banglanewspaper

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিধিনিষেধ আগামী ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ সময় ব্যাংক আগের মতো সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। তবে বিধিনিষেধের এই সাত দিন লেনদেন ও ব্যাংক খোলা রাখার সময় আগের চেয়ে ৩০ মিনিট বাড়ানো হয়েছে। নতুন সময় অনুযায়ী লেনদেন সকাল ১০টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত চলবে। এতদিন বেলা ২টা পর্যন্ত লেনদেন হতো।

রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্যাংক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল নির্দেশনা জারি করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০ ও ২৮ এপ্রিল, ৫ মে এবং ১৬ মে সীমিত পর্যায়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনের সময়সীমা ২৩ মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। কিন্তু ২৩ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিধিনিষেধ আগামী ৩০ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বিধিনিষেধের সময় ব্যাংক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ২৪ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সীমিত পর্যায়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ সময় দৈনিক ব্যাংকিং লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত। লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩ এপ্রিল জারি করা ডিওএস সার্কুলার লেটার নং-১৫ এ প্রদত্ত অন্যান্য নির্দেশাবলী অপরিবর্তিত থাকবে। অর্থাৎ প্রতিটি ব্যাংকের উপজেলা শহরের একটি শাখা খোলা থাকবে বৃহস্পতিবার, রবিবার ও মঙ্গলবার। এবং সিটি করপোরেশনের এলাকার দুই কিলোমিটারের মধ্যে একটি শাখা প্রতি কর্মদিবস খোলা রাখতে হবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো- সার্কুলারে বলা হয়েছে।

ট্যাগ: bdnewshour24

অর্থ-বাণিজ্য
ইভ্যালির রাসেলের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ

banglanewspaper

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেলের মুক্তির দাবি চেয়ে বিক্ষোভ করেছেন কয়েকজন। তারা গণমাধ্যমের কাছে নিজেদের ইভ্যালির গ্রাহক হিসেবে দাবি করেছেন।

শুক্রবার (১ জুলাই) বিকেলে ইভ্যালির বর্তমান বোর্ড সদস্যদের সংবাদ সম্মেলনের খবরে জড়ো হন তারা। এসময় সাংবাদিকদের দেখে তারা স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভ চলাকালীন সময়ে রাসেল রাজু নামে এক গ্রাহক বলেন, ইভ্যালির সাবেক সিইও মো. রাসেলকে মুক্তি দিয়ে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দিলে ইভ্যালি ঘুরে দাঁড়াবে। রাসেল জেলে যাবার পর থেকে দায়িত্ব নেওয়া বোর্ড যে পরিমাণ সময় নিয়েছে, তাতে কাজের কাজ হয়নি। রাসেল যদি এ সময় পেতেন, তাহলে এত দিনে সব চুকিয়ে ফেলতেন। ব্যবসা নতুন করে শুরু হতো। গ্রাহক-মার্চেন্টরা টাকা ফেরত পেতেন। একই সাথে মিলতো বিনিয়োগকারীও।

তিনি আরও বলেন, রাসেলকে জেলে পাঠিয়ে ই-কমার্স নিয়ে নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করা হয়েছে। অথচ তাকে সময় দেওয়া যেতো। তিনি অবশ্যই ভাল ইনভেস্টর ম্যানেজ করে ফেলতেন। সেই সময়টা তাকে দেওয়া হয়নি। তার মুক্তিতে লাখ লাখ গ্রাহকের কল্যাণ বয়ে আসবে। আমাদের একটাই দাবি তার মুক্তি।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
বিশ্ববাজারে কমছে স্বর্ণের দাম

banglanewspaper

রাশিয়া হামলা শুরুর পরপরই বিশ্ব অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। হু হু করে বেড়েছে বিভিন্ন পণ্যের দাম। সেইসঙ্গে হুট করে স্বর্ণের দামেও দেখা গিয়েছে বড় উত্থান, এরপর গত কয়েক মাসে আবার বড় দরপতনের ঘটনাও ঘটেছে। তবে বিশ্ববাজারে দাম কমলেও গত এক মাসে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি।

গত এক মাসে স্বর্ণের পাশাপাশি বিশ্ববাজারে রুপা ও প্লাটিনামের দামে বড় পতন হয়েছে। একমাসের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমেছে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ। রুপার দাম কমেছে ১০ দশমিক ৮২ শতাংশ। আর প্লাটিনামের দাম কমেছে ১৩ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ১ হাজার ৮৬৮ দশমিক শূন্য ৯ ডলার। সেখান থেকে কমতে কমতে এখন তা ১ হাজার ৮১০ দশমিক ১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ একমাসে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে ৫৭ দশমিক ৫১ ডলার। এর মধ্যে গেল সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে ১৬ দশমিক শূন্য ৭ ডলার বা দশমিক ৮৮ শতাংশ।

এদিকে চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রবণতা দেখা দিলে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সে সময় সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৯৯১ টাকা ধরা হয়। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৫৮ টাকা কমানো হয়েছে।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
ঈদ উপলক্ষে ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট আসছে

banglanewspaper

ঈদ আনন্দ বাড়িয়ে দেয় টাকার নতুন নোট। ছোট-বড় সবারই পছন্দ নতুন টাকা। ঈদ সালামিতে নতুন টাকার জুড়ি নেই। বকশিশ, দান-খয়রাত কিংবা ফিতরাতেও অনেকেই নতুন টাকা বিতরণ করেন। তাই ঈদে গ্রাহকদের কাছে নতুন টাকার আকর্ষণ একটু বেশি। গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে প্রতিবছর ঈদের আগ মুহূর্তে বাজারে নতুন টাকার নোট ছাড়ে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এবারের ঈদে অতিরিক্ত চাহিদা থাকায় বাজারে ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (২৯ জুন) থেকে ৪০টি ব্যাংকের মাধ্যমে বাজারে নতুন টাকা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৯ জুন থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া) ঢাকা অঞ্চলের বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংকের শাখায় বিশেষ ব্যবস্থায় ১০, ২০ ও ১০০ টাকা মূল্যমানের নতুন নোট বিনিময় করতে পারবেন সাধারণ মানুষ। তবে এক ব্যক্তির একাধিকবার নোট উত্তোলনের সুযোগ না থাকলেও তিনি চাইলে কাউন্টার থেকে যেকোনো পরিমাণ ধাতব মুদ্রা নিতে পারবেন। এটিএম বুথ থেকেও গ্রাহকরা নতুন টাকা পাবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, প্রতি ঈদেই নতুন টাকার চাহিদা থাকে। এসব চাহিদা বিবেচনায় এবারের ঈদে ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে চাহিদা বাড়লে যেন কোনো সমস্যার সৃষ্টি না হয় সে ব্যবস্থাও রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তিনি জানান, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংকের ৪০টি শাখায় ১০, ২০ ও ১০০ টাকার নতুন নোট বিনিময় করা হবে। এই তিন নোট ছাড়াও প্রতিটি শাখায় মোট এক কোটি ৬১ লাখ টাকার বিভিন্ন মূল্যমানের নোট সরবরাহ করা হবে।

উল্লেখ্য, ঈদুল ফিতরেও ৩২টি ব্যাংকের মাধ্যমে ২৩ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছেড়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঋণ দেওয়ার নির্দেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

banglanewspaper

দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সৃষ্ট সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষি ঋণ সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগের (এসিডি) পরিচালক মো. আলী মোল্লা স্বাক্ষরিত সার্কুলার জারি করা হয়।

সার্কুলারে বলা হয়, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও দোহাকোনা জেলার পাশাপাশি দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যা কবলিত জেলাসমূহ- শেরপুর, জামালপুর, রংপুর, লালমনিরহাট এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক চিহ্নিত বন্যা কবলিত অন্যান্য জেলাসমূহের জন্যও এ ঋণ সুবিধা প্রযোজ্য হবে।

এতে আরও বলা হয়, কৃষক গ্রাহক পর্যায়ে ৪ শতাংশ কৃষি ঋণ বিতরণের জন্য গঠিত তিন হাজার কোটি টাকার বিশেষ পুনঃঅনস্ক্রিমের আওতার বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যাংকগুলোকে তাদের অব্যবহৃত স্থিতির ন্যূনতম ৪০ শতাংশ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাসমূহে বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে।

এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়।

প্রসঙ্গত, দেশের ১০ জেলায় বন্যায় এখন পর্যন্ত ৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগে।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
মুক্তিযোদ্ধা, বৃদ্ধ ও বিধবাদের ব্যাংকে বিশেষ ব্যবস্থায় সেবা দিতে নির্দেশ

banglanewspaper

ব্যাংকের সব শাখায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, বয়োবৃদ্ধ, বিধবা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার (২২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক (বিআরপিডি) মো. আলী আকবর ফরাজী এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যাংকিং সেবা গ্রহণের জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা, বয়োবৃদ্ধ, বিধবা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন গ্রাহকরা ব্যাংকে গমন করে থাকেন। এ ধরনের গ্রাহককে ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার জন্য ব্যাংকগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থা না থাকায় তাদেরকে বিভিন্ন অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। অন্যান্য গ্রাহকদের তুলনায় এই গ্রাহকরা অপেক্ষাকৃত সংবেদনশীল হয়ে থাকেন। তাই তাদের সেবা প্রদানে বর্ধিত সুযোগ-সুবিধা প্রদানের বিষয়টি বিবেচিত হওয়ার আবশ্যকতা রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বয়োবৃদ্ধ, বিধবা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন গ্রাহকদেরকে ব্যাংকিং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এখন থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা, বয়োবৃদ্ধ, বিধবা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন গ্রাহকের জন্য ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়সহ সব শাখা প্রাঙ্গণে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বসার ব্যবস্থা সংরক্ষণ করতে হবে। এ ছাড়া এই ধরণের গ্রাহকদের কাঙ্ক্ষিত ব্যাংকিং সেবা নির্বিঘ্ন সহজ ও দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এই ধরনের গ্রাহকের ব্যাংকিং সেবা গ্রহণে সহযোগিতা দেওয়ার লক্ষ্যে ব্যাংকগুলো তাদের সব শাখাসহ প্রত্যেকটি সার্ভিস সেন্টারে একজন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে সুনির্দিষ্টভাবে দায়িত্ব প্রদান করবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো।

ট্যাগ: