘটনায় ২৬ জুন উৎপলের ভাই বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় জিতুকে প্রধান আসামি করা হয়। এ ছাড়াও কয়েকজনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়।

মামলার পর মঙ্গলবার (২৯ জুন) রাতে কুষ্টিয়া থেকে অভিযুক্ত জিতুর বাবা উজ্জ্বল হোসেনকে আটক করে পুলিশ। ওই রাতেই তাকে আশুলিয়া থানায় আনা হয়। এরপর তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আজ ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মুজাহিদুল ইসলামের আদালত উজ্জ্বলের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ট্যাগ: