banglanewspaper

খেজুর, চমৎকার উপকারি একটি ফল। দেশের বাজারে বছরভরই পাওয়া যায় এ ফল। অনেকেরই পছন্দের তালিকায়ও রয়েছে খেজুর। তবে খেজুর যারা পছন্দ করেন না তারা হয়ত জানেনই না যে এটি খেলে শারীরিকভাবে কী দারুণ উপকার মেলে।

খেজুরে রয়েছে এমিনো এসিড, প্রচুর শক্তি, শর্করা ভিটামিন ও মিনারেল। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে। খেজুর শরীরের প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। খেজুরের গুণের কারণে পুষ্টিবিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ডায়েট ফুড’। এবার খেজুরের যাবতীয় পুষ্টিগুণ জেনে নেওয়া যাক-

ইন্সট্যান্ট এনার্জি
বিজ্ঞানীরা খেজুরকে বলে থাকেন ইন্সট্যান্ট এনার্জির ভাণ্ডার। মানে নিমিষেই প্রাণশক্তি। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ফুড সায়েন্সেস এন্ড নিউট্রিশনের এক রিপোর্টে বলা হয়, কেউ যদি দুর্বল বা ক্লান্ত বোধ করে, তাহলে কয়েকটা খেজুর খেয়ে নেওয়ার পর পরই সে চাঙ্গা এবং প্রাণশক্তি অনুভব করবে। খেজুরে থাকা গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করা এই ‘এনার্জি’র উৎস। তাই খাদ্যতালিকায় দুটো খেজুর রাখলে সারাদিন প্রাণবন্ত থাকা যাবে।

কোলেস্টেরল কমায় এবং ধমনীতে চর্বি জমতে দেয় না
মিষ্টি হলেও খেজুরে কোনো ফ্যাট নেই, নেই কোন কোলেস্টেরল। বরং খেজুরের ‘ক্যাটাচিনস’ নামক এন্টিঅক্সিডেন্ট রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং বাড়ায় ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ। তাছাড়া খেজুর ধমনীতে চর্বির স্তর জমতে দেয় না।

হৃদরোগ, ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিস
এই তিনটি রোগের বিরুদ্ধেই খেজুর লড়ে খুব সফলভাবে। খেজুরে আছে এন্টিঅক্সিডেন্ট ফ্ল্যাভোনয়েডস। মিশরের সুয়েজ ক্যানেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুরের ফ্ল্যাভোনয়েড উপাদানটি ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে উপকারী। এছাড়া খেজুরে আছে আইসোফ্ল্যাভন ও ক্যারোটেনয়েডস নামে আরও দুটি উপাদান। গবেষণায় দেখা গেছে, এই উপাদান দুটি হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে বেশ কার্যকরী। এছাড়া খেজুরের ফেনোলিক এসিড নামক এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।

রক্তচাপ কমায়
আমরা যেসব খাবার খাই এর অনেকগুলোতেই থাকে উচ্চমাত্রার লবণ। আর উচ্চ রক্তচাপের বড় কারণ হলো এটি। কিন্তু খেজুরে কোনো সোডিয়াম (লবণ) নেই। বরং আছে বেশ ভালো মাত্রার পটাশিয়াম, যা সোডিয়াম কমাতে সাহায্য করে। এ কারণেই বলা হয়, খেজুর হচ্ছে প্রাকৃতিক প্রতিষেধক যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

হাড় মজবুত করে
খেজুরে আছে সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি খনিজ উপকরণ। যা হাড়ের জন্যে উপকারি। ফলে অস্টিওপরেসিসসহ হাড়ের যে কোনো রোগ প্রতিরোধের জন্যে খেজুর খাওয়া যেতে পারে। 

দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়
খেজুরে আছে প্রচুর ভিটামিন ‘এ’ এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট ‘ক্যারোটানয়েডস’ যা দৃষ্টিশক্তির জন্য উপকারি। এমনকি বয়স হয়ে গেলে চোখের পেশীর সংকোচন-প্রসারণ ক্ষমতা কমে যাওয়া সংক্রান্ত সমস্যা খেজুর প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

মস্তিষ্ককে উজ্জীবিত করে
অস্ট্রেলিয়ায় পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুর স্মৃতিশক্তি এবং শেখার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করেছে। খেজুরে থাকা নানা ধরনের এন্টিঅক্সিডেন্টই এ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া বয়স হয়ে গেলে ব্রেনের যে ক্ষয় হওয়ার ঝুঁকি দেখা দেয় তাও চমৎকারভাবে প্রতিরোধ করে খেজুর। কারণ কর্টিসল এবং অক্সিডেন্ট উপকরণের অভাবে ব্রেনের ক্ষয় হয়। কিন্তু এই উপকরণ দুটি খেজুরে রয়েছে ভরপুর।

পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য
সাধারণত খাদ্যে ফাইবার বা আঁশের অভাবে পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোগগুলো হয়। খেজুরে যেহেতু প্রচুর আঁশ থাকে, তাই নিয়মিত খেজুর খেলে এ রোগগুলো আপনি সহজে প্রতিরোধ করতে পারবেন। ইউনিভার্সিটি অব রচেস্টার মেডিকেল সেন্টারের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে মাত্র ২০-৩৫ গ্রাম খেজুর খেলেই কোষ্ঠকাঠিন্যকে প্রতিরোধ করা যায়।

ওজন রাখে নিয়ন্ত্রণে
খেজুরে আছে ভিটামিন বি, ভিটামিন কে, রিবোফ্লোভিন, নিয়াসিন এবং আরও অনেক ধরনের পুষ্টি উপকরণ। এসবের মিলিত ফসল হলো মেটাবলিজম বাড়ানো। অর্থাৎ শরীরে যতটুকু ওজনের প্রয়োজন হয় তা ধরে রাখে খেজুর। তাছাড়া খেজুর এমন একটি খাবার যা অল্প খেলেই তৃপ্তি হয়, ফলে বেশি খাওয়ার চাহিদা থাকে না। ফলে শরীরে ওজন আর বাড়ে না।

ত্বক সুন্দর করে
নিয়মিত খেজুর খেলে আপনার ত্বক হবে সতেজ, পরিচ্ছন্ন এবং প্রাণবন্ত! খেজুরে আছে প্রচুর ভিটামিন, এন্টিঅক্সিডেন্ট। যেমন- ভিটামিন ‘সি’ ত্বকের নমনীয়তা বাড়ায়। ভিটামিন ‘ডি’ বাড়ায় কমনীয়তা। অধিকন্তু খেজুর দেহের মেলানিনের মাত্রা কমিয়ে বয়সের চিহ্নকে দূরীভূত করে। 

চুল পড়া বন্ধ করে
খেজুরে আছে প্রচুর আয়রন। যা রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ায়। আর চুলসহ গোটা শরীরেই তা ভারসাম্যপূর্ণভাবে পৌঁছায়। ফলে চুল পড়া যেমন কমে, তেমনি নতুন চুল গজায়ও।

রক্তশূন্যতার সমস্যা
রক্তশূন্যতায় ভুগলে অবসাদ, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা- ইত্যাদি সমস্যাগুলো দেখা দেয়। রক্তশূন্যতার রোগীরা খেজুর খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। কারণ খেজুরে আছে প্রচুর আয়রন। তাছাড়া খেজুর রক্ত পরিষ্কারও করে।

প্রসবকালীন জটিলতা কমায়
গর্ভবতী মায়েদের জন্যে দরকার বাড়তি ক্যালরি। আর খেজুরের চেয়ে উপকারি সমৃদ্ধ ক্যালরির উৎস খাবার কমই আছে। জর্ডানের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রসবের চার সপ্তাহ আগ পর্যন্ত যে মায়েরা পর্যাপ্ত খেজুর খেয়েছেন, প্রসবকালীন জটিলতা তাদের কম হয়েছে। সন্তানসম্ভবা মায়েদের জরায়ুর পেশী মজবুত করেছে খেজুর, সে প্রমাণও পাওয়া গেছে এই গবেষণায়।  

বাড়তি ভিটামিনের প্রয়োজন নেই
বিজ্ঞানীরা বলেছেন, নিয়মিত খেজুর খেলে বাড়তি ভিটামিন খাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। খেজুরে আছে ২৩টি অ্যামাইনো এসিড। যা আপেল, কমলা, কলার মতো জনপ্রিয় ফলেও নেই। এই অ্যামাইনো এসিড ‘কার্সিজেনিক’ নামের টক্সিনকে দেহের বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে।

খেজুর যেহেতু একটি মিষ্টি ফল এবং এতে ক্যালরির পরিমাণ বেশি, তাই এটি পরিমিত খাওয়াই উত্তম। পুষ্টিবিজ্ঞানীরা খেজুরের এই উপকারগুলো পাওয়ার জন্যে দিনে দুটি খেজুরই যথেষ্ট বলে মনে করেন।

ট্যাগ: bdnewshour24

লাইফস্টাইল
গরুর মাংসের দোপেঁয়াজা, যেভাবে বানাবেন

banglanewspaper

নানা অঞ্চলের খাবারে কিছু বিশেষত্ব থাকে— যা স্বাদে-গন্ধে আনে ভিন্নতা। গরুর মাংস নানাভাবেই রান্না করা যায়। কখনও কখনও স্বাদে যেমন বৈচিত্র্য আনা যায়, তেমনি গন্ধেও আনা যায় ভিন্নতা। গরুর মাংসের দোপেঁয়াজা সেসবের মধ্যে অন্যতম। সাধারণ উপায়ে যে মাংস ভুনা করেন, সেই পদ্ধতিতে দোপেঁয়াজা রান্না করা যাবে না। চলুন জেনে নেওয়া যাক গরুর মাংসের দোপেঁয়াজা রান্নার রেসিপি—

উপকরণ

গরুর মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ মোটা মোটা কাটা ২৫০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ বড় টুকরা ১০-১২টি, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, এলাচ ২ টুকরা, দারুচিনি ২ টুকরা, তেজপাতা ২টি, লবঙ্গ ৪টি, গোল মরিচ ৫-৭টি, ভিনেগার ৩ টেবিল চামচ, তেল আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো ও টেস্টিং সল্ট ১ চা চামচ।

প্রণালি

মাংস ছোট ছোট করে কেটে ধুয়ে নিন। এরপর তেল, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ ছাড়া সব উপকরণ দিয়ে সামান্য তেলে মেখে ১ ঘণ্টা রেখে দিন। হাঁড়িতে তেল গরম করে মাখানো মাংস ঢেলে একটু কমিয়ে অল্প পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ হলে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ দিয়ে কষিয়ে পেঁয়াজটা নরম হয়ে মাখা মাখা হলে নামিয়ে নিন।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
মচমচে সুস্বাদু আলুর চিপস, যেভাবে বানাবেন

banglanewspaper

বাজার থেকে যে আলুর চিপস কিনে খান তা সুস্বাদু হলেও পরিমাণে থাকে খুবই কম। আবার সব সময় বাইরের খাবার খাওয়াও স্বাস্থ্যকর নয়। আপনি চাইলে ঘরেই তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু আলুর চিপস। সেজন্য বিশ মিনিট সময় হলেই যথেষ্ট। চলুন জেনে নেওয়া যাক আলুর চিপস তৈরির রেসিপি—

উপকরণ

আলু ২টি, লবণ ১ চা চামচ, বিট লবণ ১/২ চা চামচ, মরিচের গুঁড়া ১/২ চা চামচ, টেস্টিং সল্ট ১ চিমটি ও তেল ভাজার জন্য।

প্রণালি

আলুর খোসা ছাড়িয়ে নিয়ে পাতলা পাতলা স্লাইস করে কেটে নিন। ছুরি দিয়ে বা গ্রেটারের সাহায্যে কাটতে পারেন। এবার ঠান্ডা পানির মধ্যে লবণ দিয়ে দিন ও কেটে রাখা আলুর স্লাইসগুলো ডুবিয়ে রাখুন ৫ মিনিটের জন্য। এরপর তুলে কিচেন টিস্যুতে রেখে পানি ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে।

একটি বড় প্যানে তেল গরম করুন। তেল ভালোভাবে গরম হলে আলুর চিপসগুলো ছেড়ে দিন। চুলার আঁচ মাঝারি রেখে ভালোভাবে ভেজে তুলে নিন। এবার বিট লবণ, মরিচের গুঁড়া, টেস্টিং সল্ট এবং সাধারণ লবণ নিয়ে একসাথে মিশিয়ে নিন এবং চিপসের উপর ছড়িয়ে দিন ভালোভাবে।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
যে ভিটামিনের অভাবে বিশ্রাম নিয়েও ক্লান্ত থাকেন

banglanewspaper

সুস্থ থাকাতে শরীরে প্রতিদিন বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেল দরকার হয়। শরীরের জন‍্য অপরিহার্য এমনই একটি ভিটামিন-ডি, উৎপন্ন হয় শরীরের অভ‍্যন্তরেই। সঠিক মাত্রায় থাকলে ক‍্যালশিয়াম ও ফসফরাস শোষণ নিয়ন্ত্রণে সাহায‍্য করে। তা ছাড়াও ভিটামিন ডি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, বিভিন্ন সংক্রমণ ও রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। হাড় ও দাঁতের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশকেও সহজ করে তোলে ভিটামিন ডি।

বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে— ভিটামিন ডি হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে, ত্বকের ব্যাধিতে, এমনকি, ক্যানসারের মতো রোগ প্রতিরোধে উপকারী। এটি শরীরের পেশিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

১. ভিটামিন ডি কম থাকলে শরীরের প্রতিরোধ শক্তি কমে যায়। সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে। ফলে ঘন ঘন সংক্রমণ হলে শরীরে ভিটামিন ডি-র মাত্রা পরীক্ষা করা দরকার।

২. ভিটামিন ডি-এর কারণে পেশিতেও টান ধরতে পারে। ভিটামিন ডি-র ঘাটতি বহু ক্ষেত্রে পেশির শক্তি কমিয়ে দেয়।

৩. ক্লান্তি হলো ভিটামিন ডি ঘাটতির আরও একটি উপসর্গ। পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে এবং ঠিক মতো খেয়েও যদি ক্লান্তি না কমে তবে এই বিষয়ে বাড়তি সচেতন হওয়া জরুরি।

৪ হাড়ে ব্যথাও ভিটামিন ডি-র ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়। টানা এমন ব্যথা থাকলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

৫. পর্যাপ্ত যত্ন নিয়েও চুল পড়া কমছে না? ভিটামিন ডি-র অভাবেও এমনটি হতে পারে। এক বার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া জরুরি। ভিটামিনে ডি-এর অভাব ঘটলে ওষুধ খাওয়া জরুরি।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
অতিরিক্ত টমেটো সস শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর!

banglanewspaper

খাবারের স্বাদ বাড়াতে অনেকেই রান্নায় বিভিন্ন সস ব্যবহার করেন। এ ছাড়া ডিম বা আলুর চপ, সিঙ্গারা, পেঁয়াজু, নুডলস—এ ধরনের খাবার খেতেও সসের ব্যবহার আছে। এমন অভ্যাসে বেশি বেশি সস খাওয়া হয়। এতে শরীরে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। বাজার থেকে কিনে আনা সসগুলো কিন্তু স্বাস্থ্যকর নয়। যদিও বিজ্ঞাপনে প্রশংসার কমতি থাকে না। অজান্তেই রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

অনেকে একটু বেশি পরিমাণ সসই খেয়ে থাকেন। এর মধ্যে বেশি খান টমেটোর সস। তবে, বিশেষজ্ঞরা লাগাম টানতে বলছেন। অতিরিক্ত সস খাওয়ায় শরীরে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। বিশেষ করে টমেটো সসে দেওয়া হয় উচ্চ ফ্রুক্টোজযুক্ত কর্ন সিরাপ। এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় চিনি যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। অতিরিক্ত টমেটো সস খেলে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি হতে পারে—

বদহজম

টমেটো সসে রয়েছে ম্যালিক অ্যাসিড ও সাইট্রিক অ্যাসিড। হজম ক্ষমতা দুর্বল এমন ব্যক্তিরা এই সস খেলে বদহজম, বুকজ্বালার মতো সমস্যা হতে পারে।

প্রদাহ

প্রক্রিয়াজাত খাবারে নানারকম রাসায়নিক মেশানো থাকে। এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই, টমেটো সস শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। ইউরিক অ্যাসিড বা বাতের ব্যথা থাকলে সস এড়ানোই ভালো।

হৃদরোগের ঝুঁকি

টমেটো সসে থাকে ফ্রুক্টোজযুক্ত কর্ন সিরাপ। এটি শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যা হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ায়।

ডায়াবেটিস

যেসব ব্যক্তি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তাদের সস না খাওয়াই ভালো। ফ্রুক্টোজযুক্ত কর্ন সিরাপ শরীরে ইনসুলিনের ভারসাম্য বিঘ্নিত করে। এটি দেহের বাড়তি ওজনের জন্যও দায়ী।

সস যদি খেতেই হয় তবে বাজারের সস না খেয়ে ঘরে তৈরি করে খান। তবে তা যেন স্বল্প পরিমাণে হয়। নয়তো স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
দেহের ওজন কমাতে যে ৩ সবজি খাবেন

banglanewspaper

অতিরিক্ত ওজন কারও কাম্য নয়। অনেকেই আছেন, যারা ওজন কমাতে অনেক টাকা খরচ করেও নিজেদের ফিট রাখতে পারেন না। অনেক সময় বিশেষ অস্ত্রোপচারের আগে জরুরি ভিত্তিতে রোগীর ওজন কমানোর দরকার পড়ে। অতিরিক্ত ওজন ডেকে আনতে পারে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা। তাই এখন অনেকেই চেষ্টা করেন, অতিরিক্ত ওজন ঝরিয়ে ফেলতে।

কিন্তু চাইলেই তো আর ওজন কমানো যায় না। তার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত শরীরচর্চা ও যথাযথ খাদ্যাভ্যাস। চলুন জেনে নেওয়া যাক তিনটি সবজির কথা, যা সাহায্য করতে পারে ওজন কমাতে।

ব্রকলি

ব্রকলিতে ক্যালোরির মাত্রা কম। কিন্তু ভিটামিন সি ও ফাইবারের মাত্রা বেশি। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ভিটামিন সি-র অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট গুণ ওজন কমাতে অত্যন্ত উপযোগী।

শাখ আলু

ব্রকলির মতো শাখ আলুতেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও ফাইবার। শাখ আলুর ক্যালোরির মাত্রাও বেশ কম। পাশাপাশি শাখ আলুতে থাকে প্রচুর পরিমাণ জল। ফলে শাখ আলু খেলে সহজে পেট ভরে যায়।

বাঁধাকপি

বাঁধাকপি ফাইবার সমৃদ্ধ। যা ওজন কমাতে কাজে আসে। পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের মতে বাঁধাকপি দেহে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিস সংক্রান্ত ওজনবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে থাকে। পাশাপাশি বাঁধাকপি প্রদাহজনিত সমস্যা ও জারণ ঘটিত চাপ কমাতেও দারুণ কার্যকর।

ট্যাগ: