banglanewspaper

অ্যান্টার্কটিকার পর এবার হিমালয় পর্বতমালায়ও হানা দিয়েছে করোনাভাইরাস। সম্প্রতি বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট অভিযানে যাওয়ায় এক অভিযাত্রী করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। নেপালের স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে ভ্রমণ ম্যাগাজিন দ্য আউটসাইডার এক প্রতিবেদনে একথা জানায়।
 
করোনায় আক্রান্ত অভিযাত্রী বেস ক্যাম্পে (১৭ হাজার ৬০০ ফুটেরও বেশি উচ্চতায়) ছিলেন। তিনিসহ আরও দুই পর্বতারোহীর করোনার লক্ষণ দেখা দিলে হেলিকপ্টারে করে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে তাদের একজনের করোনা শনাক্ত হয়।
 
ঘটনার পরপরই পর্বতারোহণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অন্যদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলছেন। এ ছাড়া ইতোমধ্যেই বেসক্যাম্পে একটি অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
 
প্রসঙ্গত, নেপালে করোনা ছড়িয়ে পড়ার পর গত বছরের ২৪ মার্চ সীমান্ত বন্ধসহ এভারেস্টে আরোহণে বিধিনিষেধ জারি করে দেশটির সরকার। চলতি বছরের মার্চে পর্বতারোহণে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়।
 
এর আগে, পৃথিবীর প্রত্যন্ত অঞ্চল হিসেবে ২০২০ সালে ২১ ডিসেম্বর অ্যান্টার্কটিকাতে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।

ট্যাগ: bdnewshour24

আন্তর্জাতিক
করোনাকালে দ্বিগুণ হয়েছে শীর্ষ ১০ ধনীর সম্পদ

banglanewspaper

করোনাভাইরাসের মহামারি চলাকালে বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনীর সম্পদ দ্বিগুণ হয়েছে। এসময়ে এই ধনীদের ৭০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের সম্পদ বেড়ে দেড় ট্রিলিয়ন হয়েছে। এর বিপরীতে দারিদ্র্য ও অসমতা বেড়েছে। আজ সোমবার (১৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফাম এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের নিয়ে ছোট আকারের একটি সম্মেলন শুরু হচ্ছে। এই সম্মেলন শুরুর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেছে অক্সফাম।

প্রতিদিন তাদের সম্পদ বেড়েছে ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার। দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করা এই প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এই মহামারিকালে যে পরিমাণ সম্পদ ধনীদের বেড়েছে, গত ১৪ বছরে সেই পরিমাণ সম্পদ বাড়েনি। কিন্তু এমন সময়ে সম্পদ বাড়ছে, যখন বিশ্ব অর্থনীতি সংকটের মুখে রয়েছে।

এই অর্থনৈতিক অসমতার কারণে বিভিন্ন ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে। এর কারণে স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন না দারিদ্ররা। ক্ষুধা, লিঙ্গবৈষম্যগত সহিংসতা বেড়েছে। 

অক্সফাম বলছে, আর্থিক অসমতার কারণে স্বাস্থ্যসেবা সংকট, ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও জলবায়ু পরিবর্তনে প্রভাব পড়ছে। এতে প্রতিদিন ২১ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। 

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, মহামারির কারণে ১৬ কোটি মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে। অসমতা বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভুগছে অশ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু জাতিসত্তার মানুষ ও নারীরা। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর পদ্ধতি সংস্কারের কথা বলেছে অক্সফাম।

যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্বস সাময়ীকি যে সম্পদশালী মানুষের তালিকা করেছে, সেই অনুসারে এ প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। ফোর্বসের হিসাবে শীর্ষ ধনীর তালিকায় রয়েছেন টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক, অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস, ফ্রান্সের ফ্যাশন জায়ান্ট এলভিএমএইচের প্রধান বার্নার্ড আর্নল্ট, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন, ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গ, মাইক্রোসফটের সাবেক প্রধান নির্বাহী স্টিভ বলমার, ওরাকলের সাবেক প্রধান নির্বাহী ল্যারি এলিসন, মার্কিন বিনিয়োগ গুরু ব্যবসায়ী ওয়ারেন বাফেট।

ট্যাগ:

আন্তর্জাতিক
শীতকালীন ঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা

banglanewspaper

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার নানা অঞ্চল তীব্র শীতকালীন ঝড়ে নাকাল হয়ে পড়েছে। ভারী তুষারপাত ও বরফের কারণে বাতিল করা হয়েছে হাজারো ফ্লাইট। বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি অঙ্গরাজ্য। জারি হয়েছে জরুরি অবস্থা। খবর বিবিসি। 

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের (এনডব্লিউএস) তথ্য বলছে, আগামী দুই দিনে দেশটির পূর্বাঞ্চলের এক-তৃতীয়াংশের বেশি এলাকায় দাপট চালাবে এই শীতকালীন ঝড়। আশঙ্কা করা হচ্ছে এ সময় এলাকাগুলোতে এক ফুটের বেশি তুষারপাত হতে পারে।

ভয়াবহ এই ঝড়টি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য পশ্চিম অঞ্চল থেকে পূর্বাঞ্চলের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেছে এনডব্লিউএস। 

এক সতর্কবার্তায় তারা জানিয়েছে, তুষারপাত ও বরফের কারণে ভ্রমণ বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ সংকট এবং গাছপালার ক্ষতি হতে পারে।

সংকট মোকাবিলায় ভার্জিনিয়া, জর্জিয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। নিউইয়র্ক ও কানেকটিকাটের কয়েকটি অঞ্চলসহ নানা এলাকার উপকূল প্লাবনের মুখে পড়তে পারে বলে এসেছে পূর্বাভাস। এসব এলাকার রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগুলো ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্কতা জারি হয়েছে।

প্রতিকূল আবহাওয়াকে কারণ দেখিয়ে স্থানীয় সময় রবিবার সকাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে কমপক্ষে ২ হাজার ৪০০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি দেখেছে উত্তর ক্যারোলাইনার চার্লট ডগলাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। সেখান থেকে ৯০ শতাংশ ফ্লাইট গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায়নি।

এদিকে রবিবার সকালে কানাডার অন্টারিও প্রদেশে ঝড়ের সতর্কতা জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া অফিস। প্রদেশের রাজধানী টরন্টোতে সাত ইঞ্চি তুষারপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ:

আন্তর্জাতিক
কাজাখস্তানে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, সহিংসতায় নিহত ২২৫

banglanewspaper

মধ্য-এশিয়ার তেলসমৃদ্ধ বৃহত্তম দেশ কাজাখস্তানে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে শুরু হওয়া শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ থেকে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতায় ২২৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা এবং সামরিক কর্মকর্তারাও রয়েছেন। শনিবার (১৫ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে কাজাখ কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানায়। খবর আলজাজিরা, বিবিসি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে কাজাখস্তানের প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয়ের ফৌজদারি মামলার প্রধান সেরিক শালাবায়েভ বলেন, বিক্ষোভ-সহিংসতায় দেশে ২২৫ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৯ জন নিরাপত্তা ও সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, প্রাণ হারানো মানুষের এই সংখ্যার মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত বেসামরিক নাগরিক এবং ‘সশস্ত্র দুর্বৃত্তরাও’ রয়েছেন। তবে সন্ত্রাসবাদের ভেতরে বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণ হারানোর বিষয়টিকে দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করেন শালাবায়েভ।

চলমান জরুরি অবস্থার মধ্যেই নিহতদের মরদেহ সারা দেশে মর্গে পাঠানো হয়েছে জানিয়ে কাজাখ প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয়ের ফৌজদারি মামলার এই প্রধান বলেন, প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যা পরবর্তীতে হালনাগাদ করা হতে পারে।

এর আগে বিক্ষোভ ও সহিংসতার মধ্যে সাধারণ বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে ৪৪ জন নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল কাজাখস্তান। নিহতদের মধ্যে ২৬ জন সশস্ত্র অপরাধী এবং ১৮ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য বলে জানিয়েছিল কাজাখ কর্তৃপক্ষ।

এরপর গত সপ্তাহে সরকারি টেলিগ্রাম চ্যানেলে নিহতের সংখ্যা ১৬৪ বলে জানানো হয়। তাদের মধ্যে দেশটির প্রধান শহর আলমাতিতেই নিহত হয়েছেন ১০৩ জন। দেশটির বৃহত্তম এই শহরে সবচেয়ে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

সেসময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, প্রাণঘাতী সহিংসতার পর প্রাথমিকভাবে ১৯৮ মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

এ ছাড়া, সহিংসতায় শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকে হামলা চালিয়ে লুটপাট করা হয়েছে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা প্রায় ৪০০ যানবাহন ধ্বংস করেছে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার নতুন বছর প্রথম দিনেই কাজাখস্তানে জ্বালানির দাম এক লাফে দ্বিগুণের বেশি বাড়ানো হয়। সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই দিনই মানজিস্তাউ শহরে বিক্ষোভ শুরু করেন সাধারণ মানুষ। দ্রুত সেই বিক্ষোভ দেশের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে। ক্রমে তা গণবিদ্রোহের চেহারা নেয়। হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ শুরু করেন।

মূলত কাজাখস্তানে অনেকেই এলপিজিতে গাড়ি চালান। সরকার এতোদিন দাম নিয়ন্ত্রণ করে রাখায় গ্যাসোলিনের চেয়ে এলপিজিতে গাড়ি চালানো সস্তা ছিল। সরকার সেই এলপিজির দাম বাড়ানোয় প্রবল বিক্ষোভ শুরু হয়। যা একপর্যায়ে সহিংস হয়ে ওঠে।

ট্যাগ:

আন্তর্জাতিক
আরও ৪ হাজার প্রাণহানি, শনাক্ত ছাড়াল পৌনে ৩৩ কোটি

banglanewspaper

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় কমেছে। একইসঙ্গে কমেছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন প্রায় ৪ হাজার মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ লাখ ৩১ হাজারের মতো মানুষ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ হাজার ৯৯০ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে দেড় হাজারের বেশি। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৫ লাখ ৫৭ হাজার ৫৯৪ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৮৯৫ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে চার লাখের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ কোটি ৮৬ লাখ ৭৫ হাজার ৫৪১ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৭৩ জন এবং মারা গেছেন ৩৪৬ জন। করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৬ কোটি ৬৯ লাখ ৯৫ হাজার ৫৩৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৫৬৪ জন মারা গেছেন।

দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রাশিয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৮৬ জন এবং নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২৯ হাজার ২৩০ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৮ লাখ ৩ হাজার ৫৩৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ২১ হাজার ৩২০ জনের।

গত এক দিনে যুক্তরাজ্যে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭০ হাজার ৯২৪ জন এবং মারা গেছেন ৮৮ জন। ইতালিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫১২ জন এবং মারা গেছেন ২৪৮ জন। ফ্রান্সে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ১২৯ জন এবং মারা গেছেন ৯৮ জন। মহামারির শুরু থেকে এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৪১ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৬৭ জন মারা গেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় কলম্বিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৩১৭ জন এবং মারা গেছেন ১৩৬ জন। জার্মানিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ হাজার ২৮৭ জন এবং মারা গেছেন ২৬ জন। ইউক্রেনে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৩৭৯ জন এবং মারা গেছেন ৮৮ জন।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯২ জন এবং নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩১ হাজার ২২৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মেক্সিকোতে ২২৭ জন, তুরস্কে ১৩৬ জন, ভিয়েতনামে ১২৯ জন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৮৬ জন, কানাডায় ৬৭ জন, ফিলিপাইনে ৫০ জন এবং পোল্যান্ডে ৩৫ জন মারা গেছেন।

ট্যাগ:

আন্তর্জাতিক
‘করোনা যাবে না, স্থানীয় রোগে পরিণত হবে’

banglanewspaper

দুই বছরের বেশি সময় ধরে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। লাখ লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া এই ভাইরাসটি সম্পূর্ণ চলে যাবে না, বরং এটা স্থানীয় রোগে পরিণত হবে বলে মনে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

সংস্থাটির রুশ প্রতিনিধি মেলিটা ভুজনভিক লাইভ ইউটিউব চ্যানেলকে এই কথা জানিয়েছেন।

মেলিটা ভুজনভিক বলেন, করোনাভাইরাস স্থানীয় রোগে পরিণত হতে যাচ্ছে। এর মানে হলো এটি কখনোই যাবে না। কিন্তু আমরা জেনেছি এর চিকিৎসা এবং এ থেকে কীভাবে নিজেদের রক্ষা করতে হয়।

এই কর্মকর্তা বলেন, আমাদের এখনই ভাইরাসটির নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। না হলে অপ্রত্যাশিতভাবে নতুন কোনো ধরন দেখা দেবে। তাই মানবজাতির আরাম করার সময় এখনো বহুদূর।

টিকা ছাড়াও মাস্ক পরা, ভিড় এড়িয়ে চলাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ভুজনভিক।

ট্যাগ: