banglanewspaper

ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন ও সহমর্মিতা এবং ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক অবরোধের দাবি জনিয়ে ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়ায় বিক্ষোভ হয়েছে। অন্যদিকে, গতকাল কাতার অন্য সকল আরব দেশ এবং মুসলিম দেশের সঙ্গে মিলে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি আক্রমণ বন্ধ করতে সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।

লন্ডনে বিক্ষোভে অংশ নেয়া আমল নাগভি নামের একজন বলেছন, ‘আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে একত্রিত হয়েছি। অনেকেই মনে করেন এসব সমাবেশে কোনো ফল হয় না। অনেক কিছুই বদলে গেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত না শান্তি আসছে ও ফিলিস্তিনকে আমরা একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে পাচ্ছি ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’


অন্যদিকে, মৌরতানিয়ার সংসদ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রতি গাজায় গণহত্যা সংগঠিত করার জন্য ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বিচার করতে রেজুলেশন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছে।

এছাড়া, ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতিকে সমর্থন জানানোর পাশাপাশি ইসরায়েলি সরকারকে দ্রুত ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে শান্তি স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে গতকাল সন্ধ্যায় কয়েক হাজার ইসরায়েলি তেল আবিবে সমাবেশ করেছেন।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুসালেম পোস্ট জানিয়েছে, সমাবেশে ইসরায়েলের নাগরিকদের একটি অংশ সেখানকার ইহুদি ও আরবদের একত্রে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

গাজায় ইসরায়েলের টানা ১১ দিন গোলা বর্ষণের পর দেশটির ভেতরে জাতিগত দাঙ্গার পর হাজার হাজার মানুষ এমন দাবি নিয়ে সমাবেশ করলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সমাবেশে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখলদারিত্বের অবসান ঘটানোর আহ্বানও জানানো হয়েছে।

পূর্ব জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদ চত্বরে ইসরায়েলি পুলিশের সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের সংঘর্ষের জেরে গত ১০ মার্চ রাত থেকে অধিকৃত এই উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের স্থাপনায় বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। টানা ১১ দিনব্যাপী ফিলিস্তিনের ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি সংঘর্ষে গাজায় ২৪৮ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ৬৬ জন শিশু রয়েছে।

গত শুক্রবার ইহুদিবাদী ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে টানা ১১ দিন সংঘর্ষের পর স্থানীয় সময় দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ইতিমধ্যে কার্যকর হয়। সংঘাতে ইসরায়েল ও হামাস উভয় পক্ষ নিজেদের জয় দাবি করেছে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলির বিমান হামলা এবং গোলার আঘাতে ১৯০০ এর বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে। অন্যদিকে, ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের রকেট হামলায় ইসরায়েলে দুইজন শিশুসহ ১২ জন নিহত হয়েছে।

ট্যাগ: bdnewshour24

আন্তর্জাতিক
‘করোনা যাবে না, স্থানীয় রোগে পরিণত হবে’

banglanewspaper

দুই বছরের বেশি সময় ধরে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। লাখ লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া এই ভাইরাসটি সম্পূর্ণ চলে যাবে না, বরং এটা স্থানীয় রোগে পরিণত হবে বলে মনে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

সংস্থাটির রুশ প্রতিনিধি মেলিটা ভুজনভিক লাইভ ইউটিউব চ্যানেলকে এই কথা জানিয়েছেন।

মেলিটা ভুজনভিক বলেন, করোনাভাইরাস স্থানীয় রোগে পরিণত হতে যাচ্ছে। এর মানে হলো এটি কখনোই যাবে না। কিন্তু আমরা জেনেছি এর চিকিৎসা এবং এ থেকে কীভাবে নিজেদের রক্ষা করতে হয়।

এই কর্মকর্তা বলেন, আমাদের এখনই ভাইরাসটির নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। না হলে অপ্রত্যাশিতভাবে নতুন কোনো ধরন দেখা দেবে। তাই মানবজাতির আরাম করার সময় এখনো বহুদূর।

টিকা ছাড়াও মাস্ক পরা, ভিড় এড়িয়ে চলাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ভুজনভিক।

ট্যাগ:

আন্তর্জাতিক
ওমিক্রনের বিরুদ্ধে স্পুটনিক কার্যকর: রাশিয়া

banglanewspaper

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার তৈরি স্পুটনিক ভ্যাকসিন ভালো কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে।

স্পুটনিক ভ্যাকসিনের টুইটার অ্যাকাউন্টের বরাত দিয়ে রাশিয়ার ডাইরেক্ট ইনভেস্টসেন্ট ফান্ডের প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভ শনিবার এ কথা জানিয়েছেন।

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দিমিত্রিয়েভ বলেন, ‘আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে, ভ্যাকসিন বর্তমান এবং ভবিষ্যতের মিউটেশনের বিরুদ্ধে কাজ করবে। সে ক্ষেত্রে স্পুটনিক বেশ ভালো কাজ করছে।’

দিমিত্রিয়েভ বলেন, ‘বুস্টার ডোজ হিসেবে স্পুটনিক লাইটের পাশাপশি বিদ্যমান ভ্যাকসিনগুলোর সংমিশ্রণ করোনাভাইরাসের নতুন ভেরিয়েন্টগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অত্যন্ত কার্যকর।’

ট্যাগ:

আন্তর্জাতিক
২০২১ সাল ছিল পৃথিবীর ষষ্ঠ উষ্ণতম বছর

banglanewspaper

২০২১ সাল ছিল পৃথিবীর ষষ্ঠ উষ্ণতম বছর। শুধু আমেরিকাতেই গত বছর ঘূর্ণিঝড়, তাপপ্রবাহ, বন্যা, অতিবৃষ্টির মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণ হারিয়েছেন ৬০০-রও বেশি মানুষ।

আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’ ও আমেরিকার ‘ন্যাশনাল ওশিয়ানিক অ্যান্ড অ্যাটমস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নোয়া)’ বৃহস্পতিবার এই খবর দিয়েছে।

নাসা, নোয়া আলাদা আলাদা ভাবে জানিয়েছে, উষ্ণায়নের গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারত, আমেরিকা, ইউরোপ-সহ গোটা বিশ্বেই গত এক দশক ধরে প্রতিটি বছরের উষ্ণতা বেড়েছে। বছরগুলোর মধ্যে উষ্ণতম ছিল ২০১৬ এবং ২০২০। তবে উষ্ণতার নিরিখে গত বছরটি ওই দুইটি বছরের তুলনায় খুব পিছিয়ে ছিল না। ছিল ধারেকাছেই।

নোয়ার পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ছিল ১৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা সাড়ে ৫৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট।

নাসা জানিয়েছে, গত ১৪১ বছরের ইতিহাসে (১৮৮০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ভাবে সব দেশের বাৎসরিক গড় তাপমাত্রার হিসাব রাখা শুরু হয়) ২০২১ এবং ২০১৮ সাল দুইটি ছিল ষষ্ঠ উষ্ণতম।

অন্যদিকে নোয়ার দাবি, উষ্ণতার নিরিখে ষষ্ঠ স্থানটির দাবিদার একক ভাবে ২০২১ সালই।

নাসা ও নোয়া জানিয়েছে, উষ্ণায়নের জন্য গত এক বা দুইদশকে যে উদ্বেগজনক ভাবে শুধুই ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়েছে, বেড়ে চলেছে, তা-ই নয়; আশঙ্কাজনক ভাবে বাড়ছে মহাসাগরগুলোর পানির উপরিতলের তাপমাত্রাও। যার পরিণতিতে আন্টার্কটিকা ও গ্রিনল্যান্ডের পুরু বরফের চাঙগুলো গলে যাওয়ার গতি ত্বরান্বিত হয়েছে। সমুদ্রের পানিরস্তরও উপরে উঠে আসছে আশঙ্কাজনক ভাবে।

নোয়া-র জলবায়ু বিশেষজ্ঞ রাসেল হোস বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, ২০২২ সালটির দশম উষ্ণতম বছর হয়ে ওঠার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ। আর গত দেড়শো বছরের ইতিহাসে এই বছরের সবচেয়ে উষ্ণ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা ১০ শতাংশ।’

ট্যাগ:

আন্তর্জাতিক
পশ্চিমবঙ্গে লাইনচ্যুত হয়ে দুমড়েমুচড়ে গেল ট্রেন, নিহত বেড়ে ৮

banglanewspaper

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত অন্তত ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে ময়নাগুড়িতে বিকানের-গুয়াহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি এই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

দুর্ঘটনার পর ট্রেনটির ৬-৭টি কামড়া একেবারে দুমড়েমুচড়ে যায়। একটি কামরার উপরে উঠে যায় অন্যটি। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান আরও পাঁচজন।

ভারতের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, পাটনা থেকে ছাড়ার সময় ট্রেনটিতে প্রায় ৭০০ যাত্রী ছিলেন। পরে বিভিন্ন স্টেশন থেকে যাত্রীরা নামা-ওঠা করেন। ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর ৫১টি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে যায়। জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতাল থেকেই ৩০টি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা রেললাইনের দু’পাশে যাত্রীদের পড়ে থাকতে দেখেছেন। অনেকে দুমড়েমুচড়ে যাওয়া কামরায় আটকে পড়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জীব নট্ট বলেন, এলাকার লোকজন এবং স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। ট্রেনের ১২টা কামরা পড়ে রয়েছে। ভেতরে প্রচুর যাত্রী আটকে আছে। তাদের সকলেই চিৎকার করছেন। আমরা অত্যন্ত অসহায় বোধ করছি।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, ট্রেন দুর্ঘটনার স্থানে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। দুর্ঘটনায় ট্রেনের কয়েকটি বগি উল্টে যাওয়ায় অনেকেই চাপা পড়েছেন। উদ্ধারকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও ট্রেনের নিচে চাপা পড়া যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

রেলের একজন কর্মকর্তা জানান, দ্রুত উদ্ধারকার্য পরিচালনা করা হচ্ছে। কিন্তু অন্ধকারে উদ্ধারকারীদের খুব সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মৌমিতা গোদারা বসু উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। চিকিৎসক নার্সদেরও প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কোভিড-বৈঠকে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়ই ময়নাগুড়িতে বিকানের এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনার খবর পান তিনি।

সঙ্গে সঙ্গেই কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিষয়টির খোঁজ নেন মমতা। দ্রুত উদ্ধারকার্য চালানোর নির্দেশ দেন

ট্যাগ:

আন্তর্জাতিক
আমেরিকায় মুদ্রাস্ফীতির রেকর্ড!

banglanewspaper

এ বছরের গোড়ায় আমেরিকার মুদ্রাস্ফীতি ৭ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে বলে সতর্ক করেছে দেশের সর্বোচ্চ ব্যাংক। ২০২১ সালে আমেরিকার মুদ্রাস্ফীতি পাঁচ দশমিক পাঁচ শতাংশে পৌঁছেছিল। মূলত করোনার কারণেই অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছিল প্রশাসন।

জো বাইডেনের প্রশাসন জনগণকে জানিয়েছিলেন, অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য তারা সবরকম ব্যবস্থা নেবে। দ্রুত মার্কিন অর্থনীতি ফের ঘুরে দাঁড়াবে।

বস্তুত, বাইডেন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য বেশ কিছু পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, কোনো কিছুতেই কোনো লাভ হয়নি। অর্থনীতি আরো সংকটের মুখে পড়েছে। যার জেরে এ বছরের গোড়ায় মুদ্রাস্ফীতিসাত শতাংশ গিয়ে ঠেকেছে। যা গত চার দশকের মধ্যে কখনো ঘটেনি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৮২ সালের জুন মাসে শেষবার এই পরিমাণ মুদ্রাস্ফীতি দেখেছিল আমেরিকা। বস্তুত, গত বছরের পাঁচ দশমিক পাঁচ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতিও ঐতিহাসিক ঘটনা ছিল। ১৯৯১ সালে শেষবার ওই পরিমাণ মুদ্রাস্ফীতি হয়েছিল।

মুদ্রাস্ফীতির জেরে বাজার দর অনেক বেড়ে গেছে। বাড়ি ভাড়া থেকে শুরু করে সেকেন্ডহ্যান্ড গাড়ি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস থেকে কাঁচা বাজার-- সব কিছুর দামই ঊর্ধ্বমুখী। হিসেব বলছে, গত কিছুদিনে বাড়িভাড়া বেড়েছে চার দশমিক এক শতাংশ। খাবারের দাম বেড়েছে ছয় দশমিক তিন শতাংশ। পুরনো গাড়ির দাম বেড়েছে ৩৭ দশমিক তিন শতাংশ। এছাড়াও জামাকাপড়, জুতো, ওষুধ সব কিছুরই দাম বেড়েছে। এবং ক্রমশ বেড়েই চলেছে।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন অবশ্য বুধবারও মার্কিন জনগণকে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এখনই মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। বিশ্বজুড়ে করোনা প্রকোপের জন্যই এমনটা ঘটেছে। অর্থনীতি যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, তার জন্য সরকার সবরকম ব্যবস্থা নিচ্ছে। ফলে ভয় পাওয়ার কারণ নেই। দ্রুত এই পরিস্থিতি থেকে সাধারণ মানুষ মুক্তি পাবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মার্কিন নাগরিকদের কাছে এখন মুদ্রাস্ফীতি সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়। করোনার চেয়েও এ বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে বেশি। সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। বস্তুত, সর্বোচ্চ মার্কিন ব্যাংকও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। দ্রুত এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন বলেও সরকারকে তারা জানিয়েছে।

ট্যাগ: